ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

কর্মশালায় অভিমত

বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেলে সংযুক্ত

প্রকাশিত: ০৮:২০, ৩১ জানুয়ারি ২০১৬

বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেলে সংযুক্ত

বাংলানিউজ ॥ বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল দিয়ে সংযোগ করা। ইংল্যান্ডের নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুই বছর আন্দোলন করে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মেট্রোরেলের স্টেশন নিয়েছিল। মেট্রোরেলের বিরোধিতা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষার্থীর আন্দোলনের প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে মোনাস ইউনিভার্সিটির প্রজেক্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত প্রকৌশলী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ খন্দকার এ সালেক সুফী এ মতামত দেন। শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় বাংলানিউজের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ‘চ্যালেঞ্জেস অব মেগা ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইমপ্লিমেন্টেশন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এ মতামত দেন। তিনি বলেন, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে (মোনাস) মেট্রোরেলের দু’টি স্টেশন রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী শহরের বাইরে থেকে অনেক কষ্ট করে আসেন। এটি তাদের জন্য খুব সহায়ক হবে। ’৭০-এর দশকে দেশের প্রধান রেলপথই ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে। কাঁটাবন বস্তি দিয়ে, বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে ফুলবাড়িয়া স্টেশনে গিয়ে থামত ট্রেন। তখন কয়লা দিয়ে ট্রেন চলত। অনেক শব্দ হতো। এখনকার নামকরা সব নেতা ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাদের পড়ালেখায় তো কোন ক্ষতি হয়নি। ঢাকার অসহনীয় যানজট নিরসনে মেট্রোরেল অন্যতম বড় উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মেট্রোরেল হবে আধুনিক প্রযুক্তি ও এলিভেটেড, তাহলে কেন অহেতুক বিরোধিতা। আন্দোলনকারীদের দাবি, এখানে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসির পরিবেশ নষ্ট হবে। কিন্তু মেট্রোরেল হবে উড়াল পথে। আর ওখানে বাফার জোন করা হবে। শব্দ সহনশীলতার মধ্যে থাকবে। সাধারণত ৮৫ ডেসিবেল শব্দ মানুষের কোন ক্ষতি করে না। সেই পরিমাণ শব্দ রাখা হবে। আর কোন শব্দ হবে না। তিনি আরও বলেন, মেট্রোরেল প্রকল্প অনুযায়ী মেট্রোরেলে টিএসসি মোড় অতিক্রমের সময় সাউন্ড ব্যারিয়ার ওয়ালের মধ্য দিয়ে যাবে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ ১৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘপথের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে (ছয় কিলোমিটার) শব্দ ও কম্পনবিরোধী ম্যাস স্প্রিং সিস্টেম (এমএসএস) থাকবে।