বৃহস্পতিবার ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

একটি পরিচয়পত্রে ১৪ হাজার সিম

একটি পরিচয়পত্রে ১৪ হাজার সিম

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশে মোট মোবাইল সিম গ্রাহকের সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি। এর মধ্যে মাত্র ৭.৬৫ শতাংশ গ্রাহক প্রকৃত তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করেছেন। সেই হিসেবে প্রকৃত তথ্যদাতার সংখ্যা মাত্র ৯৯ লাখ। মঙ্গলবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম।

তবে, নিবন্ধন হওয়া এসব সিমের অনেকগুলো ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে একটিমাত্র ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার সিমের নিবন্ধন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আরও দুটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১১ হাজারের বেশি করে মোট ২২ হাজার সিমের নিবন্ধন আছে বলে জানান তারানা হালিম।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সকল মোবাইল ফোন অপারেটরদের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শুরুর সময় সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। তারানা হালিম বলেন, ‘এ পর্যন্ত (সোমবার) পাওয়া তথ্য অনুযায়ী টোটাল মোবাইল গ্রাহকদের ৭.৬৫ শতাংশের তথ্য আমরা পেয়েছি। এটা আমাদের চাহিদার তুলনায় অনেক কম।’

তথ্য এখনো হাতে আসছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিনই তথ্য আসছে। এখনো সর্বশেষ কথা বলার সময় আসেনি। যখন সব তথ্য আমরা পেয়ে যাব তখন আবারো জানাবো’। ‘একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ১শ ১৭টি সিমের নিবন্ধন পাওয়া গেছে। সেটা ফেইক পরিচয়পত্র। আরেকটির বিপরীতে ১১ হাজার ৮শ ৬৬ এবং অপর একটি পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১১ হাজার ৩শ ২৮টি সিমের নিবন্ধ পাওয়া গেছে।’

ডিসেম্বর থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: ‘ডিসেম্বর থেকে আমরা বায়োমেট্রিক (হাতের আঙ্গুলের ছাপ) পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের কাজে নামব’ জানিয়ে অপারেটরদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর জন্য আপনারা নভেম্বর থেকেই ট্রায়াল বেসিস কাজ শুরু করবেন। এখন যেগুলো (সিম) রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে সেটাও যেন বায়োমেট্রিক সিস্টেমে সমন্বয় করা যায় তা এনআইডিতে সহযোগিতা চাওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘এই পর্যন্ত আমরা জাতীয় পরিচয়পত্র কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পেয়েছি তাদেরকে ধন্যবাদ। মোবাইল ফোন অপারেটরদেরও যথেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছি। সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় আমরা যে তথ্য পেয়েছি তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

কোম্পানি প্রতি সিমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য: প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এয়ারটেলের মোট গ্রাহক সংখ্যা ৯০ লক্ষ ৮০ হাজার। নিবন্ধনের তথ্য পাওয়া গেছে ১৪ লক্ষ ৪ হাজার ৯৩৮ টি সিমের। এই অপারেটরের মোট গ্রাহকের ৫.৪৭ শতাংশের তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলালিংকের মোট গ্রাহক ৩ কোটি ২৪ লক্ষ ৬ হাজার। দ্বিতীয় বৃহত্তম এই অপারেটরের তথ্য পাওয়া গেছে ২৩ লক্ষ ৫৫ হাজার সিমের। মোট সিমের মধ্যে নিবন্ধিত ৭.২৭ শতাংশ। গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহক ৫ কোটি ৩৯ লক্ষ ৮০ হাজার। নিবন্ধন তথ্য পাওয়া গেছে ২২ লক্ষের (৪.০৮ শতাংশ)। সিটিসেলের মোট গ্রাহক ১১ লক্ষ ৬১ হাজার। তথ্য পাওয়া গেছে ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ৮২৯ টির। শতাংশের হিসেবে এর পরিমান ৩৫.৭৩। রবি’র মোট গ্রাহক ২ কোটি ৭৯ লক্ষ ২১ হাজার গ্রাহক। নিবন্ধিত ১৮ লক্ষ ১১ হাজার ৬৮৬ টি সিমের (৬.৪৯ শতাংশ)। টেলিটকের মোট গ্রাহক ৪২ লক্ষ ২১ হাজার, তথ্য পাওয়া গেছে ১৬ লক্ষ ৫৯ হাজারের (৩৯.৩২ শতাংশ)।

শীর্ষ সংবাদ:
সেনাবাহিনী বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে         ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হার বাংলাদেশের         নীলনক্সা লন্ডনে         ‘গরিবের আইনজীবী’ বাসেত মজুমদারের ইন্তেকাল         পাটুরিয়ায় তলদেশ দিয়ে পানি ঢুকে ফেরিডুবি         দেশে প্রতি চারজনে একজন স্ট্রোকে আক্রান্ত         মূল্যস্ফীতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে ॥ অর্থমন্ত্রী         প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা প্যাকেজে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে         জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা ॥ জনজীবনে চাপ পড়ার শঙ্কা         বাবুলের মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজির শুনানি         কুমিল্লার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে         হামলা করে সার্বভৌমত্ব হুমকির মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে         ফ্লাইওভারের র‌্যাম্পে কোন ফাটল সৃষ্টি হয়নি         বৃহস্পতিবার গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ         ১ ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী         বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার পাচ্ছে ২৩ প্রতিষ্ঠান         করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, নতুন শনাক্ত ৩০৬         কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে ১৮ দিন         গুলশানে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৪         টেকসই উন্নয়নের জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি