বহু নির্বাচনি প্রশ্নোত্তর:
১. হাসপাতালের বর্জ্যপূর্ণ ড্রামের গায়ে নিচের কোন সাংকেতিক চিহ্নটি লাগাবে?
ক. আগুনের শিখা
খ. স্বাস্থ্য ঝুঁকির সংকেত
গ. পরিবেশ
ঘ. বিপদজনক
২. আধুনিক রসায়নের জনক কে?
ক. জাবির-ইবনে-হাইয়ান
খ. জন ডাল্টন।
গ. এন্টনি জেনারেল ল্যাভসিস
ঘ. এন্টনি ল্যাভসিস।
৩. এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রথম ব্যবহৃত ধাতু নিম্নের কোনটি?
ক. তামা খ. রুপা
গ. টিন ঘ. গোল্ড
৪. অ্যালয় দিয়ে তৈরি নিম্নের কোনটি?
ক. আলকেমি খ. এন্টনি
গ. এপ্রোন ঘ. অস্ত্র
৫. রসায়নের ইতিহাসে প্রথম পদ্ধতিগতভাবে রসায়নের গবেষণা নিচের কোনটি?
ক. আলকেমি খ. কীটনাশক
গ. আয়ুকাল বৃদ্ধি করার ঔষধ ঘ. মূর্তি তৈরি
৬. ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত টক্সিক উপাদান নিম্নের কোনটি?
ক. টিএনটি খ. ইউরেনিয়াম
গ. সালফিউরিক অ্যাসিড ঘ. মিথানল।
৭. পূর্বের গবেষণাপত্রের সাহায্যে বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা নেওয়া অনুসন্ধান কাজের কততম ধাপ?
ক, প্রথম খ. দ্বিতীয়
গ. তৃতীয় ঘ. চতুর্থ।
৮. গাঢ় অ্যাসিড নিয়ে কাজ করার সময় নিম্নের কোন নিরাপত্তাসামগ্রী ব্যবহার করা হয়?
ক. মাস্ক খ. এপ্রোন গ. হ্যান্ড স্যানিটাইজার ঘ. হ্যান্ড গ্লাভস
৯. ল্যাবরেটরিতে অ্যাপ্রোন পরিধানের উদ্দেশ্য হল-
র. রাসায়নিক পদার্থ যাতে ছিটকে শরীরে না লাগে। রর. কাজ করার জন্য মানসিক প্রস্তুতির জন্য। রর. সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য
নিম্নের কোনটি সঠিক?
ক. i ও i i খ. i ও i i i
গ. i i ও i i i ঘ. i, i i ও i i i
নিম্নলিখিত উদ্দীপকের আলোকে ১০ ও ১১ নং প্রশ্নের উত্তর দাও.
সুকল্প দেবনাথ শাবল, কোদাল ইত্যাদি ব্যবহার করার পর খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন রেখে দিল। কিছুদিন পর লক্ষ্য করল এগুলাের উপর লালচে বর্ণের আস্তরণ পড়েছে যা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মের।
১০. উল্লিখিত প্রক্রিয়ায় লালচে বর্ণের পদার্থটি নিম্নের কোনটি হবে?
ক. পানি খ. আর্দ ফেরিক অক্সাইড
গ. অক্সিজেন ঘ. ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড
১১. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবর্তনটি কি ধরনের পরিবর্তন?
ক. অজৈব খ. রাসায়নিক
গ. ভৌত ঘ. জৈব রাসায়নিক
১২. পানি দূষিত হতে পারে।
i. আর্সেনিক এর মিশ্রণের ফলে
i i. লেড এর মিশ্রণের ফলে
i i i. অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও i i খ. i ও i i i
গ. i i ও i i i ঘ. i i i ও i i
১৩. নিম্নের কোন উপাদান দ্বারা পাকা আম মিষ্টি হয়?
ক. সাকসিনিক এ্যাসিড
খ. ম্যালোয়িক এ্যাসিড
গ. হাইড্রোক্লোরিক এ্যাসিড
ঘ. গ্লুকোজ ও ফরুক্টোজ
১৪. সারের উপাদান নয় নিচের কোনটি?
ক. অক্সিজেন খ. কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ. নাইট্রোজেন ঘ. ফসফরাস।
উত্তরমালা : ১.গ, ২.ঘ ৩.ঘ ৪.ঘ ৫.গ ৬.ঘ ৭.খ, ৮.ঘ, ৯. ক ১০.খ, ১১.খ, ১২.ঘ, ১৩ঘ ,১৪.খ।
সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর:
বর্তমান বিশ্বে COVID-19 এর ভ্যাকসিন নিয়ে বা ঔষধ সেবন করে আতঙ্কিত মানুষ বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে। সেই সাথে ফসলের ক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে মানুষ তার অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখছে। কিন্তু ঔষধ, সার, কীটনাশক দ্রব্যগুলোর পরিমিত ও যথাযথ ব্যবহার আবশ্যক। অন্যতায় মানুষ ও পরিবেশের জন্য এইগুলো মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
ক. অ্যালয় কী?
খ. পাতিত পানি বিশুদ্ধ হলেও পানের অনুপযুক্ত কেন?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যগুলো সাথে রসায়নের সম্পর্ক স্থাপনপূর্বক ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পদার্থগুলোর অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে তুমি মনে করো উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।
১নং প্রশ্নের (ক) উত্তর-
কতগুলো ধাতুকে একত্রে গলানোর পর গলিত মিশ্রণকে ঠান্ডা করলে যে ধাতুর মিশ্রণ পাওয়া যায় তাকে সংকর ধাতু বা অ্যালয় বলে।
১নং প্রশ্নের (খ) উত্তর-
পানি আমাদের শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এটি শরীরের মধ্যে বিভিন্ন পদার্থের দ্রাবক হিসেবে কাজ করে। জীবের শরীরের বেশির ভাগই পানি। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ এই পানিতে দ্রবীভূত হয়ে প্রস্রাব ও ঘামের সাহায্যে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। খাবার পানিতে পানি ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণ যেমন-ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের লবণগুলো জীবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। পাতিত পানিতে এসব ধাতুর লবণ না থাকায় পাতিত পানি বিশুদ্ধ হলেও পানের অনুপযুক্ত হয়।
১নং প্রশ্নের (গ) উত্তর-
উদ্দীপকে উল্লিখিত ভ্যাকসিন নিয়ে বা ঔষধ সেবন করে এবং সার ও কীটনাশকের ব্যবহার রাসায়নিক ঘটনাবলীর সাথে সম্পর্কিত। ঔষধ এর প্রাথমিক উপাদান সংগ্রহ, উৎপাদন, গুনাগুন ও কার্যকারিতা সবি রাসায়নিক ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত।
আমরা জ্বও, সর্দি, মাথাব্যথা ছাড়াও বিভিন্ন জটিল ও মহামারী রোগের আক্রমণ থেকে যেসব ঔষধ ,এন্টিবায়োটিক অথবা ভ্যাকসিন ব্যবহার করি সবই রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে মানব দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া পরিমিত পরিমাণে ঔষধ সেবনের ব্যাপারটিও রসায়নের জ্ঞানের সাথে জড়িত। কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সার শিল্প কারখানায় রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এসব রাসায়নিক সার মাটিতে নানারকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদের পুষ্টি প্রদান করে।
ফসলের প্রয়োজন অনুসারে রাসায়নিক সার নির্বাচন এবং সর্বোচ্চ ফসল উৎপাদন, সঠিক রাসায়নিক সারের পরিমিত প্রয়োগ সম্পর্কে জানতে হলে রসায়নের জ্ঞান আবশ্যক। তাই উদ্দীপকে উল্লিখিত তত্ত্বানুসারে আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে পারি এটি রসায়ন এর সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন সম্পর্ক রয়েছে।
১নং প্রশ্নের (ঘ) উত্তর-
ভালো থাকার জন্য রাসায়নিক পদার্থের পরিমিত ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী। মাত্রাতিরিক্ত ঔষধ সেবনে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। এমনকি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ঔষধ ব্যবহারকারী এবং প্রস্তুতকারী উভয়ই রাসায়নিক পদার্থের গুনাগুন বিবেচনাপূর্বক এদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারলে মানব জাতি ও পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে।
ফসলে বা সবজিক্ষেতে ছিটানো কীটনাশকগুলো মূলত নানা ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। এইসব রাসায়নিক পদার্থ ফসলের ছিটানো হলে ক্ষতিকর পোকামাকড়, কীটপতঙ্গের সাথে বিদ্যমান অন্যান্য প্রাণীর জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। এতে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। এ সমস্ত বিষাক্ত পদার্থ মাটি, পানি ও পরিবেশের সাথে মিশে মাটির উর্বরতা শক্তি নষ্ট করে। তাছাড়া জমিতে ছিটানো সার ও বিষাক্ত কীটনাশক বন্যার পানির মাধ্যমে পুকুর, নদী-নালা ও জলাশয়ের পানির সাথে মিশে পরিবেশে বিদ্যমান প্রাণীকুলের জীবন বিপন্ন করে তুলছে। তাই উল্লিখিত বস্তুগুলোর অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে আমাদের এই ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে মনে করি।




