ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০

পদ্মায় অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, দেখার কেউ নেই

​​​​​​​স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

প্রকাশিত: ২০:৫৯, ৩১ মার্চ ২০২৩

পদ্মায় অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, দেখার  কেউ নেই

পদ্মা নদী দখল করে একাধিক বাঁধ দিয়ে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে প্রভাবশালীদের মাছ চাষ

প্রতিনিয়ত দখলের কারণে পদ্মা নদীর পাড় এখন অনেকটা সংকুচিত হয়ে গেছে। এর মধ্যে নদীতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে একাধিক বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেছে। এতে নদীতে তৈরি হচ্ছে স্থায়ী অস্থায়ী বাঁধ। ফলে নদী হারাচ্ছে নাব্য। নদী দখল করে প্রকাশ্যে মাছচাষ করলেও এগুলো দেখার যেন কেউ নেই।

সরেজমিন দেখা যায়, রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, দরগা পাড়া, মুন্নুজান ঘাট শ্মশান ঘাট এলাকায় কয়েকটি ভাগে অবৈধভাবে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। সেই বাঁধের বিভিন্ন স্থানে সাইনবোর্ড ঝুঁলিয়ে লেখা আছেমাছ ছাড়া হয়েছে, মাছ ধরা নিষেধ ছাড়া প্রভাবশালীরা মাছ চাষের জন্য নদীটির বিভিন্ন স্থানে জাল বাঁশের বেড়াসহ শক্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে বাঁধ দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রভাবশালী স্থানীয় নেতারা দীর্ঘদিন ধরে নদীর মধ্যে বেড়া দিয়ে মাছ চাষ কর আসছেন। এসব বেড়ায় বেঁধে রাখা জালে ধরা পড়ছে মা মাছ, রক্ষা পাচ্ছে না পোনাও। বেড়া দিয়ে রাখায় নদীতে নৌযান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে মো. আপেল নামে সরকার দলীয় স্থানীয় এক নেতা এখন এভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে। শুধু আপেল নয়. তার  মতো স্থানীয় প্রবাবশালীরা মিলেমিশে নদীর দখল করে চলেছে প্রতিনিয়ত। বিষয়ে জানতে চাইলে আপেল বলেন, হযরত শাহ্ মখদুম দরগার শরীফের এই জমিটি ফাঁকা পড়ে থাকার করণে সখের বশে মাছ চাষ শুরু করেছিলাম। কিন্তু পানিতে গ্যাস হয়ে সব মাছ মারা যাওয়ায় এখন কোনো মাছ নেই। রাজশাহী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মৎস্য আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে নদীর মাঝখানে স্থায়ীভাবে কোনো বেড়া বা বাঁধ দেওয়া যাবে না। এতে করে দেশীয় ছোট মাছের বংশ বিস্তার হয় না। বিষয়ে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অনুমতি ছাড়া নদীতে বাঁধ দেওয়ার বিষয়ে আমরা দেখব।

×