কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক সমীপে

প্রকাশিত : ৭ জানুয়ারী ২০১৫

কবে আমরা সচেতন হব

ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন যেন মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। খোদ রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য নিয়োজিত লোকবল হেয়ালিপনা করছে। নেই কাজের প্রতি ন্যূনতম দায়িত্ব ও শ্রদ্ধাবোধ। কমলাপুর আইসিডি রেল ক্রসিংয়ে ট্রেন কভার্ড ভ্যান সংঘর্ষের ঘটনার দিকে তাকালেই বোঝা যায়। ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে একমাত্র কার্ভার্ড ভ্যান চালকে দায়ী করা হয়েছে। দুর্ঘটনা পর বাংলাদেশ ট্রাক কভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ কভার্ড চালক কর্মচারী ইউনিয়নের মতে ঘটনার দিন আইসিডি রেল ক্রসিংয়ে কোন নিরাপত্তা কর্মী ছিল না, এমন কি একজন গেটম্যানকেও দেখা যায়নি। সরকারের রাজস্ব আয়ের জায়গা কমলাপুর আইসিডি অথচ সেখানে নেই নিরাপত্তার কোন ছোয়া। দায়িত্ববান রেলের গেটম্যানরা যার যার মত রেল লাইনের পাশে নিজেদের চায়ের দোকান নিয়ে ব্যস্ত। কখন তাদের সময় হবে রেল গাড়ী আসলে সতর্ক বার্তা দেয়া? ঘটনার দিন উপস্থিত দায়িত্বে থাকা গেট ম্যানরা চায়ের দোকানে বসে আড্ডা মারছিল।

দুর্ঘটনার পর অকেজো সিগন্যাল বাতিগুলো মেরামত করা হয়েছে। আর রেল লাইনের দুই পাশে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সবকিছু ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও দায়ী। ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষের টনক নড়লেও এখনও অরক্ষিত রয়েছে আইসিডি এর ভেতরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

এলাকাবাসীরা বলেন, পুনরায় যদি সঠিকভাবে আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করে তাহলে হয়তো বেরিয়ে আসতে পারে দুর্ঘটনার সঠিক তথ্যগুলো।

প্রতিটি ঘটনা ঘটে যায় কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই যেন সেই রেশ উধাও। অথচ দোষীরা সব সময় ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকে। সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসতো। আমরা চাইনা কোথাও ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরতে। আর নিজেদের দায়িত্ববোধ কবে আমাদের মধ্যে জাগ্রত হবে কবে? আমরা সচেতন হবো। তা না হলে সরকার কখনই একা একা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে পারবে না।

মাসুম রেজা

ঢাকা।

ভর্তি পরীক্ষা : একটি প্রস্তাব

সারাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হয়। ফরম তুলতে হয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পরীক্ষার জন্য দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটতে হয়। এতে অর্থের অপচয় হয়, শারীরিক পরিশ্রমসহ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে বেগ পেতে হয় অনেক। মেডিক্যলে ভর্তি পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশের একযোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাক্রম অনুসারে নির্বাচন করে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জন্য। যে সমস্ত জেলায় মেডিক্যাল কলেজ আছে সেখানেই দেওয়া হয় ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র। এতে শিক্ষার্থীরা নিজনিজ জেলার কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পায়। শারীরিক পরিশ্রম, অর্থের অপচয়, থাকা-খাওযার দুশ্চিন্তা হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষার মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশের একযোগে অনুষ্ঠিত হলে শিক্ষার্থীরা উল্লিখিত সুবিধা পেতে পারে। বিষয়টি ভেবে দেখার অনুরোধ জানাই।

মিজানুর রহমান

কুষ্টিয়া।

প্রকাশিত : ৭ জানুয়ারী ২০১৫

০৭/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: