কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

উল্টোপথে ট্রেন নাশকতা কিনা খতিয়ে দেখতে তিন তদন্ত কমিটি

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজবাড়ী, ১৩ এপ্রিল ॥ রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুরগামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনটির ইঞ্জিন ড্রাইভার মোহাম্মদ আলী জামায়াতের একজন সদস্য এবং তার পরিবারের সদস্যরা জামায়াত রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার আগের দিন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসির পর রাজবাড়ীতে বড় ধরনের কোন নাশকতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চলছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যেই ৩টি তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রবিবার সকালেই এডিসি জেনারেল আসাদুজ্জামান কবিরকে প্রধান করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, নাশকতার কোন উদ্দেশ্য ছিল কিনা এবং দায়ী কারা এ ব্যাপারে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে। অপরদিকে রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা এএইচএম আকরামুল হককে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও কাজ শুরু করেছে।

এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে রেলওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি কমিটিও সোমবার রাজবাড়ীতে তদন্ত কাজ শুরু করছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজবাড়ীতে পৌঁছে ড্রাইভার মোহাম্মদ আলী, সহকারী ড্রাইভার ফয়সাল এবং গার্ড সুভাষ চন্দ্র সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদ, ট্রেন ইঞ্জিন ও রাজবাড়ী থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে যেখানে ট্রেনটি থামানো হয়েছিল সেখানে পৌঁছে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তদন্তকালে অতিরিক্ত রেলপুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদ সোমবার দুপুরে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, ড্রাইভার মোহাম্মদ আলীর বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নলিয়াজামালপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে। এলাকায় তিনি জামায়াতের একজন সক্রিয় সদস্য এবং তার পরিবারের সদস্যরা জামায়াত রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার আগের দিন কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসির পর রাজবাড়ীতে বড় ধরনের কোন নাশকতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রেলওয়ে বিভাগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ ব্যপারে কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে ট্রেনের ড্রাইভার, সহকারী ড্রাইভার এবং গার্ডকে পুলিশী নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। মামলা দায়ের হলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল ২০১৫

১৪/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: