গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খান জানিয়েছেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দিকনির্দেশনায় কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, “বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করার প্রস্তাব ছিল জামায়াতের, এবং তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হয়েছেন নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ। এমনকি তাদের চাপের কারণে রাষ্ট্রপতি কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশও জারি করেছেন।”
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে রাশেদ খান তার ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানান। তিনি লিখেছেন, “২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তার বৈধতা নিশ্চিত করেছেন নাহিদ ইসলামরা। এই ভুলের খেসারত বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে, তবে সেটি পরিমিতভাবে হওয়া উচিত।”
রাশেদ খান আরও মন্তব্য করেছেন, “গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বয়কট করার মাধ্যমে জামায়াত ও এনসিপি সংসদ ও রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার পথ বেছে নিয়েছে। তারা যদিও নির্বাচনের সময় নরম অবস্থানে ছিল, কিন্তু এখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে এই হটকারিতার কারণে বাংলাদেশে আবারও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসবে।”
Mily








