ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯

শেরপুরের নকলা পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত

প্রকাশিত: ২২:৪০, ৩১ আগস্ট ২০১৬

শেরপুরের নকলা পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর ॥ কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর নির্বাচনী এলাকায় ২ কলেজ জাতীয়করণের পর এবার নকলা পৌরসভা 'গ' থেকে 'খ' শ্রেণিতে (দ্বিতীয় শ্রেণি) উন্নীত হয়েছে। ৩১ আগস্ট বুধবার দুপুরে পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব এ কে এম আনিছুজ্জামান সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের নোটিশটি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট পৌরসভায় পৌছে। জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে মেয়র পদে বিপুল ভোটে নির্বাচনে জয় লাভ করেন হাফিজুর রহমান লিটন। এরপর তিনি ২০১৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পৌরসভার উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা বাড়াতে সচেষ্ট হয়ে ওঠেন। যার ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ওই পৌরসভায় যেখানে বার্ষিক কর আদায় হতো মাত্র ৮-১০ লাখ টাকা, সেইক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টায় মাত্র ৬ মাসে সেই কর আদায় হয়েছে প্রায় ৩২ লাখ টাকা। বিষয়টি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে ছড়িয়ে পড়ায় পৌরসভার প্রতি নজর দেন এলাকার সংসদ সদস্য, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী। এক পর্যায়ে তারই সহায়তায় পৌরসভাটিকে 'গ' থেকে 'খ' শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রচেষ্টা শুরু হয় এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানেই তা সফলও হয়। আর এর মধ্য দিয়ে নকলা পৌরবাসীর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিরও পথ সুগম হওয়ায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মেয়র লিটনের প্রতি বেজায় খুশি। এদিকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় নকলা পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মোঃ বুরহান উদ্দিন ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুল আলম সোহাগসহ বিভিন্ন মহল স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও শেরপুরের জেলা প্রশাসক ডাঃ এ এম পারভেজ রহিমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে নালিতাবাড়ীর নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয় ও নকলার হাজী জাল মামুদ মহাবিদ্যালয়কে জাতীয়করণের আওতায় নেওয়া হয়েছে।