//

ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ২৯ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

বাবা ভাঙার ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণীতে ২০২৬: বিশ্ব কি দেখবে ধ্বংসযজ্ঞ?

প্রকাশিত: ১২:৫২, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

বাবা ভাঙার ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণীতে ২০২৬: বিশ্ব কি দেখবে ধ্বংসযজ্ঞ?

২০২৬ নিয়ে এখন প্রতিটি মনের একই প্রশ্ন- “কী আসলেই ঘটবে?” বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জ্যোতিষী ও মিস্টিক পূর্বাভাস দিয়ে আসছেন, কিন্তু সবচেয়ে আলোচিত নাম এখনও বুলগেরিয়ার প্রখ্যাত মিস্টিক বাবা ভাঙা। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীই এরই মধ্যে প্রায় বাস্তবে রূপ নিয়েছে করোনা মহামারি, ৯/১১ হামলা, প্রিন্সেস ডায়নার অকাল মৃত্যু সবই প্রায় খুঁটিনাটি মিলেছে তাঁর কথার সঙ্গে।
বিশ্বজুড়ে বাবা ভাঙার নামের সঙ্গে ৮৫-৯০ শতাংশ ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হওয়ায়, ২০২৬ নিয়ে তাঁর পূর্বাভাস নিয়েই সর্বাধিক উত্তেজনা ও কৌতূহল। অন্য জ্যোতিষীরা যদিও বিভিন্ন দিক থেকে মতামত দিয়েছেন, বিশ্ব এখন পুরোপুরি বাবা ভাঙার দিকে তাকিয়ে।
১৯৯৬ সালে প্রয়াত এই বুলগেরিয়ান হিলার ও মিস্টিক বলেন, আগামী বছরের মার্চ থেকে শুরু হবে ভয়ঙ্কর ধ্বংসযজ্ঞ, যা ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, পৃথিবীর অনেক অঞ্চল এই তাণ্ডবের চরম প্রভাবের শিকার হবে।
বিশ্বযুদ্ধের আভাসও দিয়েছেন বাবা ভাঙা। তাঁর কথায়, রাশিয়া, চীন, আমেরিকা ও ইউরোপের একাধিক দেশ হবে এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। যা ইঙ্গিত দেয়, ২০২৬ হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য একটি সংকেতবহ বছর।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েও সতর্ক করেছেন তিনি। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ও অন্যান্য প্রাকৃতিক তাণ্ডব পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে ধ্বংসের হাত বাড়াবে। তাঁর পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৃথিবীর ৭–৮ শতাংশ এলাকা এই ধ্বংসের আওতায় আসতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।
তবে ২০২৬ শুধুই ধ্বংস নয়—প্রযুক্তি ও মহাকাশ বিজ্ঞানেও আসছে বড় পরিবর্তন। বাবা ভাঙার পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বর বা ডিসেম্বরের দিকে একটি বিশাল বহির্বিশ্বের বস্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে, যা মানবজাতিকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেখাবে এবং বৈজ্ঞানিক দুনিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে।
২০২৬ যেন আগামীতেই এক ভয়ঙ্কর, রহস্যময় ও উত্তেজনাপূর্ণ বছর হিসেবে মানুষের মন ও কল্পনাকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

আফরোজা

×