নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগ নেতা মীর মো. জাহিদুর রহমান ছোটনকে আদালতে নোটারি করে ত্যাজ্যপুত্র করেছেন তার বাবা। বুধবার নিজের ফেসবুক আইডিতে নোটারির কপি দিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট করেন। এর আগে মঙ্গলবার নেত্রকোনা আদালতের নোটারি পাবলিকেশন করে তার বাবা মীর আব্দুল খালেক তাকে ত্যাজ্যপুত্র করেন।

মীর জাহিদুর রহমান ছোটন সদর উপজেলার মীর আব্দুল খালেকের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।
ত্যাজ্য পুত্র করার নোটারিতে মীর আব্দুল খালেক উল্লেখ করেন, তাঁর সর্বকনিষ্ঠ পুত্র মীর মোঃ সাজিদুর রহমান ছোটন তাহার কৈশোরকাল হইতে পারিবারিক নীতি বিচ্যুত হইয়া ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উল্লেখ্য যে, আমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের অধিকাংশ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থন করেছে এবং করিতেছে। রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং বিভিন্ন সময় তাহার দাবি দাওয়া (মৌলিক চাহিদা) আদায়ে অসদাচরনের কারণে তাহার সাথে আমার এবং আমার পরিবারের দীর্ঘকাল ধরে তিক্ততার সম্পর্ক চলমান। যেহেতু সে বাংলাদেশের একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক। সেহেতু তার নিজস্ব মতে চলার অধিকার রয়েছে। তবে তার কোনো কর্মের দ্বায় আমি এবং আমার পরিবার বহন করিবো না। অদ্য হইতে তাহার সহিত আমার এবং আমার পরিবারের সম্পর্ক ছিন্ন করিয়া তাহাকে আমি ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করিলাম।
ছোটনের শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা ছোটন কে নিয়ে ফেসবুকে অনেক পোস্ট করেছেন। তারা সবাই ছোটনের দুঃসময় পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যর্থ করে করেছেন। অনেকে আবার দলীয় হাইকমান্ড নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তারা লেখেন, আল্লাহ তোমাকে আরও ধৈর্য্যশীল করার তৌফিক দান করুক।
জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মীর মো. জাহিদুর রহমান ছোটন স্ট্যাটাসে লিখেন, বছরের পর বছর আমার সাথে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটি ঘটনা আমি গোপন রাখতে চেয়েছি। তাও কোনো না কোনো ভাবে কারও কারও কাছে প্রকাশ পেয়েই গেছে...। আজ আমি ক্লান্ত!
তবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সেরা কর্মী হওয়ার যাত্রায় আমি ক্লান্ত হবোনা। ইনশাআল্লাহ!
"মহা বিদ্রোহী রণক্লান্ত আমি সেইদিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না"
এ.এইচ








