সোমবার ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

মুখোমুখি মধুসূদন

মুখোমুখি মধুসূদন
  • অপূর্ব কুমার কুণ্ডু

[আলীপুর দাতব্য হাসপাতালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের অন্তিম মুহূর্তে, মনোলোকের ভাবনা ভেবে লিখিত।]

মাইকেল : বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে

করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,

দীন যে দীনের বন্ধু

বিদ্যাসাগর: এই আমি দীন হীন বিদ্যাসাগরের দীন বল আপত্তি নেই কিন্তু তোমাকে দীন ভাবতে আমার ঘোরতর আপত্তি। আপত্তি সত্যিকার অর্থে তোমার বন্ধু হতে পেরেছি কিনা প্রশ্নে।

মাইকেল: কে, কে ওখানে, ক্শে^র চন্দ্র বিদ্যাসাগর না। আড়ালে দাঁড়িয়ে কথা শুনছিলে বুঝি। একে আড়ালে আবার কথায় কথায় অভিমান।

বিদ্যাসাগর: অভিমান তোমার উপর করা সাজে না মাইকেল। একমাত্র তোমার লেখার সময়টাতেই তুমি পরিণত। বাদ বাকি জীবনটাতেই তোমার ছেলেমানুষী। শিশুর উপর ভর্ৎসনা চলে অভিমান চলে না। আর আড়ালে দাঁড়িয়ে শোনার কথা বলছ। নিতান্ত অর্থ কষ্টে না পড়লে কোনদিনই কি তুমি আমাকে প্রকাশ্যে ডেকেছ। তাও তো শেষ ডাকে সাড়া দিতে পারলাম না মাইকেল। লিখতে বাধ্য হলাম, গু ফবধৎ উঁঃঃ, ও যধাব ঃৎরবফ সু নবংঃ ধহফ সু ংধফষু পড়হারহপবফ ঃযধঃ ুড়ঁৎ পধংব রং ধহ ঁঃঃবৎষু যড়ঢ়বষবংং ড়হব- ঘড় বীবৎঃরড়হ ড়ভ সরহব, ড়ৎ ঃযধঃ ড়ভ ধহুনড়ফু বষংব যিড় রং হড়ঃ ধ সড়হবুবফ সধহ. ও ধস াবৎু ঁহবিষষ ধহফ ধস ঃযবৎবভড়ৎব ঁহধনষব ঃড় ৎিরঃব. সুনিশ্চিত বিপর্যয়ের কথা জেনেও যে আমি তোমার ডাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারলাম না সেই আমি দীনের বন্ধু হই কেমন ভাবে মাইকেল। তোমার এ বিশেষণ অন্যায্য মাইকেল মধুসূদন।

মাইকেল: কোনটা ন্যায্য আর কোনটা অন্যায্য এই বিভাজনের লক্ষণ রেখেই খুঁজে বেড়ালে আজীবন গু ঋৎরবহফ ঠরফ. স্কুলের সিলেবাস ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা বিকাশের অন্তরায়, লেগে পড়লে শিক্ষা প্রসারে-শিক্ষা সংস্কারে। জন্মালে ব্রাহ্মণ বংশে কিন্তু কৌলিন্যসর্বস্ব ব্রাহ্মণদের বিনা মূলধনে অধিক বিয়ের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তকে চিরতরে নির্মূল করে তাদেরকে পথে বসালে। উচ্চস্বরে গলা ফাটালে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে আবার আলমারি থেকে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পরিয়ে দিলে বিধবার বিবাহে। বঙ্কিমের বিচারে সাহিত্যিক মর্যাদা পেলে না আবার বর্ণপরিচয় থেকে শুরু করে শকুন্তলা-সীতার বনবাস হয়ে সেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররসকে ভ্রান্তি বিলাস করে পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই বই লিখে ফেললে। মেঘনাদবধ কাব্যে আমার লেখা অমিত্রাক্ষর ছন্দে তোমার গা জ¦লে আবার আমার সাহিত্য প্রতিভায় মুগ্ধতায় তুমি ঋণ করে আমার টাকা পাঠাও। কোনটা ন্যায্য আর কোনটা অন্যায্য তাকি তুমি বোঝ গু ফবধৎ ঝরৎ. মা কি বোঝে সন্তানের মাঝে দুষ্টামি আর দুরন্তপনার ব্যবধান। একবার দিতে না পারলে বন্ধু বন্ধুহীন হয়ে যায় না। ফ্রান্সের ঐ দুর্দিনে ঋণের দায়ে স্ত্রী-পুত্র-কন্যাকে নিয়ে যখন উপবাসে-অনাহারে রাস্তায় ছিটকে পড়তে গেছি, যখন পুলিশের হাতকড়া দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে কুকড়ে মরছি তখনও উন্মাদের মতো হেনরিয়েটাকে বলে চলেছি, হেনরিয়েটা তুমি ভয় পেয়ো না। দারিদ্রতার কথা জানিয়ে আশু নিবৃত্তির জন্যে যাকে চিঠি লিখেছি তাকে অবিশ^াস করা চলে না। তার ব্যক্তিত্বে দেখেছি প্রাচীন ঋষির জ্ঞান আর প্রতিভা। কর্মশক্তিতে ইংরেজ আর হৃদয়ে বাঙালী মায়ের কোমলতা। আমার আঁধার রাতের মধুসূদন দাদা, আমার বন্ধু-সুহৃদ ঈশ^র চন্দ্র বিদ্যাসাগর বেঁচে থাকতে আমাদের কেউ কিছু করতে পারবে না। পারলো! পারলো নাতো। ঠিকইতো পাঠিয়ে দিলে প্রথম রাউন্ডে আমাদেরকে না জানিয়েই পনেরশত টাকা।

বিদ্যাসাগর: টাকার যে এত অর্থ তাতো আগে জানা ছিল না। টাকার জন্যে মানুষ যে কিভাবে বদলে যায় তাও তো ছিল এতদিনে অজানা। তুমি সামান্য দুটো টাকা পেলে সাহিত্যাকাশে নক্ষত্র বপন কর আর অন্যেরা টাকা পেলে ধূমকেতুর মতো বিলীন হয়ে যায়।

মাইকেল: তুমি কার কথা বলছ ঠরফ. সবটা মনে আসছে না।

বিদ্যাসাগর: মনেতো সবাই জায়গা পায় না তাই মনে আসেও না, ভাসেও না। লন্ডনে যাবার বেলায় তুমি তোমার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জমা রেখে গেলে মহাদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। শর্ত, তোমাকে নগদ কিছু অগ্রিম, স্ত্রী-পুত্র-কন্যার জন্যে এখানে মাসিক দেড়শত আর তোমার পড়াশোনা বাবদ মাসে মাসে নিয়মিত বরাদ্দ। আর পুরো বিষয় দেখাশোনা করার জন্যে দায়িত্ব দিলে তোমার আ শৈশবের বন্ধু এবং গুণগ্রাহী দিগম্বর মিত্রকে। দিগম্বর মিত্ররা মিলে মিশে আমাদেরই দিগম্বর করে ছাড়ল। তোমার প্রবাস জীবনে তারা যে অর্থ পাঠানো বন্ধ করে ক্ষান্ত হল তাই নয়, স্ত্রী-পুত্র-কন্যার বরাদ্দ টাকাও বন্ধ করলো সাথে অসদ্ব্যবহার। নিরুপায়ের শেষ সীমায় পৌঁছে তারা কোনরকমে জাহাজে চড়ে লন্ডনে তোমার কাছে পৌঁছাল। অথচ এই তুমি মাইকেল, তুমি তোমার অমর মহাকাব্য, যে মহাকাব্য সাহিত্যাকাশে তোমাকে ধ্রুব নক্ষত্রের মতো চিনিয়ে দিল এবং দেবে আজীবন, সেই মেঘনাবধ কাব্যের দ্বিতীয় খ- তুমি উৎসর্গ করেছিলে এই দিগম্বর মিত্রকেই। লিখেছিলে, ‘আপনি শৈশবকালাবধি আমার প্রতি যেরূপ অকৃত্রিম ¯েœহভাব প্রকাশ করিয়া আসিতেছেন; এবং স্বদেশীয় সাহিত্য-শাস্ত্রের অনুশীলন বিষয়ে আমাকে যেরূপ উৎসাহ প্রদান করিয়া থাকেন: বোধ হয়, এ অভিনব কাব্য-কুসুম তাহার যথোপযুক্ত উপহার নহে। তবুও আমি আপনার উদারতা ও অমায়িকতার প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া সাহসপূর্বক ইহাকে আপনার শ্রী চরনে সমর্পণ করিতেছি’। এত বড় অর্পণ যে করলো তার প্রতি কত নিদারুণ প্রত্যাখ্যান।

মাইকেল: প্রত্যাখ্যান আমার রক্তে আমার কর্মে ঈশ^র চন্দ্র বিদ্যাসাগর। ফলে এ প্রত্যাখ্যান তো আমার স্বাভাবিক প্রাপ্য। জন্মেছিলাম জমিদার বংশে, অর্থ-বৃত্তকে হিসেবে গুনিনি তাইতো প্রত্যাখ্যাত হয়ে আজ আমি পথের ভিখারি হয়ে দাতব্য চিকিৎসালয়ে মৃতযাত্রী। হিন্দু ধর্ম ত্যাগ কর খ্রিস্টান হলাম, বাবা-মায়ের প্রত্যাখ্যাত হয়ে আজ আমি ত্যাজ্য। মায়ের পছন্দের পাত্রীকে বিয়ে করিনি, প্রত্যাখ্যাত আমি আজ হেনরিয়েটাকেও ধরে রাখতে পারিনি ঈশ^র চন্দ্র বিদ্যাসাগর। জ¦ালা, ঈশ^র চন্দ্র বিদ্যাসাগর জ¦ালা। হুইস্কি বল আর ভদকা বল গিলছিতো কম না তবু হৃদয় জ¦ালাতো কমে না গু ফবধৎ ঝরৎ, সু ফবধৎ ভৎরবহফ, সু ফবধৎ ঠরফ. হেনরিয়েটার জীবনে কোন কাজেই আসলাম না বিদ্যাসাগর। লন্ডনে গেলাম ব্যারিস্টার হতে, ফেলে রেখে গেলাম কলকাতায়। ফ্রান্স-লন্ডন হয়ে দেশে ফিরলাম কিন্তু ওকে ফেলে এলাম ফ্রান্সে। শেষ বেলায় ও ওর স্বদেশ ফেলে চিরতরের মতো চলে এল আমার কাছে। তবুও ও আমাকে হারতে দিল না। আমার আগেই ও চলে গেল চিরতরে। বিদ্যাসাগর আমার কোন শক্তিই নেই, ক্ষমতাই নেই, নইলেতো পারতাম হেনরিয়েটাকে ধরে রাখতে। ভগবান বলি আর যীশুই বলি তাদের পেলে বলতাম, সহ জীবন যদি না দিলে তবু সহমরণতো দিতে পারতে যীশু কিংবা ভগবান।

বিদ্যাসাগর: ভগবান যে দেননি কিংবা যীশু যে শোকার্ত হননি তাতো বলা যাবে না মাইকেল।

মাইকেল: বলা যাবে বলছো বিদ্যাসাগর, বলা যাবে? তুমি বলছো তুমি! যে তুমি চিঠি-পত্রের শিরোনামে শ্রী হরি আর কিশোর পাঠ্য ‘ বোধোদয়’ পুস্তকের শেষে ঈশ^রের নাম ছাড়া বিস্তৃত সাহিত্য জীবনে কোথাও ঈশ^রের নাম উচ্চারণ করলে না সেই তুমি বলছো ঈশ^র আমায় বিমুখ করেন নি।

বিদ্যাসাগর: করেনি তো। হিন্দু মাইথোলজিতে সরস্বতী জ্ঞান দাত্রী। তাকে তুমি ডেকেছিলে মেঘনাদবধ কাব্যে প্রথম স্বর্গে। সন্তানের ডাকে দেখা দিলেন। মেঘনাদকে কেন্দ্রীয় চরিত্র করে লিখলে মেঘনাদবধ। অসম যুদ্ধে, কৌশলের কাছে পরাজিত রাবন পুত্র মেঘনাদ। পুষ্পফুল শোভিত চিতায় শায়িত মেঘনাদ। ধীরে ধীরে স্বেচ্ছায়, স্বতস্ফূর্তভাবে মৃত মেঘনাদের পাশে জীবন্ত শয্যা পাতলেন রূপে, গুণে, যৌবনে অসামান্য তেজস্বীনা যার মুখ থেকে উচ্চারিত হয় ‘আমি কি ডরাই কভু ভিখারীর রাগবে’ সেই মহীয়সী লঙ্কাপতি রাবনপুত্র বধু, মেঘনাদের আত্মার আত্মা প্রেয়সী প্রমিলা। এই মেঘনাদ-প্রমিলা আর কেউ না, এরা হলে তুমি আর হেনরিয়েটা। মধু, জীবনের থেকে শিল্প বড় বলেই তুমি আজীবনের জন্যে বাঁধা পড়লে তোমারই সৃজিত সাহিত্যের পুষ্প কাননে। কিন্তু আমার আফসোস জান মধু অন্য জায়গায়। দুটি মানুষ এক হলে সংসার, অনেক মানুষ এক হলে সমাজ। এই অনেক মানুষ যেন দুটি মানুষের জীবনকে বিপন্ন না করে, ক্ষত-বিক্ষত না করে, স্বাভাবিক বিকাশে বাঁধা না দেয় সে জন্য কাজ করতে করতে কিভাবে যে বেলা পার হয়ে গেল তা বুঝাই গেল না। সমাজ সংস্কারে বেলা গেল, সাহিত্যের সলতে সেভাবে পাকানো হল না। তাই না হলো সাহিত্যের সাথে যাপিত জীবনের সহজীবন কিংবা সহমরণ।

মাইকেল: সহমরণ নাইবা হলো সহ জীবনতো হল।

বিদ্যাসাগর: সহ জীবন হলো।

মাইকেল: হ্যাঁ হলো। শোন গু ঋৎরবহফ ঠরফ. গলা থেকে রক্ত সব বেরিয়ে গেছে এই তিনদিনে। যাবার বেলা আমার আসন্ন। আমার সুস্থতা কামনায় অসুস্থ যে তুমি নীরব প্রার্থনা করে চলেছো সবার অলক্ষ্যে সেও আমার জানা। কিন্তু কিছুতেই কিছু হবার নয়। নিয়তির ডাক অলঙ্ঘনীয়। যেতে আমাকে হবেই। কিন্তু আমি পুনঃ পুনঃ ফিরে আসবো ভাবি কালের সাহিত্যে জীবনী হয়ে, সাহিত্যের উপকরণ হয়ে। আমার জীবনের বিশৃঙ্খলার মাঝে শৃঙ্খলা কিংবা সাহিত্যের শৃঙ্খলতার মাঝে বিশৃঙ্খলা নিয়ে যে জীবন কাহিনী সৃজন হবে সেখানে আমার সাথে পাশাপাশি সমান্তরালভাবে আসবে বিদ্যাসাগর তুমি। ভার্সাই এর টানাপোড়েনে থাকবে তোমার আর্থিক সহৃদয়তা, হাইকোর্টের চাকরি জীবনে তোমার সুপারিশের কথা, আমার ঋণ পরিশোধের জন্যে তোমার সংস্কৃত প্রেস বিক্রি করে দেবার কথা, আমার আঁধার জীবনে তোমার মধুসূদনরূপী করুণার মাহাত্ম্য গাঁথা। ঈশ^র চন্দ্র বিদ্যাসাগর, সহমরণ আমাদের হবে না কিন্তু সহজীবন তো হবে। কাল থেকে কালে প্রবাহমান মহাকালে। ভাবিকাল গাইবে আমারই সুরে সুরে,

বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে

করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,

দীন যে দীনের বন্ধু! উজ্জ্বল জগতে

হেমাদ্রির হেম-কান্তি অম্লান কিরণে!

শীর্ষ সংবাদ:
শেখ হাসিনাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদী         কিটের পরীক্ষা নিয়ে খবর সঠিকভাবে আসেনি : গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র         গাজীপুরে ঝুট গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে         যুক্তরাষ্ট্রে দেড় লাখ পিপিই রফতানি করেছে বাংলাদেশ         দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭৫ জন করোনা আক্রান্ত, মৃত্যু ২১         গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরিচ্যুত না করার আহ্বান ডিইউজের         ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন মেয়র আতিক         ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তুলুক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন ॥ রাষ্ট্রপতি         চীনে তৈরি করোনার টিকা নিরাপদ ও কার্যকর দাবি         আগামীকাল থেকে (বিএসএমএমইউ) বেতার ভবনে স্থাপিত ফিভার ক্লিনিক খোলা         বিটিভিসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত         সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনাকালও একদিন শেষ হবে ॥ আইজিপি         জাপানে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার         কুমিল্লার তিতাসে আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা         যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের মিষ্টি ও ফল উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী         ঈদের নামাজ শেষে ফেরার পথে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা         কোলাকুলিবিহীন অন্য রকম এক ঈদ উদযাপন         এ বছরের ঈদটি অনেক কঠিন ॥ ড. মোমেন         বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত         আজ জাতীয় কবির ১২১তম জন্মজয়ন্তী        
//--BID Records