মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

দখল করে মার্কেট নির্মাণ করছেন জামায়াত নেতা !

প্রকাশিত : ৬ জানুয়ারী ২০১৫
  • ফটিকছড়িতে জেলা পরিষদের জমি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফটিকছড়ি, ৫ জানুয়ারি ॥ উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার আওতাধীন নাজিরহাট বাজারে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নিজস্ব ৪৭ শতক জায়গা স্থানীয় এক জামায়াত নেতার নেতৃত্বে দখলে নিয়ে দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে। আইনকে তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক জবরদখল করে দোকান নির্মাণ করাতে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফজাল হোসেন জানান, উপজেলার পূর্ব ফরহাদাবাদ মৌজার বিএস ৮১০, ৮১৩, ৮১৪ ও ৮৬০ দাগসহ ৫ নম্বর খতিয়ানের বিভিন্ন শ্রেণীভুক্ত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সম্পত্তি। এসব দাগের ৪৭ শতক জমিতে মাটি ভরাট করে দখলে নিয়ে তাড়াহুড়া করে দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে। জেলা পরিষদ কার্যালয় সূত্র জানা যায়, এসব জায়গা নিয়ে ইতোমধ্যে উচ্ছেদ মামলা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করলেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। উপজেল পরিষদ চেয়ারম্যান এম তৌহিদুল আলম বাবু জায়গা জবরদখলের কথা স্বীকার করে বলেন, ডোবা ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করার আগে জেলা পরিষদ দোকান বরাদ্দ দিতে আবেদন সংগ্রহ করেছিল। কিন্তু কিছু দুর্বৃত্ত ইতোমধ্যে ওই জায়গা দখল করে নিয়েছে। এসব জায়গা দ্রুত উচ্ছেদ হওয়া জরুরী। এলাকাবাসী জানান, এসব জায়গা দখলে নেতৃত্বে রয়েছেন স্থানীয় জামায়াতের এক নেতা। জামায়াত নেতা আবু তাহের বাচা ওরফে বড় বাচা এসব জায়গা দখলের সঙ্গে জড়িত। সরকার এসব অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে দ্রুত মার্কেট নির্মাণ করে বরাদ্দ না দিলে আরও অনেক জায়গা এভাবে বেদখল হয়ে যাবে। জামায়াত নেতা আবু তাহের এসব সম্পত্তি নিজের দাবি করে বলেন, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির উপর নিজ খরচে ইতোমধ্যে একাধিক দোকান নির্মাণ করেছি। জেলা পরিষদের সম্পত্তি বলতে এখানে কিছু থাকলেও তা আমি দখল করিনি। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ সালাম বলেন, সরকারী জায়াগা দখলের অভিযোগ পেয়েছি। আদালতের নির্দেশনা সাপেক্ষে অবৈধ নির্মাণাধীন স্থাপনা শীঘ্রই উচ্ছেদ করা হবে।

বাউফলে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাউফল, ৫ জানুয়ারি ॥ বাউফলে জুয়েল রানা (২৮) নামে অস্ত্র মামলায় সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার ভোরে বাউফল থানার এসআই জিয়াউল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তার বাবার নাম হাবিবুর রহমান। ২০১০ সালের একটি অস্ত্র মামলায় (মামলা নং- জিআর ৩৭৭/১০) পটুয়াখালীর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারদ- প্রদান করেছিল।

প্রকাশিত : ৬ জানুয়ারী ২০১৫

০৬/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: