মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

খালেদার বিরুদ্ধে রুলের শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত : ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৫
  • গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় উচ্চ আদালতে বিচারাধীন দুই রিট আবেদনের রুল শুনানি শুরুর জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শুরুর এ দিন ঠিক করেন।

এর আগে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় আটকে থাকা এ মামলা সচল করতে সম্প্রতি উদ্যোগ নেয় মামলাকারী দুদক। দুদকের আবেদনে জরুরী অবস্থার সময়ে দায়ের করা মামলাটি জরুরী ক্ষমতা আইনে অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা বিষয়ে রুলের শুনানি করতে বিষয়টি গত ২৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় আসে। ওই দিন ৪ ফেব্রুয়ারির কার্যতালিকায় বিষয়টি রাখার সিদ্ধান্ত দেন আদালত। এর মধ্যে খালেদার আরেকটি রিট আবেদনে দেয়া রুলের শুনানির জন্যও আবেদন করে দুদক। বুধবার আদালত উভয় রুল শুনানির জন্যই ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেন।

এদিকে, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এবার নাইকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির মামলা সচলের ও উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান হাইকোর্টের বিচারপতি মোঃ মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের বেঞ্চে এ দু’টি মামলার রুল শুনানির জন্য আবেদন করবেন। তিনি জানান, এ দুই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের রুল শুনানির জন্য আবেদন প্রস্তুতির কাজ শেষ পর্যায়ে। যেকোন সময় এ আবেদন করা হবে।

বুধবার আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট মোঃ খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল গৌতম রায় উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি জোটের হরতাল-অবরোধের মধ্যে খালেদার আইনজীবীরা কেউ আদালতে ছিলেন না। গত ২৮ জানুয়ারির শুনানিতে খালেদার পক্ষে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতে ছিলেন।

খালেদার একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মাশুক হোসেন আহমেদের বেঞ্চ রুল জারির মাধ্যমে এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছিল।

দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। পরদিনই খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। কোকো সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরী ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়। এতে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

প্রকাশিত : ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

০৫/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: