দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের আইনি বাধা দূর হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের একটি রায় বাতিল করে এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রায়ের পর তিনি বলেন, ২০১৩ সালে সরকার ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে। তখনকার আইন অনুযায়ী, জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। আইনে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা বহাল রাখা এবং জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের পূর্বের চাকরির মেয়াদের ৫০ শতাংশ শুধু পেনশন ও গ্র্যাচুইটির জন্য গণনার বিধান ছিল।
পরে জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা পূর্বের পদমর্যাদা ও পূর্ণ জ্যেষ্ঠতার দাবিতে হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট ওই বিধান বাতিল করে রায় দেন। সরকারের করা আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সেই রায় বাতিল করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, দীর্ঘদিন নিয়োগ বন্ধ থাকায় এবং অনেক প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ায় শূন্য পদের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩২ হাজারে পৌঁছেছে। আপিল বিভাগের এ রায়ের ফলে এসব পদে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ সুগম হলো।
প্রয়োজনে এটি ১৫০ বা ২০০ শব্দে আরও সংক্ষিপ্ত করেও দিতে পারি।








