ছবি: সংগৃহীত
্ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ভারতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করলেও রান্নার গ্যাস (এলপিজি), পাইপবাহিত গ্যাস (পিএনজি) ও পরিবহনের গ্যাসের (সিএনজি) জোগানে টান পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোদি সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্যাস বণ্টনের একটি নতুন তালিকা তৈরি করেছে। এই সংকটের ফলে মুম্বাই, দিল্লি ও কলকাতার মতো বড় শহরগুলোর খাদ্য বিপণন খাতে নাভিশ্বাস উঠেছে।
বাণিজ্যিক গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় মুম্বাইয়ের বিখ্যাত হোটেল সংগঠন ‘আহার’ জানিয়েছে, আগামী দু-তিন দিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ৫০ শতাংশ হোটেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় অদ্ভুত এক পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলেছে, জ্বালানি বাঁচাতে হোটেলগুলো যেন মেনু থেকে জটিল রান্না বাদ দিয়ে সহজ ও কম খরুচে পদের দিকে নজর দেয়। অর্থাৎ গ্রাহকদের পছন্দের তালিকা সীমিত করার মাধ্যমে যুদ্ধ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে বলা হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকার চলাচল বন্ধ হওয়ায় ভারত তার মোট চাহিদার অর্ধেক আমদানিতে বাধার মুখে পড়েছে। সংকট কাটাতে ১৯৫৫ সালের ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’ কার্যকর করা হয়েছে। কালোবাজারি রুখতে গৃহস্থালির সিলিন্ডার বুকিংয়ের সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে বিকল্প সরবরাহের আলোচনা শুরু করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো। এমনকি এলপিজি উৎপাদন বাড়াতে শোধনাগারগুলোকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের উৎপাদন সাময়িক কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এফএ








