ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

ভৈরব সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

প্রকাশিত: ০৬:২৪, ৩১ মার্চ ২০১৭

ভৈরব সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘতম নদ ভৈরব সংস্কারে সরকার ২৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও এই প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন যশোরের নাগরিক সমাজ। বৃহস্পতিবার সকালে প্রেসক্লাব যশোর অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, এই প্রকল্প প্রণয়নের প্রথম পর্যায়ে ভৈরব নদের ওপর ২২টি ব্রিজ ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণের জন্য ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরিকল্পনা কমিশন থেকে প্রকল্পের এ অংশটি বাদ দেয়া হয়। এখন নদী খনন করা হলেও এসব ব্রিজ নির্মাণ নিয়ে ঝামেলার সৃষ্টি হবে। বক্তারা বলেন, বেশিরভাগ প্রকল্পের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকে না, স্বচ্ছতা থাকে না, দুর্নীতি হয়। তাই সিডিউল অনুযায়ী এ প্রকল্পের কাজ বুঝে নিতে কার্যকর তদারক কমিটি গঠনের দাবি করেন তারা। বক্তারা বলেন, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের লোকজন নদীর দখলদারদের পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। ব্যক্তিস্বার্থে তখন সবাই রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ভুলে যায়। তাই নদীর জায়গা দখলমুক্ত করতে সংসদে আইন পাস করার দাবি করেন বক্তারা। ‘ভৈরব নদ সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভাবনা’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে দৈনিক সংবাদ ও জনউদ্যোগ। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বেসরকারী সংস্থা বাঁচতে শেখার নির্বাহী পরিচালক আঞ্জেলা গমেজ, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য ইকবাল কবির জাহিদ, সিপিবি সভাপতি আবুল হোসেন, যশোর চেম্বারের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান, যশোর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সেতারা বেগম, নদী সংস্কার আন্দোলনের নেতা যশোর এমএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আফসার আলী, ন্যাপ যশোরের সভাপতি নূর জালাল, পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী পরিচালক প্রবীরকুমার গোস্মামী, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদ রহমান প্রমুখ। অবৈধ কালো তেল বিক্রি ॥ জরিমানা নিজস্ব সংবাদদাতা, সীতাকু-, চট্টগ্রাম, ৩০ মার্চ ॥ চট্টগ্রামের সীতাকু-ে পুরাতন জাহাজের অবৈধ কালো তেল সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে শোধন করে বাজারজাত করছে মাদামবিবিরহাটের বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স। অভিযান চলাকালে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের কাছে পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকাসহ নানাবিধ অপরাধে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভাটিয়ারী মাদামবিবিরহাটে চলা এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিন।