মানুষ মানুষের জন্য
শোক সংবাদ
পুরাতন সংখ্যা
শনিবার, ১ নভেম্বর ২০১৪, ১৭ কার্তিক ১৪২১
ভূত সাজার উৎসব
রীতা রায়
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ছোটবেলা থেকেই ভূত-জিন-পরীর গল্প শুনে বড় হয়, অনেকে বড় হয়েও ভূত-জিন-পরীতে বিশ্বাস করে। সকলের ধারণা ভূত-জিন থাকে গাব গাছে, পাকুড় গাছে, অথবা তালগাছের মাথায়। ভূত-প্রেত অন্ধকারের জীব, ওরা আলোকে ভয় পায়। তাই ওরা আসে রাতের অন্ধকারে, দেশে তো রাতের বেলাতে প্রায়ই বিদ্যুত থাকে না, তাই বেশিরভাগ সময় শহর বা গ্রাম অন্ধকারেই ডুবে থাকে। ভূতদের তখন পোয়াবারো, নাকি সুরে কথা বলে, কাঁচা মাছ খেতে চায়, সুযোগ পেলেই বাচ্চা-বুড়ো যাকে হাতের কাছে পায়, তাকে বগলে করে তালগাছের মগডালে তুলে বসিয়ে রাখে, . . .
কবিতা
এমন যদি হতো এমন যদি হতো ইচ্ছে হলে আমি হতাম প্রজাপতির মতো নানান রঙের ফুলের পরে বসে যেতাম চুপটি করে খেয়াল মতো নানান ফুলের সুবাস নিতাম কতো। এমন হতো যদি পাখি হয়ে পেরিয়ে যেতাম কত পাহাড় নদী দেশ বিদেশের অবাক ছবি এক পলকের দেখে সবই সাতটি সাগর পাড়ি দিতাম উড়ে নিরবধি। এমন যদি হয় আমায় দেখে এই পৃথিবীর সবাই পেতো ভয় মন্দটাকে ধ্বংস করে ভালোয় দিতাম জগৎ ভরে খুশির জোয়ার বইয়ে দিতাম এই দুনিয়াময়। এমন হবে কি? একটি লাফে হঠাৎ আমি চাঁদে পৌঁছেছি! গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে দেখে শুনে ভালো করে লক্ষ . . .