ছবি: জনকণ্ঠ
পৃথক ঘটনায় টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর থেকে লিমা আক্তার (১৯) ও বড় দেওড়া থেকে আলমগীর হোসেন (৪৭) নামে গালায় ফাঁস দেওয়া দুই নারী পুরুষের লাশ উদ্ধার করেেছে টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ টঙ্গীতে এ দুটি ঘটনা ঘটে।
লিমার দেশের বাড়ি নেত্রকোনা সদর থানার দেওপুর গ্রাম, পিতার নাম রিংকু মিয়া। আলমগীরের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাইমচর থানার আলগী বাজার গ্রামে, পিতার নাম আবু তাহের।
পুলিশ জানায়, টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুরে ভাড়া বাসায় পরিবারের সাথে বসবাস করতো লিমা আক্তার। লিমার পিতা কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে মেয়ের রুম ভেতর থেকে বন্ধ পায়। ডাকাডাকি করলে ভেতরে থাকা লিমার দুই বছর বয়সী ভাই দরজা খুলে দিলে সিলিং ফ্যানে ওড়না প্যাচানো অবস্থায় ভিকটিমদের মরদহ ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান জনকন্ঠকে আত্মহত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন বড় দেওড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে আলমগীরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের ছেলে মিলন (১৫) এর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাইরে থেকে বাসায় এসে ছেলে রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পায়। জানালার ফাঁক দিয়ে নিজের বাবাকে গামছা দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখে চিৎকার করে।এলাকাবাসী ও পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি আরিফুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, ফাঁসিতে ঝুলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি হত্যা না আত্মহত্যা তদন্তের পর জানা যাবে।
শহীদ








