পটুয়াখালী সংরক্ষিত মহিলা আসনে দলীয় মনোনয় প্রত্যাশা করছেন।
নাজু ৭১ এর রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এ জলিল হিরো মিয়ার সহধর্মিনী।
নাজমুন নাহার নাজু বর্তমানে পটুয়াখালী জেলা মহিলা দলের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম বরিশাল বিভাগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি পটুয়াখালী জেলা ও বাউফল উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।
নাজমুন নাহার নাজু বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। শুধু বাউফল বা জেলা পর্যায়েই নয়, ঢাকার রাজপথেও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার সরব উপস্থিতি ছিল। তৃণমূলের এই নেত্রী জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে এবং দলীয় কর্মসূচিতে তার ত্যাগের কথা সর্বজনবিদিত।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, দলের দুঃসময়ে নাজমুন নাহার নাজু রাজপথে থেকে লড়াই করেছেন। নেতাকর্মীদের দাবি, তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ ও শ্রমের মূল্যায়ন করে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেন তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে নাজমুন নাহার নাজু বলেন, "নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এবং উপকূলীয় জনপদের নারীদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি তৃণমূলের কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদে পৌঁছে দিতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "ছাত্রজীবন থেকেই আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘ সময় ধরে দলের আদর্শ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে সক্রিয় আছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মূল্যায়ন করলে জাতীয় সংসদে নারী সমাজের ন্যায্য অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারব।"
সর্বশেষ তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট আবেদন জানিয়ে বলেন, রাজপথের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে যেন তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রাজু








