ছবিঃ সংগৃহীত
পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। তবে দিনে ৭–৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমানোকে বিশেষজ্ঞরা অস্বাভাবিক বলে মনে করেন। নিয়মিত অতিরিক্ত ঘুমানো শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সমস্যারও ইঙ্গিত হতে পারে।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘুম অনেক সময় ডিপ্রেশন, উদ্বেগ বা মানসিক ক্লান্তির লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। মনের অস্থিরতা ও নেতিবাচক চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে শরীর অবচেতনে দীর্ঘ সময় ঘুমের আশ্রয় নিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে অতিরিক্ত ঘুমের পেছনে কিছু সাধারণ কারণ হলো—
ডিপ্রেশন বা মানসিক চাপ – অতিরিক্ত ঘুম অনেক সময় গভীর মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত।
উদ্বেগ ও মানসিক ক্লান্তি – মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে মানুষ বেশি ঘুমাতে পারে।
ঘুমের ব্যাধি (স্লিপ অ্যাপনিয়া) – রাতে ঘুম ভেঙে বারবার জেগে ওঠার কারণে দিনে দীর্ঘ সময় ঘুম আসে।
ওষুধের প্রভাব – কিছু ওষুধ মানসিক ক্লান্তি তৈরি করে, ফলে ঘুমের সময় বেড়ে যায়।
শারীরিক রোগ – হরমোনের সমস্যা, থাইরয়েড, বা স্নায়বিক রোগও অতিরিক্ত ঘুমের কারণ হতে পারে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি নিয়মিত অকারণে অতিরিক্ত ঘুম আসে, কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন, কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভূত হয়, তবে মানসিক স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করানো উচিত।
👉 মনে রাখবেন, ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের আয়না। তাই ঘুমের অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে হালকাভাবে নিলে চলবে না। প্রয়োজনে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
আলীম








