২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

রাণীনগর শের-এ-বাংলা (ডিগ্রী) মহাবিদ্যালয় সরকারীকরণের দাবী


রাণীনগর শের-এ-বাংলা (ডিগ্রী) মহাবিদ্যালয় সরকারীকরণের দাবী

বিশ্বজিৎ মনি, নওগাঁ॥ নওগাঁর রাণীনগর শের-এ-বাংলা (ডিগ্রী) মহাবিদ্যালয়টি আজও সরকারীকরণ হয়নি। প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে কম্বাইন (কো-এডুকেশন) কলেজ ও একটি স্কুল সরকারী করার ঘোষণার প্রেক্ষিতে ছাত্র/ছাত্রী অবিভাবক ও এলাকাবাসি এ মহাবিদ্যালয়টি সরকারীকরণ করার দাবি জানিয়েছেন।

সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালে নওগাঁ জেলার রাণীনগর থানায় উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রথম ও উত্তরবঙ্গের একমাত্র কলেজ শের-এ-বাংলা একে ফজলুল হক স্মরণে উত্তরবঙ্গের কৃতি সন্তান আব্দুল জলিল (আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী) সেসময় রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনকে সদস্য সচিব/ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করে এলাকার কিছু বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততায় এই মহাবিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করা হয়। গত ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শাখায় কম্পিউটার সায়েন্স ও সেক্রেটারীয়েল সায়েন্স ট্রেড চালু হয় এবং এডিবি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রকল্পের শর্ত থাকায় পরবর্তিতে ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষে শর্ত উত্তীর্ণে ¯œাতক (পাশ), বিএ, বিএসএস কোর্স চালু হয়। নব্বই দশকের প্রথম দিক থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সভাপতিত্বে মহাবিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে অত্র মহাবিদ্যালয়ে ১ হাজার ৫৩ জন ছাত্র/ছাত্রী অধ্যায়নরত। শুধু শিক্ষাতেই নয় স্কাউটে ২০১৪ সালে মহাবিদ্যালয়টি ৪টি বিভাগে নওগাঁ জেলার মধ্যে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতি বছর এই মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ভালো ফলাফল অর্জন করে দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে শিক্ষার্থীরা। এখানকার অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পদে চাকুরি করছেন। শিক্ষানুরাগী ও অধ্যক্ষের বলিষ্ট পরিচালনায় মহাবিদ্যালয়টি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে আসছেন সুনামের সঙ্গে। অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহল মহাবিদ্যালয়টি অতি দ্রুত সরকারীকরন করার জোর দাবি জানিয়েছেন সরকারের কাছে।