রৌদ্রজ্জ্বল, তাপমাত্রা ২৩.৯ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

মাদারীপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল ২০১৫
  • পাঁচ দিনে ১৬ রোগী হাসপাতালে

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর, ২১ এপ্রিল ॥ গত ১৬ এপ্রিল থেকে ১০০ শয্যার মাদারীপুর সদর হাসপাতালে অস্বাভাবিক হারে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সেই থেকে ভর্তি রোগীর পাশাপাশি বহির্বিভাগের চিকিৎসাপ্রার্থীদের ভিড়ও বেড়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের চাপে ফ্লোরে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। আর এর থেকে মুক্তি পেতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সিভিল সার্জন।

সরেজমিন হাসপাতাল ঘুরে জানা যায়, গত কয়েক দিনে মাদারীপুরে ডায়রিয়ার প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতদিন সমানতালে একের পর এক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী আসছে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে। প্রতিদিন গড়ে ৩৫-৪০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ওষুধ, স্যালাইন সরবরাহসহ সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগও। এই পরিস্থিতি দেখে অনেক রোগীও ঘাবড়ে যাচ্ছে। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী জাফর মিয়া বলেন, ‘তরমুজ খাওয়ার পর অস্বাভাবিক হারে বাথরুমে যেতে হয়। ভয়ে দ্রুত চিকিৎসা নিতে সদর হাসপাতালে ছুটে আসি।’ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত দুই বছরের শিশু রোগী মারুফের মা বলেন, ‘বাচ্চার এই অবস্থা দেখে তো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। হাসপাতালে এসে রোগীর এত চাপ দেখে ঘাবড়ে গেছি। ডাক্তার ও নার্সদের চিকিৎসায় এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক।’

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ অখিল সরকার জানান, ‘হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ফ্লোরে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।’

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স কল্পনা রানী সরকার বলেন, ‘একসঙ্গে এত রোগীর চাপ সামাল দেয়া বড়ই কঠিন। রোগী আসার সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে চলেও গেছেন।’

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন দিলীপ কুমার দাস জানান, ‘পুষ্টিহীনতার কারণে এই রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। এর থেকে মুক্তি পেতে গেলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অতিজরুরী।’ গত ১৬ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ১শ’ ৬০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। আর চিকিৎসাধীন আছে অর্ধশতাধিক রোগী। এরমধ্যে শিশু ও নারীর সংখ্যাই বেশি।

হালদায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফটিকছড়ি, ২১ এপ্রিল ॥ দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র চট্টগ্রামের হালদা নদীতে সোমবার রাতে জাতীয় মা মাছ ডিম ছেড়েছে। রুই, কাতলা, মৃগেলসহ জাতীয় মা মাছগুলো ডিম ছাড়ার আলামত বুঝতে পারায় শত শত মৎস্যজীবী মিহি সুতার জাল দিয়ে নৌকা ও সাম্পান যোগে মাছের ডিম আহরণ করে। জেলা মৎস্য অধিদফতর, হাটহাজারী এবং রাউজান মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে নজরদারি করেন। ডিম ছাড়ার প্রাক মুহূর্তে মা মাছগুলোকে যাতে মৎস্য শিকারিরা শিকার করতে না পারে সেইজন্য আনছার ও স্বেচ্ছাসেবীরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়। সরকারী এবং বেসরকারী পর্যায়ে এ ডিম আহরণ করা হয়েছে। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর ডাউন লেভেল হিসেবে পরিচিত আজমের ঘাট থেকে অংকুরিঘোনা পর্যন্ত সবকটি স্পর্টে জাতীয় মা মাছ মৌসুমের শুরুতেই প্রথম ডিম ছাড়ে।

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল ২০১৫

২২/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: