মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

টেরাকোটা মাধ্যমে সৃজিত ১৩ শিল্পীর ভাস্কর্য প্রদর্শনী

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী ২০১৫
টেরাকোটা মাধ্যমে সৃজিত ১৩ শিল্পীর ভাস্কর্য প্রদর্শনী
  • সংস্কৃতি সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রদর্শনালয়জুড়ে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে মৃত্তিকা মাধ্যমে গড়া ভাস্কর্য। এ যেন মাটির বুকে ভেসে উঠেছে শিল্পকর্ম। শিল্পীর শৈল্পিক ছোঁয়ায় কাদা আর মাটি পেয়েছে নানা রূপ। মেঝেতে বসে আছে অনাবৃত শরীরের রমণী। তার পাশেই ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে বিড়ালছানা। রূপায়িত হয়েছে মানব-মানবী প্রণয় দৃশ্য। বড় পরিসরে নির্মিত টেপা পুতুলটিও দারুণ নান্দনিক। আর টেরাকোটা মাধ্যমে গড়া এমন সব নান্দনিক শিল্পকর্ম এখন শোভা পাচ্ছে ধানম-ির গ্যালারি টোয়েন্টিওয়ানে। শুক্রবার থেকে এখানে শুরু হলো ১৩ শিল্পীর সৃজিত টেরাকোটা ভাস্কর্য প্রদর্শনী। সোসাইটি অব আর্টিস্টর আয়োজিত একটি কর্মশালার নির্বাচিত শিল্পকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে প্রদর্শনী।

বিকেলে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খ্যাতিমান ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ। তিনি বলেন, এটি শিল্পের অত্যন্ত আদি এক মাধ্যম। আগুন আবিষ্কারের পরই মূলত এর যাত্রা শুরু হয়। ভারতবর্ষের মধ্যে টেরাকোটায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থপতি আব্দুস সালাম।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ শিল্পী তৈয়াবুজ্জামান তপু বলেন, প্রদর্শনী আগে অনুষ্ঠিত কর্মশালার মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মাধ্যমে প্রাচীন, মধ্যম ও কৌশল উন্নত করা। আমরা এই আদিম, মধ্যযুগ ব্যবহৃত ভাস্কর্যকে একটি সমসাময়িক ও আধুনিক স্পর্শ যোগ করার চেষ্টা করেছি।

ভাস্কর তৈয়াবুজ্জামান তপু জানান, সোসাইটির সভাপতি শিল্পী মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ডিসেম্বরের ৫ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত। ওই কর্মশালায় দুই প্রশিক্ষকসহ প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া শিল্পীরা হলেন আফরোজা জামিল কান্তা, আজিজুর রহমান, শামীম সুব্রানা, এম আর দিদার, কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়, মুক্তি খাতুন, শাহিদা আখতার, সাহরাত ফাজা নাজমি, শওকাতুজ্জামান কচি, ওয়াহিদা আখতার।

৩৩টি শিল্পকম দিয়ে সাজানো প্রদর্শনী চলবে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।

আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি ॥ ফ্রেমে ফ্রেমে আগামী স্বপ্ন সেøাগানে ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল অষ্টম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। ৪৮ দেশের ২০০ ছবি নিয়ে চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী এ উৎসবের শেষ দিন ছিল শুক্রবার। বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে আয়োজনের শিশুদের জন্য চমৎকার এ আয়োজনের সমাপ্তি টানা হয়।

জহির রায়হান চলচ্চিত্র উৎসব ॥ বাংলা চলচ্চিত্রের আঙিনায় অনন্য এক নাম জহির রায়হান। দেশে প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তিনি। প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি ‘বাহানা’রও নির্মাতা তিনি। ষাটের দশকের গণআন্দোলনের পেক্ষাপটে নির্মাণ করেছিলেন ‘জীবন থেকে নেয়া’। তার নির্মিত ‘স্টপ জেনোসাইড’ বিবেচিত হয় মুক্তিযুদ্ধের দলিল হিসেবে। তার অনবদ্য ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘বেহুলা’, ‘আনোয়ারা’ ও ‘লেট দেয়ার বি লাইট’। শুক্রবার ছিল বরেণ্য এই নির্মাতার অন্তর্ধান দিবস। এ উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের আয়োজনে শুরু হলো তিন দিনের জহির রায়হান চলচ্চিত্র উৎসব। ছয়টি চলচ্চিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে এ উৎসব।

উৎসবের ™ি^তীয় দিন আজ শনিবার দেখানো হবে আরও দুটি চলচ্চিত্র। বিকেল চারটায় প্রদর্শিত হবে ‘আনোয়ারা’ এবং সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় দেখানো হবে ‘বেহুলা’। প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত।

ছায়ানটের শ্রোতার আসর ॥ শুক্রবার ধানম-ির ছায়ানট সংস্কতি-ভবনের রমেশচন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে ছিল ছায়ানটের নিয়মিত ছায়ানটের শ্রোতার আসর। এদিন সঙ্গীত পরিবেশন করেন মইদুল ইসলাম, মৃদুলা সমদ্দার ও অনিমেষ সরকার।

আর্ট সেন্টারে চিত্রপ্রদর্শনী ভ্রƒণ উৎসব ॥ ধানম-ির ঢাকা আর্ট সেন্টারে শুক্রবার থেকে শুরু হলো শিল্পী মাজাহারুল ইসলাম কচির একক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী ‘ভ্রƒণ উৎসব’। তেল ও জলরংয়ে চিত্রিত ৩৯টি মূর্ত-বিমূর্ত ছবি দিয়ে সাজানো এ প্রদর্শনী উ™ে^াধন করেন জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ।

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী ২০১৫

৩১/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



ব্রেকিং নিউজ: