কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

চাই সমাধান

প্রকাশিত : ২ জুলাই ২০১৫
  • আফিফী ঈশিতা

যানজট থেকে মুক্তির কিছু উপায় নিচে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমরা যদি সরকারি, ব্যক্তি মালিকানাধীন অফিস এবং গার্মেন্টসের দিকে লক্ষ করি তবে দেখতে পাই, এক শ’ ভাগ অফিসের মধ্যে নব্বই ভাগ অফিসের সময়সূচী প্রায় অভিন্ন। এই সময় পরিবর্তন করেও অনেকটা যানজট কমানো সম্ভব। বিভিন্ন অফিসের শুরু ও শেষের সময়টা একটু আগ পিছ করে দিলে যানজটের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

দ্বিতীয়ত, উড়াল সড়কের মাধ্যমে যানজট কমানো সম্ভব। তবে একটি উড়াল সড়ক তৈরি করতে যদি সময় লাগে বছরের পর বছর তাহলে যানজট কমার আশা এই এলাকায় দু’চার বছরের মধ্যে করা ঠিক হবে না। তাই নির্মাণ কাজ তাড়াতাড়ি করে নিলে ভাল হয়।

অনেক সময় ছোট ছোট সমস্যাই বড় ধরনের সমস্যায় পরিণত হয়। তাই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকার পর্যন্ত সবার সচেতনতা দরকার।

ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে

গাড়ির শহর মানুষের বহর

জান্নাতুল ফেরদৌস এনা

এই রাজধানী শহরটা ভারী অদ্ভুত। ভবনে ঠাসা, কোন ফাঁকা জায়গা নেই, তারপরও মানুষকে খোলা আকাশের নিচে বাস করতে হয়। আর বাইরে বেরুলে গাড়ির পরিমাণ এত বেশি থাকে যে রাস্তার পর রাস্তা পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে হয়। এই বাড়ি ফেরার অনুভূতি যে কতো কষ্ট আর যন্ত্রণার সেটা নিজস্ব এসি গাড়িতে বসে উপলব্ধি করা যাবে না। গাড়িগুলো এই শহরে ঘুরে বেড়ায়। আয়তনের দিক থেকে রাস্তার দৈর্ঘ্য প্রস্থ না বাড়লেও গাড়ির সংখ্যা দেখে বলে দেয়া যাবে মস্তবড় ধনী এই দেশ !

ধনী দেশের চিত্রটা একটু ঘুরিয়ে দেখি। এই ধনী দেশের একজন গরীব কর্মজীবী মানুষ আমি। প্রতিদিন আমাকে নয়টা পাঁচটা অফিস করতে হয়। অফিসে আসার জন্য বাসে যাতায়াত করতে হয়। আমার বাসা থেকে অফিস পর্যন্ত কোন সরাসরি বাস নেই। লোকাল বাসই আমার ভরসা। বাসে কখনো সিটের আশা করি না, দাঁড়ানোর জায়গা পেলেই ভাগ্যকে মনে মনে কতো প্রশংসা করি। তিন চারটা বাস মিস করে একটাতে কোনরকম উঠে যাত্রীদের ধাক্কা, গরম, ঘামের গন্ধ সবকিছুই হাসিমুখে মেনে নিয়ে খুশি থেকে আমি আমার গন্তব্যে পৌঁছাই। কিন্তু না। আমি পৌঁছাচ্ছি, কিন্তু সময়মতো পৌঁছাচ্ছি না। যেখানে আমি একঘণ্টায় পৌঁছতে পারি সেখানে সাড়ে তিন ঘণ্টা লেগে যায়। তাই এর খেসারত হিসেবে অফিস মাস শেষে বেতনের থেকে টাকা কেটে নেয়। এখানেই শেষ নয়। ঠিক বাসায় ফেরারও একই চিত্র। রমজানের শুরু থেকে তো আরো ভয়াবহ অবস্থা। ইফতারের তিন ঘণ্টা আগে বের হয়েও মাগরিবের আযানের একঘণ্টা পরে পৌঁছতে হয় বাসায়। রাস্তায় গরমে বাসের মধ্যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেটে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। মেনে নেওয়া ছাড়া কী করতে পারি আমরা ?

তেজগাঁও, ঢাকা থেকে

প্রকাশিত : ২ জুলাই ২০১৫

০২/০৭/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: