আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকেও ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে গম আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫২ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
সরকারি সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ধারাবাহিকভাবে গম আমদানি করা হচ্ছে। এর আগে চারটি চালানে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গম দেশে এসেছে। এর মধ্যে প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন, দ্বিতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮০২ টন, তৃতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮৭৫ টন এবং চতুর্থ চালানে ৬০ হাজার ৯৫০ টন গম আমদানি করা হয়। চলতি বছরেও একই ব্যবস্থায় আরও কয়েক দফায় গম আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমেও নিয়মিত গম সংগ্রহ করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, আর্জেন্টিনা ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাজারদর, গমের মান এবং সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় আমদানি করা হয়।
তবে এবারের যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম ক্রয়ের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বেশি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।








