১৩ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যেমন হবে উত্তরপত্র


পরীক্ষা শব্দটা শুনলেই মনে নানা চিন্তা এসে যায়। পরীক্ষা মানেই রাতদিন পড়ে সিলেবাস শেষ করা। এত কিছুর পরও অনেক পরীক্ষার্থীর মুখেই হতাশার বাণী শোনা যায়। অনেকের মতে এর কারন উত্তরপত্র যথাযথ না হওয়া। আসুন জেনে নেই উত্তরপত্র যেমন হওয়া উচিত।

কভার পৃষ্ঠার তথ্য পূরণ : পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পূরণ একজন পরীক্ষার্থীর প্রথম কাজ। রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড, কেন্দ্রের নাম, অতিরিক্ত খাতার নম্বর ইত্যাদি অত্যন্ত যত্নসহকারে পূরণ করতে হবে। পূরণকৃত তথ্যগুলো নির্ভুল কিনা তা যাচাই করতে হবে। কোন প্রকার ভুলত্রুটি হলে অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে জানাতে হবে।

মার্জিন : প্রতিটি পৃষ্ঠার উপরে এবং বামদিকে এক ইঞ্চি স্পেস রেখে মার্জিন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেন্সিল করতে হবে।

পৃষ্ঠার নম্বর বসানো : পৃষ্ঠায় নম্বর বসানোর কাজটি উত্তর দেয়ার আগে করতে হবে এবং অতিরিক্ত খাতা নিলে তার নম্বর বসাতে হবে। এতে খাতা পিনআপ করতে এবং পরীক্ষকের খাতা দেখতে সুবিধা হয়।

রঙিন কালির ব্যবহার : রঙিন কালির ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। লাল কালির ব্যবহার করা যাবে না। হাল্কা কালির (যথা : নীল) ব্যবহার করা যেতে পারে।

ওভাররাইটিং : পরীক্ষার খাতায় অবশ্যই ওভাররাইটিং থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন বাক্য বা শব্দ ভুল হলে তা একটানে কেটে সঠিক বাক্যটি লিখতে হবে।

লাইনের মাঝে ফাঁক : লাইনের মাঝে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফাঁক রাখতে হবে। তবে তা যেন অতিরিক্ত বা অপেক্ষাকৃত কম না হয়। এতে পরীক্ষক বিরক্ত হতে পারেন।

পয়েন্টের ক্রমিক নং ও আ-ারলাইন: পয়েন্টভিত্তিক উত্তরগুলোতে পয়েন্টের ক্রমিক নং বসাবে এবং পয়েন্টগুলোর নিচে আন্ডারলাইন করতে ভুলবে না।

প্রশ্নের ক্রমিক নম্বর : সঠিকভাবে প্রশ্নের উত্তরগুলো প্রাসঙ্গিক, স্পষ্ট, সহজবোধ্য করার চেষ্টা করবে। অপ্রাসঙ্গিক/অতিরিক্ত/অবান্তর মন্তব্য বর্জন করবে।

হাতের লেখা : শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হাতের লেখার ধরন একই রকম রাখবে। লেখার স্পষ্টতা পরীক্ষকের একান্ত কাম্য। কাগজের অপচয় না করে প্রথম পৃষ্ঠার সুনির্দিষ্ট স্থান থেকে লেখা আরম্ভ করবে।

খাতায় খালি পৃষ্ঠা : কোন কোন পরীক্ষার্থী ভুলে এক পৃষ্ঠা বাদ দিয়ে অন্য পৃষ্ঠায় চলে যায়। এ ক্ষেত্রে করণীয় হলো, খালি পৃষ্ঠায় ক্রস চিহ দেয়া অথবা পরিদর্শকের স্বাক্ষর নেয়া।

প্রশ্নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা: পরীক্ষার খাতার প্রশ্নোত্তর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। যেমন : ১-এর পর ২।

উপরোক্ত নিয়মগুলো ছাড়াও প্রশ্ন বুঝে উত্তর প্রদান করতে হবে। যেমন : প্রশ্নে যদি কে কি কেন? তাহলে প্রথমে কে’র উত্তর, দ্বিতীয় প্যারায় কি’র উত্তর এবং তৃতীয় প্যারায় কেন-এর উত্তর। উত্তর সংশ্লিষ্ট চিত্রটি বক্সে ঘেরাও করতে হবে। খাতায় বৈচিত্র্য এবং উত্তরে নতুনত্ব থাকতে হবে। তা হলেই পরীক্ষার উত্তরপত্রটি হবে আকর্ষণীয়, যা বেশি নম্বর প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সহায়ক।

আতিকুর রহমান