ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

পাকিস্তান হারল নিজেদের স্টাইলে

প্রকাশিত: ০৭:০২, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯

পাকিস্তান হারল নিজেদের স্টাইলে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ পাকিস্তান। বিশ্ব ক্রিকেটের ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ এক দল। কিভাবে জিতবে, আবার কিভাবে হারবে, আন্দাজ করা মুশকিল। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্টে ৩-০তে ‘হোয়াইটওয়াশ’ দলটি প্রথম ওয়ানডেতে জিতেছিল দাপটের সঙ্গে। দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে গেছে নিজেদের স্টাইলে। ডারবানে ১০৭ রানে সপ্তম আর ১১২ রানে অষ্টম উইকেট হারানো সফরকারীরা শেষ পর্যন্ত অলআউট হয় ২০৩ রানে। ৪৫ বলে ৫৯ রান করেন দশ নম্বর ব্যাটসম্যান হাসান আলি। এরপর ৮০ রানে প্রোটিয়াদের ৫ উইকেট ফেলে দিয়েও সরফরাজদের হার সেই ৫ উইকেটে। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-১এ সমতায় ফেরান ফন ডার ডুসেন (৮০*) ও এ্যান্ডলে ফেকুওয়ে (৬৯*)। দুরন্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরা ফেকুওয়ে। সেঞ্চুরিয়নে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে শুক্রবার। জয়ের জন্য মাত্র ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় এক পর্যায়ে ১৫তম ওভারেই ৮০ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেখান থেকেই স্বাগতিক প্রোটিয়ারা জয়ের ঠিকানায় পৌঁছে যায় ফন ডার ডুসেন ও ফেকুওয়ের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিতে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন ফেকুওয়ে। ৮০ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় এ দুর্দান্ত এক ইনিংস উপহার দেন তিনি। আর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ফন ডার ডুসেন অপরাজিত থেকে যান ৮০ রান করে। ১২৩ বলে ৯টি চারে এ ইনিংস উপহার দেন তিনি। তাদের সঙ্গে দুই অঙ্কের দেখা পেয়েছিলেন কেবল ডেভিড মিলার (৩১)। বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে পেসার শাহেন শাহ আফ্রিদি ৩টি ও লেগস্পিনার শাদাব খান নেন ২টি করে উইকেট। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানও পড়ে ভীষণ বিপদে। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন দশ নম্বরে নামা হাসান আলী। নইলে যে কী অবস্থা হতো! ৪৫ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ফেকুওয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৫৯ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। এছাড়া ওপেনিংয়ে নামা ফখর জামান ২৬ ও সাদাব খান ১৮ রান করে আউট হন। বল হাতে প্রোটিয়াদের হয়ে ২২ রানে ৪টি উইকেট নেন ফেকুওয়ে। এছাড়া স্পিনার তাবারিজ শামসি ৩টি ও পেসার কাগিসো রাবাদ ২টি উইকেট নেন।