মঙ্গলবার ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭, ০২ মার্চ ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ফটিকছড়ির মানুষের গলার ফাঁস ধুরুং খালের বাঁধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফটিকছড়ি , ২৯ সেন্টেম্বর ॥ উপজেলার পৌর সদর এলাকায় ধুরুং খালের ওপর পাকিস্তান আমলের পুরনো বাঁধটি দিন দিন পৌরবাসীসহ ৪/৫টি ইউনিয়নের ৩ লক্ষাধিক মানুষের গলার ফাঁসে পরিণত হয়েছে। এছাড়া, অপরিকল্পিতভাবে বাঁধটি নির্মাণের ফলে এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর নাব্য তথা স্বাভাবিক পানি সরবরাহে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিহ্নত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে উচ্চ পদস্থ একটি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে এসে তাঁদের রিপোর্টে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক অর্ধ শতাব্দী আগে নির্মিত পুরনো বাঁধটি তুলে দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় পৌরবাসীসহ আশপাশের প্রতিটি মানুষ বাঁধটি তুলে দেয়ার দাবি করে আসছিল দীর্ঘদিন থেকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ধুরুং খালটিতে ৩শ’ ফুট প্রস্থ জুড়ে বাঁধ নির্মাণের আগে পানি প্রবাহিত হয়েছিল। পরবর্তীতে বাঁধের কাছে খালটিকে শাসন করে প্রস্থ ৩০০ ফুটের স্থলে কমিয়ে খালের মাঝে আড়াআড়িভাবে প্রায় ৮০ ফুটে এনে বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। ফলে, প্রস্থ কমানোর পাশাপাশি খালের তলা থেকে ওপর দিকে ৮ ফুট উঁচু একটি কংক্রিটের শক্ত দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। যার কারণে, উজান থেকে ৩শ’ ফুট প্রস্থ জুড়ে নেমে আসা পানি বাঁধের কাছে এসে মাত্র ৮০ ফুট প্রস্থ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। খালের উজানে বর্ষার পানি স্বাভাবিক গতিতে যেতে না পেরে উপচে পড়ে খালের দু’পাশে পাড় ভেঙ্গে এলাকার রাস্তাঘাট, বাড়িঘরসহ গ্রামীণ অবকাঠামো নষ্ট হয়ে যায়। সেই সঙ্গে হাজার হাজার একর জমির ধান প্রতিবছর নষ্ট হয়ে থাকে। বাঁধটির ফলে পৌর এলাকা, কাঞ্চননগর, পাইন্দং, সুন্দরপুর, দৌলতপুর, লেলাং প্রভৃতি ইউনিয়নে প্রতিবছর বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতি হয়। চলতি বছরও বাঁধটির কারণে সৃষ্ট বন্যায় এসব ইউনিয়নে অন্তত শত কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগ থেকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট ক্ষতির বিবরণ প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে, বাঁধটির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্থানীয় পৌর মেয়র আলহাজ মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, প্রতিবছর আমরা ওপর মহলে দেনদরবার করে বরাদ্দ এনে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করি, কিন্তু ধুরুং খালের বাঁধটির কারণে বর্ষায় সব কিছু ভেঙ্গে চুরে একাকার করে দেয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাঁধটি তুলে দেয়া হলে প্রতিবছর কোটি কোটি সম্পদহানি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তিনি এটিকে পৌরবাসীর গলার ফাঁস ও উপজেলাবাসীর সর্বনাশা উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাঁধটি থাকলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লাভ। কেননা এটির কারণে খালের পাড় ভাংবে, তবে এসব ভাঙ্গন সংস্কারের নামে তারা এবং তাদের ঠিকাদাররা প্রতিবছর ভাগাভাগি করে টুপাইস হাতিয়ে নিতে পারবে। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী অরূপ কুমার চক্রবর্ত্তী জানান, যেহেতু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে রবি মৌসুমে চাষাবাদ করার জন্য এ বাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে বাঁধটি এ মুহূর্তে তুলে দেয়ার মতো পাউবো’র কোন পরিকল্পনা নেই। তবে বাঁধটি সংস্কারের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের বরাদ্দ অর্থের পার্ট-২ এ একটি প্রকল্প জমা দেয়া আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে বাঁধটি পুনঃসংস্কার করা হবে বলে তিনি জানান।

করোনাভাইরাস আপডেট
বিশ্বব্যাপী
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
১১২৭১৩৭০৬
আক্রান্ত
৫৪৭৩১৬
সুস্থ
৮৮২৮৫০৩১
সুস্থ
৪৯৮৬৯১
শীর্ষ সংবাদ:
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুত ॥ বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বেই পরিবর্তন আসছে         জনগণের যেন খাদ্য সমস্যা না হয় ॥ প্রধানমন্ত্রী         আলজাজিরার বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে মামলার আবেদন         স্কুল-কলেজ খুলে দেশে দেশে বিপদ         দেশ এখন চীন-ভারত-মালয়েশিয়ার কাতারে ॥ অর্থমন্ত্রী         ইসিকে হেয় করতে সবই করছেন মাহবুব তালুকদার ॥ সিইসি         নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হলে হার্ডলাইনে যাবে সরকার         বিটিআরসির ফোরজি তরঙ্গ নিলাম ৮ মার্চ         করোনায় মৃত্যু, আক্রান্ত ও শনাক্ত কমেছে         ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের আহ্বান         পদ্মা নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পে সময় ও ব্যয় দুইই বাড়ছে         মেধাবীরাই জঙ্গী সংগঠনগুলোর টার্গেট         এবার বর্ষায় চট্টগ্রামে জলজট থাকছে না         অচিরেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু         ভাসানচরের উদ্দেশে ২২শ’ রোহিঙ্গা চট্টগ্রামে         মোদীর সফরে কানেক্টিভিটি গুরুত্ব পাবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী         নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে ক্ষমতা হস্তান্তর স্বাভাবিক হতে পারে না : নির্বাচন কমিশনার         ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে : আইনমন্ত্রী         রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে : মেয়র তাপস         বাংলাদেশ এখন চীন-ভারত-মালয়েশিয়ার কাতারে ॥ অর্থমন্ত্রী