কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মাতা-পুত্র কি নেপথ্য শক্তির হাতে বন্দী

প্রকাশিত : ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • মমতাজ লতিফ

এ কথা আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে- মুক্তিযুদ্ধপন্থী সরকার পতনে বর্তমানের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিএনপি নয়, বরং খালেদা-তারেক তাদের সমর্থক ও অর্থে লালিত-পালিত বিএনপি ও জামায়াত ক্যাডারদের ব্যবহার করে যে নিরীহ মানুষ পোড়ানো, বাস-ট্রাক, রেল পোড়ানো, মিল-কারখানা-বাজারে অগ্নিসংযোগ করছে তার অনেক কারণ থাকলেও দৃশ্যমান এ সব কারণের গভীরে রয়েছে একটি প্রধান লক্ষ্য- অসাংবিধানিক শক্তি দিয়ে নৈরাজ্যকর পরিবেশ, যেমনটি খালেদা ২০০৬ সালে তৈরি করেছিল তেমনই অসাংবিধানিক শক্তিকে ক্ষমতায় আসার পরিস্থিতি তৈরি!

পাঠকের নিশ্চয়ই মনে পড়ছে- সে সময় খালেদা-তারেক কিভাবে নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিল এবং ভোটার তালিকায় সোয়া কোটি জাল ভোটার যোগ করে ক্ষমতায় আসার ব্যবস্থা পাকা করেছিল, সব পোলিং অফিসার ছিল বিএনপি-জামায়াতের দলীয় ক্যাডার! ওই সময়ে তদানীন্তন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রাজপথ অবরোধ কার্যক্রম করেছিল! পার্থক্য এই- ওই অবরোধে রাজপথে হাজার হাজার জনতা নৃত্যগীত-আবৃত্তি-নাটক-বৃক্ততার মাধ্যমে, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে রাত-দিন রাজপথে অবস্থান করেছিল! বিশেষ বিশেষ চৌরাস্তায় এ সব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিন-রাত দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সাহায্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল! খালেদার প্রিয় উদাহরণ, আওয়ামী লীগের তরুণদের যে লগি-বৈঠার মারামারির কথা প্রায়ই উল্লেখ করা হয়, তার মধ্যে তীক্ষè পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছিল অসংখ্য জামায়াত, বিএনপির ক্যাডারদের হাতের থলিতে বহন করা বন্দুক থেকে ছোড়া গুলির শিকার হয়ে নিহত-আহত হয়েছিল প্রায় পঞ্চাশ থেকে শত ছাত্রলীগ নেতাকর্মী! একটি শিশুও বুঝতে সক্ষম লগি-বৈঠার সঙ্গে অনুল্লেখিত বন্দুকের লড়াইয়ে কারা মারা পড়বে। খেয়াল করলে পাঠক বুঝতে সক্ষম হবেনÑ বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন কোন না কোন জেলায়, গ্রামে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে আওয়ামী লীগের কোন না কোন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীকে! অথচ ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত, ২০০৮ থেকে আজ পর্যন্ত বিশেষত ২০১৩ সালজুড়ে বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডারদের হাতে কয়েক হাজার ও শত শত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, হিন্দু, আদিবাসী নিহত হয়েছে যেসব হত্যা-নির্যাতনের বিচার আজও হয়নি! কেন বার বার এরাই নিহত হয়? সত্য হচ্ছেÑ আওয়ামী লীগ কখনই দুর্বৃত্ত-ক্যাডারভিত্তিক দল নয় এবং হত্যার রাজনীতিতে অনভ্যস্ত!

এবার মূল প্রসঙ্গে আসি। খালেদা-তারেক এবং জামায়াতের বর্তমানের এই দেশ-জাতি বিধ্বংসী কর্মকা- খালেদা-পুত্রের মৃত্যু সত্ত্বেও অব্যাহত রাখা, প্রধানমন্ত্রীকে শোক প্রকাশ করতে না দেয়া, মিথ্যা অজুহাত দেখানো, যা ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক প্রকাশ করে দিয়েছেন যে- ‘আই ওয়াজ প্রেজেন্ট দেয়ার, দিস ইজ নট কারেক্ট।’ এসব একটি উদ্দেশ্যকে নির্দেশ করে। দেশ অস্থিতিশীল করে দেখানো যে সরকার জ্বালাও-পোড়াও বন্ধ করতে ব্যর্থ, সুতরাং অসাংবিধানিক কোন শক্তি এসে ক্ষমতা দখল করুক এবং দুই নেত্রীকে গ্রেফতার করুক, অন্তত তাহলে তো শেখ হাসিনার সরকারের পতন হবে! তখন অবশ্যই বন্ধ হয়ে যাবে খালেদা-তারেকের দুর্নীতির মামলাগুলো, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা, শাহ কিবরিয়া হত্যা মামলাÑ যেটি জনগণ বিশ্বাস করে তারেকের নির্দেশ ছাড়া হারিস চৌধুরী গংয়ের পক্ষে এ হত্যা পরিকল্পনা সংঘটন করা সম্ভব ছিল না। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও খালেদা-তারেকের মিত্র যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও বন্ধ হয়ে যাবে! এই হিসাবটি মিলে যায় বর্তমানের কারণহীন বর্বরতার সঙ্গে খুব ভালভাবে। এটি খালেদা-তারেকের আন্দোলনের নেপথ্যের গোপন একমাত্র লক্ষ্য, যা না বললেও চলে।

স্মর্তব্য, খালেদা-তারেকের শাসনামলের ও আন্দোলনকালীন দুটি বৈশিষ্ট্য তাদের এ দেশের শত্রু প্রমাণ করে; যে বৈশিষ্ট্য আইএসআইয়ের দেশ পাকিস্তানেও দেখা যায়নি, অন্য কোন দেশের রাজনীতিকরা যে বর্বরতা কল্পনাও করতে পারে না- সে দুটি বৈশিষ্ট্যই বলে দেয় যে, তাদের উভয়ের লক্ষ্য- এ দেশ ধ্বংস ও এ বাঙালী জাতির সবরকম শান্তি সৌহার্দ্য বিনষ্ট করে পরিণামে দেশ ও জাতির উন্নয়ন ধ্বংস করে দেয়া। এ দুটি বৈশিষ্ট্য খুব স্পষ্টভাবে জাতি দেখেছে- ২০০১ সালের নির্বাচনকালীন মহানির্যাতন ২০০৬ পর্যন্ত অব্যাহত রাখা; যে নির্যাতন চালিয়ে এবং প্রহসনের নির্বাচন সংঘটনের উদ্ভট পদক্ষেপ- রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান করে জাতির ওপর চাপিয়ে দেয়া। ২০১৩ সালে সরকার পতনের আন্দোলনের নামে হেফাজতে ইসলামকে দিয়ে, জামায়াত-শিবির-বিএনপির খুনী-ক্যাডারদের দ্বারা বছরব্যাপী ধ্বংসযজ্ঞ, হিন্দু ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী খুন, তাদের বসত-জমি-জীবিকা ধ্বংস করে হিন্দু-আদিবাসীদের দেশত্যাগে বাধ্য করে, আওয়ামী লীগ অনুসারীদের আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার খেসারত দিতে এ রাজনীতির প্রতি অনুৎসাহিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে! একই সঙ্গে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও পরিবহন খাতে তাদের নির্দেশে বিপুল ধ্বংসযজ্ঞ জাতি ও দেশ ধ্বংসের প্রমাণ দিয়েছে! এর আগে লিখেছিলামÑ একবার যখন কেউ গোয়েন্দা বাহিনীর চর বা সদস্য হয়েছে, তখন তাকে সারাজীবন বাঁধা পড়তে হবে। যেমন- স্নোডেন; তাঁকে জীবন বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদেশ রাশিয়ায় বাস করতে, পলাতক জীবন বেছে নিতে হয়েছে! নতুবা এদের বিচ্যুতির একটি পরিণাম- মৃত্যু!

এ প্রসঙ্গে স্মরণে আসে কতগুলো বহুল আলোচিত ঘটনাও এবং মনে জাগে কতগুলো প্রশ্ন-

সেই ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী গোয়েন্দা বাহিনী কি তাদের পক্ষে কাজ করার জন্য কয়েকজন বাঙালী গুপ্তচরের প্রয়োজন বোধ করেনি? এবং সে লক্ষ্যে তারা কি কাউকে চরবৃত্তিতে নিয়োগ করেনি? অবশ্যই তাদের পুরনো বিশ্বস্ত কাউকে নিয়োগ করেছিল, তাহলে তারা কে বা কারা?

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রক্রিয়াটির সঙ্গে যুক্ত, নেপথ্যে থেকে নেতৃত্বদানকারী জিয়াউর রহমানকে কেন, কারা কী কারণে হত্যা করেছিল? নাকি, যে কাহিনী প্রচারিত সেটি সত্য যে ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা তাঁকে হত্যা করার পরিকল্পনা না থাকলেও ক্রুদ্ধ হয়ে কাজটি করে ফেলেছিল? নাকি জিয়া হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করেও, এমনকি অবশ্যই আইএসআইয়ের নির্দেশে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা তাঁর প্রাণ রক্ষাকারী কর্নেল তাহেরকেও মৃত্যুদ--ফাঁসি দিয়েছিল, তারপরও এমন কোন ঘটনা ঘটেছিল কি যা জিয়ার প্রতি আইএসআইকে চরম অসন্তুষ্ট করেছিল? এমন একটি ঘটনা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন আইএসআইকে অসন্তুষ্ট করতে পারে? কাদের নির্দেশে জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপিতে এত বড়-বড় মাপের নেতা থাকা সত্ত্বেও গৃহবধূ খালেদা জিয়াকেই বিএনপির চেয়ারপার্সন করা হলো? তাদের কি এ নিয়োগে বড় ভূমিকা ছিল? স্বাভাবিক নিয়মে ড. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর কি বিএনপির প্রেসিডেন্ট হবার কথা নয়? কেন এরশাদ আমলে, খালেদা আমলে বার বার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা হত্যার টার্গেট হন? কে বা কারা বার বার বাঙালী নেতানেত্রী-জঙ্গীদের ব্যবহার করে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে একের পর এক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে? তাদের লক্ষ্য পূরণে একমাত্র বাধা তারা শেখ হাসিনাকেই মনে করছে কেন?

খালেদা জিয়া ও তারেক কি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত হাজার হাজার হিন্দু ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী হত্যা, নির্যাতন, বসত-জীবিকা থেকে উৎখাত করে, জঙ্গী বাংলাভাই, হরকাতুল জিহাদ ইত্যাদি তালেবানী জঙ্গী দলের জন্ম দিয়ে সম্ভব-অসম্ভব উপায়ে ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনী ফল দখল করতে ২০০১ সালের মতো যখন সক্ষম হলো না, তখন থেকে তাদের ওপর কি এ হুকুম জারি হয়েছে যেÑ যে কোন উপায়ে খালেদাকে ক্ষমতা দখল অথবা শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটাতে হবে? দুটোর একটাও সংঘটিত করতে না পারলে তাঁকে কি নিজের মৃত্যু অথবা স্বজনের মৃত্যুকে গ্রহণ করতে হবে?

খালেদা জিয়াকে কেন নিজে নিজে অবরুদ্ধ হতে হলো? তাঁকে গৃহত্যাগ করে অফিস কক্ষে বাস করতে কারা বাধ্য করছে? খালেদা তো নিজেই অফিসে এসে বাস করা শুরু করেছেন, যা তাঁর জীবনযাত্রার সঙ্গে পুরোপুরি অস্বাভাবিক বেখাপ্পা বেমানান নয় কি? অবস্থাদৃষ্টে মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক যে, তিনি কোন এক ক্ষমতাবানের একটি হুকুম তামিল করতে বাধ্য হচ্ছেন? ২০১৩ সালের নির্বাচনে তারেক ও অপর কোন শক্তি যেটি তারেকের সব কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে তাদের হুকুম তামিল করতেই কি খালেদার পক্ষে অংশগ্রহণ করা সম্ভব ছিল না? নির্বাচনে জিতে দেশ ধ্বংস করা যায় না বলেইকি সংসদের বাইরে রেখে তাঁকে দিয়ে দ্রুত উন্নয়নমুখী বাংলাদেশকে ধ্বংস করাই সে শক্তির কাম্য? ২০১৩ সালের পরিকল্পিত দেশব্যাপী ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যাযজ্ঞ, পেট্রোলবোমা, গানপাউডার যা ’৭১-এ একমাত্র একবারই পাকিস্তানী সেনাদেরই ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল, সেই বর্বরতম ভয়াবহ তা-ব চালিয়েও শেখ হাসিনার সরকার পতন ঘটাতে না পারার পর এবার কি তাঁকে ‘শেষ সুযোগÑ হয় ওটা কর, না হয় মৃত্যু’Ñ এমন নির্দেশ দিয়েছে সেই ক্ষমতাবান গোয়েন্দা দলটি? ওরাও তো ওদের নিরীহ দেশবাসীকে এমন জ্বলন্ত আগুনে পোড়ায় না!

কেন তারেক রহমান তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর তাকে দেখতে যায়নি? তবে পাঁচ/ছয় মাস আগে কি কারণে কোকোকে দেখতে সপরিবার তারেক মালয়েশিয়া গিয়েছিল?

সংবাদসূত্রে গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায় যে, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে একজন বড় নেতাকে হত্যা করবে জঙ্গী দল। সে নেতা খালেদা জিয়া বলে কিছু কিছু সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে! প্রধানত এ কারণে বিএনপির সমাবেশটি করতে দেয়া সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষে সম্ভব হয়নি! কেন, কারা খালেদা জিয়াকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল?

গুজব আছে তারেকের ওপরও এ খড়গ উদ্যত আছে যে সরকার পতনের আন্দোলনে জোয়ার আনতে প্রয়োজনে তাকে ও ‘মা’কেও হত্যা করতে হবে! আরও গুজব আছেÑ খালেদাকে হয় শেখ হাসিনা সরকার পতন, নয় কোন পুত্রের মৃত্যুÑ এর যে কোন একটি তার জন্য বরাদ্দ আছে! এ সব গুজবের সত্যি-মিথ্যা কেউ জানে না। গুজবের কোন সাক্ষী প্রমাণও থাকে না। কিন্তু কোন মা সন্তানের মৃত্যু গ্রহণে কখনও কি রাজি হতে পারে? সে জন্যই কি গণ-ঘৃণ্য পাকিস্তানে তৈরি পেট্রোলবোমা দিয়ে জনগণকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে মারার অসাধ্য বর্বরতম কুকর্মটি তিনি অব্যাহত রাখলেন?

খালেদা জিয়া মায়ের জন্য পৃথিবীর সবচাইতে বড় আঘাতটি পেয়েছেন। তিনি এখনও একটা কাজ করে নিজেকে ও জনগণকে রক্ষা করতে পারেন, দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হাতে দলের ভার দিয়ে চলে যেতে পারেন অন্তরালে; বিদায় নিতে পারেন এই ‘দাসত্বের অপরাজনীতি’ থেকে। ফিরে যেতে পারেন কোকোর ছেলেমেয়েদের মানুষ করার স্বাভাবিক একজন দাদির ভূমিকায়! সন্তানের মৃত্যুর পর মা নিজের মৃত্যুই তো কামনা করেন! শান্তি তাঁর চাওয়ার আর কি বাকি থাকতে পারে! মৃত্যুর আগে স্বাভাবিক মানুষ হওয়ার পথ তো খোলা আছে যে পথ কোন ক্ষমতাধর কখনও বন্ধ করে রাখতে পারে না!

খালেদার দীর্ঘদিনের এই অপরাজনীতি যে তাঁর নিজের পুত্রসহ বহু দানব সৃষ্টি করেছে, তা তিনি ভালই জানেন। সে প্রক্রিয়া বন্ধ করে নাতি-নাতনিদের মানুষ করুন, জনগণকে শান্তিপূর্ণ-নিরাপদ জীবন, গণতান্ত্রিক রাজনীতি চর্চার সুযোগ ফিরিয়ে দিনÑ এটিই জনগণের ইচ্ছা। তবু তখন মানুষ একটু হলেও কৃতজ্ঞ হবে।

লেখক : শিক্ষাবিদ, গবেষক

প্রকাশিত : ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০২/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: