ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩

হার্ট অ্যাটাকের আগে যে মারাত্মক ৩ লক্ষণ একেবারেই অবহেলা করা যাবে না

প্রকাশিত: ১৪:১১, ২৮ আগস্ট ২০২৫; আপডেট: ১৪:১২, ২৮ আগস্ট ২০২৫

হার্ট অ্যাটাকের আগে যে মারাত্মক ৩ লক্ষণ একেবারেই অবহেলা করা যাবে না

হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করে আসে না, বরং শরীর অনেক আগে থেকেই সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে। চিকিৎসকরা বলছেন, হার্ট অ্যাটাক বা ‘মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন’ একটি মেডিক্যাল এমার্জেন্সি, যেখানে হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ হঠাৎ থেমে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ৮০৫,০০০ মানুষ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন—অর্থাৎ প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন আক্রান্ত হচ্ছেন এই রোগে।

শুধু বয়স নয়, এখন তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাক বেড়ে চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, অনেক সময় নিঃশব্দে আক্রমণ করে এই রোগ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হার্ট অ্যাটাকের কিছু উপসর্গ আগেভাগেই ফুটে ওঠে ত্বকে।

হার্ট অ্যাটাকের আগে ত্বকে দেখা দিতে পারে যেসব লক্ষণ

👉 ১. র‌্যাশের মতো ছোট ছোট ফুসকুড়ি – রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে গেলে ত্বকে ফ্যাটি অ্যাসিড জমে ছোট ছোট র‍্যাশ বা ফোসকার মতো দাগ হতে পারে।

👉 ২. হলদেটে-কমলা রঙের আস্তরণ বা পিণ্ড – সাধারণত চোখের আশপাশে, হাত ও পায়ের নিচে এমন আস্তরণ দেখা যায়। এটি কোলেস্টেরল বাড়ার সরাসরি ইঙ্গিত।

👉 ৩. নখের গোড়ায় লালচে দাগ – নখ ফুলে যাওয়া বা ডগা গোল হয়ে ভেতরের দিকে বাঁকানো হার্টের সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে।

👉 ৪. নখের ভিতরের ত্বকে বেগুনি বা লালচে দাগ – এটিও হার্টে রক্তপ্রবাহে সমস্যার সংকেত।

👉 ৫. চোখের মণির পাশে ছাই রঙা গোল দাগ – বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি হার্টের গুরুতর অসুখের পূর্বাভাস হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে শরীর যে ৩ সংকেত দেয়

‘মেডিক্যাল নিউজ টুডে’-তে প্রকাশিত ২০০৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৫১৫ জন নারী হার্ট অ্যাটাক সারভাইভরদের ৯০ শতাংশের শরীরে আগেভাগেই উপসর্গ ধরা পড়েছিল।

🔹 মারাত্মক ক্লান্তি (৭১%)

🔹 অনিদ্রা বা ঘুম না হওয়া (৪৭.৮%)

🔹 শ্বাসকষ্ট (৪২.১%)


হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক লক্ষণ

🔹 হঠাৎ ঘাম হওয়া

🔹 শ্বাসকষ্ট বা দম বন্ধ হয়ে আসা

🔹 বুকের চাপধরা ব্যথা

🔹 ব্যথা হাত, কাঁধ ও চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া

🔹 মহিলাদের ক্ষেত্রে পেটে অস্বস্তি ও পিঠব্যথাও হতে পারে


কী করবেন?

চিকিৎসকদের মতে, শরীরে উপরের উপসর্গগুলোর যেকোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কারণ সময়মতো চিকিৎসা নিলে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা সম্ভব।

Mily

×