ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯

অস্বাভাবিক কিছু না ঘটলে পুতিনই থাকছেন ক্ষমতায়

রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ০৪:২০, ১৯ মার্চ ২০১৮

রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত

বিশ্বের সর্ববৃহৎ দেশ রাশিয়ায় রবিবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়। দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় পূর্ব-উপকূলে স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়, বিশাল দেশ হওয়ায় নয় ঘণ্টা পর মস্কোর ভোটকেন্দ্রগুলো খোলে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ না থাকায় বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনই যে আরেক দফা প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন তা এক রকম নিশ্চিত। এএফপি ও বিবিসি। পূর্বাঞ্চলে ভোট গ্রহণ শুরুর ২২ ঘণ্টা পর সর্ব পশ্চিমের অঞ্চল কালিনিনগ্রাদে ভোটের সময় শেষ হওয়ার মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষ হয়। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ না থাকায় এ নির্বাচনেও বর্তমান প্রেসিডেন্ট পুতিন বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০০০ সাল থেকেই তিনি প্রেসিডেন্ট অথবা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার কেন্দ্রে আছেন। ছয় বছর মেয়াদে পরবর্তীতে পুতিনকে আরও ৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে। এরা হলেন- পাভেল গ্রুদিনিইন, গ্রেগরি ইয়াভিলিনস্কি, কেসেনিইয়া সাবচাক, বরিস তিতোভ, সেরগেই বাবুরিন, ভøাদিমির ঝিরিনোভস্কি ও ম্যাক্সিম সুরাইকিন। এদের মধ্যে অন্যতম কোটিপতি কমিউনিস্ট গ্রুদিনিন, সাবেক টিভি উপস্থাপক সোবচাক ও জাতীয়তাবাদী জিরনোভস্কি। জালিয়াতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় জনপ্রিয় বিরোধী নেতা এ্যালেক্সেই নাভালনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। যদিও এ পুরো প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে অভিহিত করেছেন পুতিনের কট্টর সমালোচক নাভালনি। নির্বাচনপূর্ব সবগুলো জরিপে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট পুতিন প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হবেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। সমর্থনের এই হার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে প্রায় ১০ গুণ বেশি। আরেক মেয়াদ পূর্ণ হলে ৬৫ বছর বয়সী পুতিন সোভিয়েত একনায়ক যোশেফ স্ট্যালিনের পর সবচেয়ে বেশিদিন ক্রেমলিনের ক্ষমতায় থাকা দ্বিতীয় নেতা হবেন। নির্বাচনের আগে রাশিয়ান পাবলিক ওপিনিয়ন রিসার্চ সেন্টারের সর্বশেষ এক জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৭০ শতাংশ রুশ ভোটার বর্তমান পুতিনকে আবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে চান। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানায়, ১ জানুয়ারি ২০১৮ সালের হিসেব অনুযায়ী রাশিয়ায় ১০ কোটি ১৮ লাখ ৮৬৯ জন ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত ও দুর্গম এলাকায় বসবাসরত রুশ নাগরিকদের অনেকেই এরই মধ্যে ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় স্থানীয় প্রশাসন, রুশ দূতাবাস ও কনস্যুলার অফিসের সমন্বয়ে অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রে ভোট নেয়া হয়।