মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

‘বাঙালীর জাতীয় রাষ্ট্র’ একটি পর্যালোচনা

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ ২০১৫
  • ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন

১৯৬২ সালে ‘নিউক্লিয়াস’ গঠনের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের যে স্বপ্ন-যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনজন বরেণ্য মানুষ তা এভাবেই পরিণতির দিকে অগ্রসর হলো। গতকালের পর আজ শেষ কিস্তি

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে কাজী আরেফ লেখেন, “এই বক্তব্যের দিকনির্দেশনা ছিল বহুমুখী ও সুদূরপ্রসারী। সমগ্র জাতিকে তা আলোড়িত ও উদ্দীপ্ত করেছিল স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। বাঙালী জাতিকে রক্তের সাগর পাড়ি দিতে অনুপ্রাণিত করেছিল যার ফলে আমাদের স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে রূপ নিয়েছিল।” (পৃষ্ঠা, ১০০)

কাজী আরেফ ১৬ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠকের নানা তথ্য দিয়েছেন। ২২ মার্চ বৈঠকে একটা সমঝোতা হয়।

‘গণহত্যা বা অপারেশন সার্চ লাইট’ অধ্যায়ে কাজি আরেফ সিদ্দিক সালেকের বর্ণনায় নানা তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো উদ্ধৃত না করে ‘২৫ মার্চ ও তারপরের কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা’ অধ্যায়ের কিছু তথ্য উল্লেখ করব।

২৫ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা আছে। হানাদার বাহিনীর প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল ঢাকা ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো, পিলখানায় ইপিআর হেডকোয়ার্টার, রাজারবাগ পুলিশ ক্যাম্প, হিন্দু বসতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ঘিরে বস্তি এলাকা। (পৃষ্ঠা, ১১৭-১১৮)

“৩০ মার্চ দুপুরে মনি, হাসানুল হক ইনু, শরিফ নুরুল আম্বিয়া ও নজরুল ইসলামসহ (শহীদ) লালবাগ দিয়ে নদী পার হয়ে কোনাখলা স্কুলে পৌঁছাই। সেখানে আ স ম আবদুর রব, শাজাহান সিরাজ, স্বপন কুমার চৌধুরীর সাথে মিলিত হই। ... কোনাখলা ক্যাম্প থেকে সবাইকে বিদায় দিয়ে বিকালের দিকে রুহিতপুর গেলাম। সেখানে নিউক্লিয়াসের তিনজন- সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক ও আমি দেশের ভেতর শেষবারের মতো বৈঠকে মিলিত হই। ঠিক হলো আমি ঢাকা শহরের মুক্তিযুদ্ধের পরিচালনায় থাকব। আবদুর রাজ্জাক ট্রেনিং ও অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহের জন্য ভারতে যাবেন। সিরাজ ভাই অস্ত্রশস্ত্র গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরায় অবস্থান করবেন।” (পৃষ্ঠা, ১২০)

পাকিস্তানী আক্রমণের একেবারে শুরুতে পাকিস্তানী বাহিনীর দালালদের কথা কাজী আরেফের লেখায় পাই, জীবন নিয়ে পলায়নপর শরণার্থী বিশেষ করে হিন্দুদের আক্রমণ করেছে তারা, সর্বস্ব লুট করেছে, মেয়েদের ধরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে ডাকাত রমজানের কথাও আছে, যে বলেÑ

“‘আমার ইচ্ছা আছে পাঞ্জাবীদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করছে। আমি তার প্রতিশোধ নেব। ... ট্রেনিং লইয়া অস্ত্রশস্ত্র লইয়া তাড়াতাড়ি ফিরবেন। আমাগো এদিক দিয়া গেলে দেখা কইরা যাইবেন।’ ডাকাতের এই ধারণা, মন-মানসিকতা, বিশ্বাস, দেশপ্রেম ও নারী জাতিরপ্রতি শ্রদ্ধা আমাকে বিমোহিত করলো।” (পৃষ্ঠা, ১২৪)

আবদুর রাজ্জাক ৬ এপ্রিল সাতক্ষীরা থেকে, সিরাজুল আলম খান মোল্লার হাট থেকে ৩ এপ্রিল এবং কাজী আরেফ মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা থেকে কলকাতায় পৌঁছান। ইতোপূর্বে ৮৫-৮৭ পৃষ্ঠায় বর্ণিত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা যেখানে প্রবাসী সরকার গঠন, নেতাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন, কলকাতায় যোগাযোগের ঠিকানা ইত্যাদি বিষয়ে বলা হয়েছে। কাজী আরেফ লিখছেন, সে অনুযায়ী কাজ না করে তাজউদ্দীন আহমেদের একক সিদ্ধান্তে দিল্লীতে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করে ৫ এপ্রিল আকাশবাণী দিল্লি থেকে ‘স্বাধীন বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার’ এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীনের নাম ঘোষণাÑ

“তাঁর রাজনৈতিক সহযোগীদের, এমনকি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের অন্যান্য দল, মত ও নেতা-নেতৃত্বকে বিভ্রান্তিতে ফেলে। ... তাই এর প্রতিবাদে ৭ এপ্রিল আবদুর রাজ্জাকের আহ্বানে কলকাতার ক্রিট স্ট্রিটে এমএলএ হাউজে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কামরুজ্জামান (রাজশাহী)। ... উক্ত বৈঠকে ক্যাপ্টেন মনসুর আলিও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তাজউদ্দীনের দিল্লী যাওয়া এবং নিজেকে ‘প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী’র পরিচয় দেয়াকে তাঁর নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে বিবেচিত হয়। উক্ত সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, প্রবাসী সরকারের প্রধান ও দেশের রাষ্ট্রপতি হবেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এবং পাঁচজন মন্ত্রীসহ সরকার গঠন করা হবে। তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম হবেন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট এবং তাজউদ্দীন হবেন প্রধানমন্ত্রী। ক্যাপ্টেন মনসুর আলি প্রস্তাবটি সমর্থন করেন। শেখ মুজিবই হবেন মুক্তিযুদ্ধের সুপ্রীম কমান্ডার বা সর্বাধিনায়ক। তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম হবেন ভারপ্রাপ্ত সর্বাধিনায়ক। সভার এই প্রস্তাবই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। তখনো পর্যন্ত সৈয়দ নজরুল ও এমএজি ওসমানী কলকাতায় পৌঁছাননি।” (পৃষ্ঠা, ১৩০-১৩১)

কাজী আরেফের নিচের মন্তব্যটি প্রণিধানযোগ্য।

“সেদিনের প্রবাসী সরকারের খুব কাছের লোকেরা মনে করেন, তাজউদ্দীন সাহেবের সীমান্ত অতিক্রম করার পর থেকেই পাকিস্তানী আইন ও শাসনতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার লক্ষ্যে ‘৭০ সালের নির্বাচন ও নির্বাচনী আইন রক্ষার প্রবণতার পেছনে একটি বিশেষ মহল জড়িত ছিল। তাদের প্ররোচনায় শেখ মুজিব নির্দেশিত ‘বিপ্লবী কাউন্সিল’ গঠন করা হয়নি। তাজউদ্দীনকে তড়িঘড়ি করে দিল্লীতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর দিল্লী যাওয়ার একমাত্র সঙ্গী ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলামের কৃতিত্ব উল্লেখযোগ্য। মোটকথা ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নান, ও মইদুল হাসানকে তাজউদ্দীন আহমেদকে ঘিরে নয় মাসের একটি ভিন্ন কার্যক্রমে রত থাকতে দেখা যায়।” (পৃষ্ঠা, ১৩২-১৩৩)।

অবশ্য, ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম ১৯৮৩ সালের জুন মাসে দেয়া একটি সাক্ষাতকারে এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বলেছেন। ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিল পত্র : পঞ্চদশ খণ্ড’ বইতে প্রকাশিত সেই সাক্ষাতকারে জনাব ইসলাম বিপ্লবী কাউন্সিল গঠনের পরিবর্তে তাজউদ্দীনকে দিল্লী নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর নিজস্ব যুক্তি তুলে ধরেছেন। বঙ্গবন্ধুর সুস্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যারিস্টার ইসলামের তাজউদ্দীন আহমদকে প্রভাবিত করাটি কতটুকু ন্যায্য ছিল তা নিয়ে আলোচনা-গবেষণা চলতে পারে।

‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অন্যান্যদের অবদান’ লিখতে গিয়ে কাজী আরেফ সিরাজ শিকদার, দাউদ (দাউদ গ্রুপ), বিচারপতি ইব্রাহিম, মনোরঞ্জন ধর ও চিত্তরঞ্জন সূতারের কথা স্মরণ করেছেন। নিউক্লিয়াসের পাশাপাশি এরাও ‘৭১-এর অনেক আগে থেকে স্বাধীনতার চিন্তা করেছেন, কাজ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন বামপন্থী গ্রুপের স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে কাজী আরেফ বলেন, “এইসব কর্মকাণ্ডে তাঁরা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের চাইতে শ্রমিক-কৃষকদের আন্দোলনের উপর গুরুত্ব দিতেন। সে কারণে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে আসা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠে।”

এই অধ্যায়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের সাহায্য-সহযোগিতার কথাও কাজী আরেফ লিখেছেন। (পৃষ্ঠা, ১৪৪-১৪৬)

‘শেষ কথা’ হিসেবে দু’পাতার অভিমতে কাজী আরেফের প্রথম লাইনটিই হচ্ছে,

“বাঙ্গালির জাতীয় জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ।”

লিখেছেন, “বিশ্বের সকল জাতিই নিজেদের সশস্ত্র জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের সফলতা ও কাক্সিক্ষত লক্ষ্যকে জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গড়তে প্রাথমিক কাজেও হাত দেইনি।”

এমন একটি সরকারের প্রত্যাশা করেছেন যা,

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে দৃঢ়প্রত্যয়ী।”

একুশ শতকে বিশ্বব্যাপী আঞ্চলিক সহযোগিতার উদাহরণ টেনে ‘সার্ক আঞ্চলিক সহযোগিতা’ ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়িয়ে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন,

“আমরা বাঙালীরাও রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক জটিলতাকে গণতন্ত্র ও আরও ‘উন্নত গণতন্ত্রে’র যাত্রাপথে একুশ শতকের নতুন পৃথিবীকে আলিঙ্গন করতে চাই।”

কাজী আরেফ তাঁর ‘শেষ কথা’ শেষ করেছেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করে,

“সমাজ বিবর্তনের ধারায় রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, শাসক ও শাসিতের দ্বন্দ্ব-সংঘাত এবং জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের তীব্রতার পটভূমিতেই সঠিক ও নিরপেক্ষ ইতিহাস রচিত হতে হবে।”(পৃষ্ঠা, ১৫৯-১৬০)

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম কোন আপতিক ঘটনা ছিল না। দীর্ঘ ধারাবাহিক সচেতন পরিকল্পনা, চেষ্টা, উদ্যম এবং আন্দোলনের পথ বেয়েই মুক্তিযুদ্ধ এসেছে। বহু ক্ষীণ শাখা নদী একত্রে মিলিত হয়ে সৃষ্টি করে প্রশস্ত বেগবান নদী। তেমন নদীই ঠিকানা পায় সাগরে। সে সাগর ছিল মুক্তিযুদ্ধ। সে সাগর পাড়ি দিয়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন মাতৃভূমি বাংলাদেশ। বিশাল, বেগবান নদীর মতোই ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তা তিনি হতে পেরেছিলেন এই ভূখণ্ডের মানুষের বহু যুগের লালিত চিন্তা, স্বপ্ন ও উদ্যোগের সকল স্রোতধারাকে ধারণ করে, সমন্বিত করে। তারই এক বস্তুনিষ্ঠ বর্ণনা পাওয়া যায় কাজী আরেফ রচিত ‘বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র’ পুস্তকটিতে। নিঃসন্দেহে ‘নিরপেক্ষ ইতিহাস’ রচনায় কাজী আরেফের প্রত্যাশা পূরণে পুস্তকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্কোয়াড্রন লিডার আহসান উল্লাহ (অব) কাজী আরেফের অবর্তমানে তাঁর লেখা সংগ্রহ করে তা পুস্তক আকারে প্রকাশের দুরূহ কাজটি করেছেন। সেজন্য তিনি ধন্যবাদই। তবে পুস্তকে ছবি দিয়ে সম্পাদক হিসেবে তার কথা, ছবিসহ প্রকাশক মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের কথা, পুনরায় পুস্তকের শেষে ছবিসহ সম্পাদক পরিচিতি অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। মূল্যবান এই পুস্তকটির অঙ্গহানিও ঘটিয়েছে।

কাজী আরেফ রচিত ‘বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ আঁকর গ্রন্থ। এই গ্রন্থে কাজী আরেফের জীবন বৃত্তান্ত সংযুক্ত করাও যুক্তিযুক্ত হয়নি। আশা করি পরবর্তী সংস্করণে এসব বিষয়ে নজর দেয়া হবে। সমাজে চালিত হওয়ার জন্য মানুষের অভাব কখনও হয় না। কিন্তু নীতি-প্রণেতা যাঁদের দর্শন ও গভীর ভাবনা-সঞ্জাত দিকনির্দেশনা জাতিকে পরিচালিত করে, তারা হাতে গোনাই হন। কাজী আরেফ আহমেদ ছিলেন তেমন একজন মানুষ। ঘাতকের হাতে মৃত্যুবরণ না করলে কাজী আরেফ দেশ ও জাতির জন্য আরও বহু অবদানই রাখতে পারতেন। ‘বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র’ পাঠ করে এই বরেণ্য মানুষটির পূর্ণাঙ্গ জীবনী রচনায় কেউ না কেউ অবশ্যই এগিয়ে আসবেন।

(সমাপ্ত)

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ ২০১৫

৩০/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: