মঙ্গলবার ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৪ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

থেকে যাবে কেবল স্মৃতি ॥ ডা. ফেরদৌস খন্দকার

থেকে যাবে কেবল স্মৃতি ॥ ডা. ফেরদৌস খন্দকার

অনলাইন ডেস্ক ॥ ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার পর মুক্ত হলেন প্রবাসী চিকিৎসক ডা. ফেরদৌস খন্দকার। আজ রবিবার তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে পরবর্তী কাজের বিষয়ে জানান।

কোয়ারেন্টিন মুক্ত হয়ে লেখা স্ট্যাটাসটি হুবহু দেওয়া হলো:

কেটে গেলো ১৪টি দিন। সময় তো কাটবেই। থেকে যাবে কেবল স্মৃতি। এই মুহূর্তে কোনও অভিযোগ নয়, কেবল ধন্যবাদই দিতে চাই সবাইকে। যারা গত ১৪টি দিন আমার সঙ্গে ছিলেন। বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়েছেন, মানসিকভাবে শক্ত থাকতে প্রেরণা জুগিয়েছেন। তবে একথা আমাকে বলতেই হবে যে, শুরুটা বেশ কঠিনই ছিল আমার জন্যে। আমার বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ ও ‘মিথ্যা অভিযোগে’র বিরাট ঝড় উঠেছিল। সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ঝড়ও হয়তো থেমে গেছে।

যা বলছিলাম, দেশে আসার পর আমাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি আমি প্রথম পাঁচদিন মানতেই পারছিলাম না। কেননা আমার অ্যান্টিবডির সনদ ছিল। তখন মানসিকভাবে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলাম। পরিবার, সহকর্মী, বন্ধু, সুধীজন, সহযোদ্ধা, সাংবাদিক এবং দেশের মানুষের সহায়তা ও সমর্থন আমাকে সাহস জুগিয়েছে।

দেশে এসেছিলাম কয়েক সপ্তাহ দেশবাসীর জন্যে কাজ করবো বলে। সঙ্গে ছোট্ট একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলে যাবো, এমন আশা ছিল। সেই লক্ষ্যেই দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্যে এসেছিলাম। যদিও সময় কিছুটা ক্ষেপণ হয়ে গেছে। এরপরও আমি মনে করি, কোনও আক্ষেপ নেই আমার। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কিছুটা কাজ শুরু করতে চাই। তবে সঙ্গে নিয়ে যাবো গত দুটি সপ্তাহে ঘটে যাওয়া অনেক কিছু ও অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে যেসব সৈনিক ভাইয়েরা আমার সঙ্গে ছিলেন, তারা অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। অনেক সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের মমতা কোনোদিন ভুলবার নয়। সেই সঙ্গে কুয়েত প্রবাসী কিছু ভাই শেষের দিকে কোয়ারেন্টিনে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের ভালোবাসায় ভরা স্মৃতিগুলোও বাকি জীবন আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও যদি দেখা হয়, নিশ্চয়ই ভালো লাগবে। বুকে জড়িয়ে ধরবো আপনাদের। দেখা না হলেও, আপনাদেরকে আমার সবসময় মনে থাকবে।

দেখুন আমি অতি সাধারণ একজন চিকিৎসক। তবে দেশকে, দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসি। এসেছিলাম, দুর্যোগের এই সময়টায় কেবলই দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। কোনও রাজনৈতিক অভিলাষ বা ইচ্ছা আমার ছিল না, নেইও। ফলোয়াররা তেমনটি ভেবেছিলেন, আশা করছি আপনাদের ভুলটা ভেঙেছে। বাংলাদেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সম্মুখ সারির যোদ্ধারা করোনার এই সময়টায় রীতিমতো জীবন বাজি রেখে লড়াই করছেন। তাদের আত্মত্যাগ, এই জাতি সবসময়ই মনে রাখবে। সামনের দিনগুলোতেও তারা এমনিভাবে লড়ে যাবেন বলে আমার বিশ্বাস।

আমি এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য বিষয়ক ছোট্ট একটি সেটআপ করে দ্রুতই নিউ ইয়র্কে ফিরে যাবো। কারও বিরুদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই। মায়ের বিরুদ্ধে সন্তানের কোনও অভিযোগ থাকে না। আমারও নেই। আবারো দেখা হবে। ভালোবাসা বাংলাদেশ। সবাই ভালো থাকুন। নিরাপদে থাকুন। আপনাদের মঙ্গল হোক।

প্রসঙ্গত, নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকার সেবাদানের উদ্দেশ্যে ৭ জুন বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে কোয়ারেন্টিনে নিয়ে যান। ডা. ফেরদৌসকে কোন আইনের ক্ষমতাবলে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে তা জানতে চেয়ে একটি আইনি নোটিশও পাঠানো হয়।

শীর্ষ সংবাদ:
১৯ দিন ধরে বন্যায় ভাসছে উত্তরের বিভিন্ন জেলা         যশোর-৬ ও বগুড়া-১ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী         সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে চায় বিএনপি         বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে হকারদের ছবিসহ তালিকা হচ্ছে         ঈদের দিনসহ ৫ দিন ৬ স্থানে বসবে পশুর হাট         চট্টগ্রামে করোনায় ডাক্তার ও ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু         নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুত উৎপাদনে চীনা বিনিয়োগ আসছে         করোনা ও উপসর্গ নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১১ জনের মৃত্যু         একনেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন         কেশবপুর উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের শাহীন চাকলাদার নির্বাচিত         ঈদের জামাত নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা         অধিদপ্তরের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো সমস্যা নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ         শাহজাহান সিরাজ আর নেই         যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের দাফন সম্পন্ন         ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার আবুল বাসার তিন দিনের রিমান্ডে         এবার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুত উৎপাদনে চীনের বড় বিনিয়োগ আসছে         করোনা ভাইরাসে সুস্থের সংখ্যা লাখ ছাড়াল, মৃত্যু আরও ৩৩ জনের         করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় অনিয়ম সহ্য করা হবে না         ভার্চুয়ালেই চলবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ        
//--BID Records