হালকা কুয়াশা, তাপমাত্রা ১৮.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক সমীপে

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫
  • যাত্রীবাহী বাসে হামলার শাস্তি হবে কী?

গত ৫ জানুয়ারি হতে বিএনপি-জামায়াত জোটের টানা অবরোধ আর হরতালে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। মানবতাবিরোধী এসব ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জোটের জঙ্গী ও সন্ত্রাসীরা হাতে-নাতে ধরা পড়লেও বলা হচ্ছে, তারা ২০ দলের কেউ নয় বরং এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- সরকারী দলের লোকেরাই করছে। বেগম খালেদা জিয়াসহ তথাকথিত সুশীল সমাজের (সবাই নয়) ভাষ্যমতে, নাশকতা করছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। নাশকতাকারীরা যেহেতু ২০ দলের কেউ নয়, তাহলে তারা (হামলাকারী) হয় জঙ্গী নয়তো সরকারী দলের লোক। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয় নাশকতা করতে গিয়ে ধরা পরা সন্ত্রাসীকে গণপিটুনি না দিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট সোপর্দ করাই শ্রেয়। আমরা জানি বিষয়টা অমানবিক কিন্তু দানবের পেট্রোল বোমাবাজদের আগুনে যখন আমাদের আপনজন বার্ন ইউনিটে যন্ত্রণায় কাতরায় কিংবা মারা যায় তখন কী মানবিক বিষয়ে একবারের জন্যও চিন্তা করা হয়? আমার মনে হয় তা করা হয় না। যদি করা হতো তাহলে যাত্রীবাহী গাড়িতে ককটেল কিংবা পেট্রোলবোমা নিক্ষেপের সপক্ষে সুশীল বাবুরা যুক্তি দিতেন না। আমরা নিরীহ মানুষ, কোন অবস্থাতেই মহামানব নই। সুতরাং আমাদেরও রাগ, দুঃখ, বেদনা এবং ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। তাই দানবদের সঙ্গে দানবের মতো আচরণই প্রকাশ পাবে। কোন অবস্থাতেই সভ্য আচরণ কিংবা অহিংসা প্রযোজ্য হবে না। আমরা সবাই ভাল করেই জানি কুকুর যখন পাগল হয়ে যায় তখন তাকে খাঁচায় বন্দী করতে হয় নতুবা মেরে ফেলাই শ্রেয়। চলমান অবরোধ-হরতালে যারা পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করছে, তাদের পরিণতি পাগল কুকুরের মতোই হওয়া উচিত। কারণ তারা মানুষরূপী জানোয়ার। মানবতা কিংবা দয়ামায়া প্রদর্শনের সুযোগ আছে বলে বাংলাদেশের নিরীহ জনগণ মনে করে না। আমরা সকলেই জানি ১৯৭১-এ দানবরা ধর্ষণসহ গণহত্যা করেছিল, তারা এখনও আন্দোলনের নামে একই ঘটনা ঘটাচ্ছে। কারণ পরাজয়ের গ্লানি পাকিস্তান এখনও ভুলতে পারেনি। আইএসআইয়ের পরিকল্পনায় এসব কর্মকা- করে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপনের চেষ্টায় লিপ্ত। তাই স্বাধীনতার সকল পক্ষকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দানবদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

একে বড়ুয়া

ঢেমশা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

রাজধানীতে মশার উপদ্রব

রাজধানীসহ সারাদেশে মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। কয়েল, স্প্রে আর মশার কয়েল ব্যবহার করেও এর আক্রমণ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না নগরবাসী। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন রাজধানীতে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ। রাজধানীর দু’টি সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনের জন্য নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা থাকলেও তা অদৃশ্য কারণে বন্ধ রয়েছে, সাধারণ জনগণের বোধগম্য নয়। কর্পোরেশনের তথ্যমতে, শুধু ঢাকা শহরেই পাঁচ শতাধিক জলাশয় রয়েছে। জলাশয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে-অবহেলায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জলাশয়গুলো পরিষ্কার করার কারও কোন উদ্যোগ নেই। রাজধানীতে মশা ও মাছির উপদ্রব অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ডোবা ও লেকগুলো কচুরিপানায় পূর্ণ হয়ে থাকায়, পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতলের কারণে স্যুয়ারেজের পানি ঠিকমতো নামতে না পারায়, নদী খালের পানিতে অতিমাত্রায় দূষণের কারণে মশা ও মাছির এই উপদ্রব।

ভাঙ্গাচোরা রাস্তা, উন্নয়ন কাজের জন্য রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির ফলে সৃষ্ট গর্তে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায়ও মশার সৃষ্টি হয়। দুইটি সিটি কর্পোরেশনে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ৬৩৮ জন কর্মী রয়েছে। ফগার মেশিন রয়েছে ৫০০টি। পর্যাপ্তসংখ্যক লোকবল ও ব্যাপক সরঞ্জামাদি এবং যথেষ্ট পরিমাণ বরাদ্দ থাকার পরও মশা নিধন কার্যক্রমে পুরোপুরি ব্যর্থ রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন।

আবুল খায়ের ভূঁইয়া

Email khayar15bhui“a@gmail.com

রামপুরা, ঢাকা

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫

২৫/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: