কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

বাংলাদেশ বছরে ২০ হাজার কোটি টাকা আয় করতে পারবে

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫
  • চারদেশীয় পরিবহন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন হলে-

রাজন ভট্টাচার্য ॥ চার দেশের মধ্যে অভিন্ন পরিবহন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন হলে বছরে বাংলাদেশের আয় হবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এজন্য বাংলাদেশের সড়ক অবকাঠামোগত নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা। আদায় হবে ১৫ ধরনের মাসুল। এই চুক্তির সঙ্গে চীন ও মিয়ানমারকে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে। আগ্রহী যে কোন দেশ শর্ত মেনে চুক্তির আওতায় আসতে পারে। ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনে ১৯ স্থলবন্দর ব্যবহার করতে পারবে বাংলাদেশ। নেপাল ও ভুটান যেতে প্রাথমিকভাবে চারটি পথ ঠিক করা হয়েছে। এদিকে চুক্তি অনুযায়ী চার দেশের মধ্যে সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে যাত্রীবাহী যান চলবে। আগস্টের মধ্যে চূড়ান্ত হবে চুক্তির সার্বিক কর্মপরিকল্পনা। চুক্তি বাস্তবায়নে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি/প্রটোকলসমূহ আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বাক্ষর হতে পারে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় শর্তাবলীসহ অন্যান্য অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। অক্টোবরে এই চার দেশের মধ্যে গাড়ির শোভাযাত্রা হবে। আগামী বছরের শুরুতে যানবাহন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

গত ১৭ জুন ভুটানের রাজধানী থিম্পুর একটি হোটেলে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের (বিবিআইএন) মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তিতে চার দেশের সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রীরা সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও ব্যক্তিগত গাড়ি এই চার দেশের মধ্যে চলাচল করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব দেশে অর্থনীতিতে এই চুক্তি নতুন ধারা সঞ্চার করবে। পারস্পরিক সম্পর্কে যোগ করবে নতুন মাত্রা। ৮ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে চুক্তির খসড়া অনুমোদন হয়। চুক্তি স্বাক্ষর করতে ১২ জুন ভুটান যায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল।

সূত্রগুলো বলছে, বাণিজ্য চুক্তির আওতায় ট্রানজিট সুবিধা গ্রহণ ও প্রদান করা হবে। সাতটি সড়ক, সাতটি রেল ও তিনটি নৌপথ দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানকে ট্রানজিট দেয়ার কথা ছিল। এই পথগুলোর মাধ্যমে ট্রানজিট সুবিধা দিতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে অবকাঠামো উন্নয়ন ও পথগুলো ট্রানজিটের উপযোগী করতে। এতে পরিবহন বাবদ ১৫ ধরনের মাসুল আদায় করতে পারবে বাংলাদেশ। আর তাতে বছরে আয় হবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া চারদেশীয় ট্রানজিটের ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ট্রানজিট চুক্তির মূল কেন্দ্র হচ্ছে বাংলাদেশ। চারদেশীয় এই ট্রানজিট চুক্তির বিষয়ে খুটিনাটি ঠিক করতে সরকার তার আগের মেয়াদেই একটি কোর কমিটি করেছিল। সেসময় ওই কমিটি সম্ভাব্য রুট, অবকাঠামো উন্নয়ন ও এ খাতে ব্যয়সহ অর্থনৈতিক সমীক্ষা তৈরি করে। কমিটির ওই সুপারিশে ট্রানজিটের জন্য মাসুল আদায় করার প্রস্তাব করা হয়। প্রতিবেদনে সেই সময় ট্রানজিটের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নে ৪৯ হাজার ৯২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব করে। এর মধ্যে সড়ক পথের উন্নয়নে ১১ হাজার ৯৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, রেলপথ উন্নয়নে ৩২ হাজার ২৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা, নৌপথ উন্নয়নে ১ হাজার ১৭১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় ধরে। তবে শেষ পর্যন্ত সড়কপথের চুক্তি প্রাধান্য পেয়েছে।

মাসুল আদায় প্রসঙ্গে ওই সময় বলা হয়, বাংলাদেশের ভূখ- ব্যবহারের জন্য মালামাল বহনকারী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরিবহনের অবস্থানের সময়, যাতায়াতের দূরত্ব, লোডিংয়ের পরিমাণ, দুর্ঘটনা, পরিবেশ বিপর্যয় এ জাতীয় ইন্ডিকেটরের আন্তর্জাতিক মানদ- বিবেচনায় নিয়ে মাসুল আদায় করা যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপালের মধ্যে সড়ক পথে যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল সংক্রান্ত চুক্তির বিষয়টি নতুন নয়। অনেক আগে থেকেই এ বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের ভূখ- ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে পণ্য রফতানি করা যাবে। ফলে দেশের রফতানি বাণিজ্যও সম্প্রসারণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হলো। এছাড়া ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশের ওপর দিয়ে নিতে হলে তাতেও মাসুল আদায় করা যাবে। সব মিলিয়ে এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ লাভবান হবে। তিনি বলেন, শুধু এই চার দেশ নয়, নতুন করে বিসিআইএম করা হচ্ছে। এটি হলে আঞ্চলিক বাণিজ্যে নতুন করে যুক্ত হবে চীন এবং মিয়ানমার। সেটিও করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

চুক্তি কার্যকর হলে যা পাবে বাংলাদেশ ॥ আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে প্রতিবেশী চার দেশের সঙ্গে ট্রানজিট চুক্তি করা হলে বাংলাদেশ কতটুকু লাভবান হবে তা নিয়ে কাজ করছে এ সংক্রান্ত কোর কমিটি। এছাড়া সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী কয়েকটি সংগঠনও এটি নিয়ে গবেষণা করছে। ইতোপূর্বে কোর গ্রুপ যে প্রতিবেদন দিয়েছে তাতে অবকাঠামো বিনির্মাণ ও উন্নয়নসাপেক্ষে বছরে এক কোটি ৭৩ লাখ টন পণ্যবাহী কার্গো পরিবহন হবে। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ট্রানশিপমেন্ট দেয়া হলে ১৮ লাখ টন কার্গো পরিবহন হবে। সাতটি সড়ক, সাতটি রেল ও তিনটি নৌপথ দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানকে ট্রানজিট দেয়া সম্ভব।

চার দেশের মধ্যে চুক্তির ফলে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে কতটুকু লাভবান হবেÑ এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী নেতা শহিদুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, আর্থিক দিক বিবেচনা করলে যে কোন কানেকটিভিটিই ভাল। এই চুক্তির ফলে আমরাও আর্থিক দিক থেকে লাভবান হবÑ এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে চুক্তিতে দেশের অর্থনৈতিকসহ সার্বিক উন্নয়নে কী কী শর্ত আরোপ করা হয়েছে তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, চুক্তির ফলে শুল্ক আয় বাড়বে। এছাড়াও চুক্তিতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালা অনুযায়ী ট্রানজিট ফি নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেন।

যানবাহন চলাচলের পথ ॥ বাংলাদেশে এখন ২০ স্থলবন্দর রয়েছে। এর ১৯টিই ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত। টেকনাফ বন্দরটি মিয়ানমারের সঙ্গে। বিদ্যমান সব বন্দর দিয়েই বাংলাদেশ-ভারত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। চার দেশের গাড়ি চলাচলের চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ থেকে ভারতের সঙ্গে আপাতত যেসব পথে যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করবে তার মধ্যে আছেÑ ভারতের কলকাতা থেকে পেট্রাপোল, বাংলাদেশের বেনাপোল, ঢাকা-আখাউড়া হয়ে আগরতলা। দ্বিতীয় পথটি হলোÑ ভারতের আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর। তৃতীয় রুট হলোÑ ভারতের শিলচর থেকে বাংলাদেশের সিলেটের সুতারকান্দি নিয়ে বেনাপোল হয়ে কলকাতা। তবে বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে যাওয়া-আসার জন্য প্রাথমিকভাবে দুটি করে চারটি পথ ঠিক করা হয়েছে। বাংলাদেশ-ভুটানের পথ হবে দুটি। একটি হলো ভুটানের সামদ্রুপ জংঘার থেকে ভারতের গুয়াহাটি-শিলং হয়ে বাংলাদেশের সিলেটের তামাবিল সীমান্ত হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত। আরেকটি ভুটানের রাজধানী থিম্পু থেকে ফুয়েন্টশোলিং ও ভারতের জাইগাটও হয়ে বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কিংবা মংলা বন্দর পর্যন্ত। বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে চিহ্নিত একমাত্র পথ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে কাটকরভিটা হয়ে ফুলবাড়ী দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর বা মংলা বন্দর পর্যন্ত যাবে।

চুক্তির পর এখন চিহ্নিত বিভিন্ন পথের সমীক্ষা, পরীক্ষামূলক গাড়ি চলাচল ও অভিবাসন সুবিধা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে নেপালে যেতে ঢাকা-বাংলাবান্ধা-জলপাইগুড়ি-কাঁকরভিটা এবং ঢাকা-বুড়িমারী-চেংরাবান্ধা এ দুটি পথ ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আর ভুটানের পথ দুটি হচ্ছে ঢাকা-বুড়িমারী চেংরাবান্ধা এবং অন্যটি ঢাকা-সিলেট-শিলং-গুয়াহাটি। সম্প্রতি ঢাকা-শিলং-গুয়াহাটি পথে পরীক্ষামূলক বাস চালু করা হয়েছে, সেটি দিয়ে ইতোমধ্যে কয়েকজন ভুটানী ভ্রমণ করেছেন। সূত্র জানায়, চুক্তিতে যাত্রীবাহী যানবাহন বলতে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত বাস, ভাড়ায় চালিত বাস-কার ও ব্যক্তিগত গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর পণ্যবাহী যানের মধ্যে রয়েছে কন্টেনার বহন করা যায় এমন ট্রেইলর ও ট্রাক।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফারুক জলিল জনকণ্ঠকে বলেন, চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ থেকে বাংলাবান্দা সীমান্ত দিয়ে নেপালে যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করতে পারবে। এছাড়াও বুড়িমারী সীমান্ত পথে ভারত হয়ে ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন সহজ হবে। তবে চুক্তিতে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রুট ব্যবহার ও এ সংক্রান্ত বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।

কোন যান কিভাবে চলবে ॥ ব্যক্তিগত গাড়ি অনিয়মিত যান হিসেবে বিবেচিত হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যারা যেতে চান, তাদের ৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হবে। যাত্রার যেসব উদ্দেশ্যের কথা বলা হয়েছে সেগুলো হচ্ছেÑ পর্যটন, তীর্থযাত্রা, বিয়ে অনুষ্ঠান, চিকিৎসা, শিক্ষা সফর, রেলস্টেশনে যাওয়ার জন্য যাত্রা। এ ধরনের যাত্রীদের যাত্রাকালে জ্বালানি ভরে যেতে হবে। কোন শুল্ক না দিয়েই নিতে পারবেন প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ। পথে জ্বালানির প্রয়োজন হলে ভর্তুকিবিহীন দামে জ্বালানি নিতে পারবেন। দুর্ঘটনায় পড়লে নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই গাড়ি নিয়ে যতবার ভ্রমণ করবেন, ততবার অনুমোদন নিতে হবে।

চার দেশের মধ্যে রুট পারমিট বাধ্যতামূলক ॥ চুক্তির খসড়া অনুযায়ী চার দেশের মধ্যে চলাচলের রুট পারমিট নিতে হবে। এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার সময় মাঝপথে কোন যাত্রী বা মালামাল তোলা যাবে না। যে দেশের ওপর দিয়ে মালামাল যাবে, সেই দেশের কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে সার্চ ইন্সপেকশন করতে পারবে। যান চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশ নিজেদের নির্ধারিত হারে ট্রানজিট ফি আদায় করতে পারবে। তিন বছর পরপর এই চুক্তি নবায়ন করতে হবে এ কথা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, চুক্তি অনুযায়ী ইউরোপের মতো এই চার দেশের মধ্যে ২০১৬ সালে মোটরযান চলাচল শুরু হবে। চুক্তি সই হওয়ার পর এর প্রটোকল নিরাপত্তাসহ বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রটোকল হতে কয়েক মাস লাগবে। আশা করছি ২০১৬ সালে আমরা নতুন যাত্রা শুরু করতে পারব। যাতায়াতে ভিসা বা ইমিগ্রেশন আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে করা হবে। তিনি জানান, এ সুবিধা নিতে সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থাৎ ছয় হাজার ৪০০ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক রুটের বাংলাদেশ অংশের সব সড়ক ফোরলেন করার কথা জানান মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ঢাকা-থিম্পু, সরাসরি বাস সার্ভিস চালু, ঢাকা-শিলং গুয়াহাটি বিদ্যমান বাস সার্ভিস সম্প্রসারণ করে ভুটানের সামডুরপ জনকার পর্যন্ত চালু এবং ভুটান কর্তৃক সৈয়দপুর বিমানবন্দর ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এছাড়া ভুটানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ থেকে খাদ্য, গার্মেন্টস, নির্মাণ সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশের ফলমূল, বিদ্যুত রফতানির প্রস্তাব দেয়ার কথা জানান মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, চার দেশের যানবাহন চলাচল করবে নিজ-নিজ দেশের শুল্ক আইনে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো হবে সাদা রঙের। দুই পাশে হলুদ রং দিয়ে ইংরেজী এবং নিজ নিজ দেশের রাষ্ট্রীয় ভাষায় পরিবহনের নাম, দেশের নাম, যাত্রা শুরু ও শেষের স্থানের নাম এবং পথ লেখা থাকবে।

প্রকাশিত : ২০ জুন ২০১৫

২০/০৬/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: