কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

তিতাস শুকিয়ে চৌচির ॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেচ সঙ্কট

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫
  • মরে যাচ্ছে বোরো ধান

স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ॥ অনেকটা বিবর্ণ। শীষে ঠিকই ধান আছে। শুকিয়ে চিকন হয়ে গেছে কোন কোন ধান গাছ। কোনটি আবার চিটা। কৃষক বাধ্য হয়ে সোনালি ধানের জমিতে গরু ছেড়ে দিয়েছে। তাতেও কিছুটা রক্ষা। এমন পরিস্থিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, নাসিরনগর ইরি জমিতে। কৃষক জমিতে এসে শুধুই হা হুতাশ করছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জমিতে পানি দিতে পারছে না। আর দিবেই বা কি ভাবে? নদী তো শুকিয়ে গেছে। এখানেই শেষ নয়। নদীর তলদেশ ফেটে এফোড় ওফোড়। গত ৫ দশকের ইতিহাসে এমনটি ঘটেনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার হাজার হাজার একর জমির ফসল উৎপাদন এখন অনিশ্চিত। স্থানীয় কৃষকদের হিসাব মতে, অন্তত ৭ হাজার হেক্টর জমির ইরি ধান বিনষ্টের পথে। সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে এর বাস্তব চিত্র মেলে। কৃষকরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। জনকণ্ঠকে বলেন, আমরা এখন কি খাব। কি নিয়ে বাঁচব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার হরিনবেড়, থেকে চুন্টা, মজলিশপুর থেকে বিজয়নগরের বিভিন্ন অংশে তিতাস নদী শুকিয়ে যাওয়ায় তীরবর্তী কৃষকদের মধ্যে হাহাকার চলছে। কারণ এখানকার কৃষকরা আশপাশে জমিতে ফসল উৎপাদন করে খেয়ে পড়ে বাঁচে। এই এলাকায় চান্দুরা, বুধন্তী, ইসলামসপুর, হরিপুর, শাখড়াদর, নড়া, শাহাজাদাপুর, মলাইশ, বুড্ডার বিশাল হাওড় অবস্থিত হাজার হাজার একর জমিতে পানি সেচ দেয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় ইরি মৌসুমে এসব এলাকয় অন্তত ৬/৭ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। ধান গাছ যখন বড় হয়ে ধানের থোড় বের হয় তখনই ঘটে বিপত্তি শুকিয়ে যায় তিতাস নদী। হরিনবেড়Ñচুন্টা পর্যন্ত অন্তত ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় নদীর পানি শুকিয়ে গেছে। জমিতে সেচ দেয়ার জন্য এসব এলাকায় অন্তত ৬-৭শ’ শ্যালো মেশিন রয়েছে। দেখা গেছে, নদী শুকিয়ে যাওয়ায় শ্যালো মেশিনের নিচের অংশ মাটিতে লেগে আছে। তিতাস নদীর মধ্য ভাগে মাটি ফেটে চৌচির।

বাগেরহাটে শ্রমিকলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ আহত ১০

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ মোড়েলগঞ্জে শ্রমিকলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শ্রমিকলীগ সভাপতিসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর জখম শ্রমিকলীগ নেতা জামাল শেখ (৪৮), শ্রমিক সর্দার কালু হাওলাদার (৪০), মতি আকন (৪৫) ও দুলাল শেখকে (৩৫) উপজেলা হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতরা হচ্ছেন, পৌর শ্রমিকলীগ সভাপতি আলমগীর হোসেন বাদশা (৫০), শ্রমিকলীগ নেতা আলম শেখ (৪৫), জনি শেখ (৩৫), শাজাহান শেখ (৩৫) ও কালাম হাওলাদার (৫০)। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামাল সমর্থক ও মতির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০-১২ শ্রমিক আহত হন।

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ ২০১৫

২৫/০৩/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



ব্রেকিং নিউজ: