মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাবু উত্তরের ছিন্নমূল মানুষ

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঘন কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। রবিবার দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও হ্রাস পায়। ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা আবার বেড়েছে। ঘন কুয়াশায় ইরি-বোরো ধানের চারাসহ শীতকালীন ফসল হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত। তীব্র শীতে ছিন্নমূল ও গরিব মানুষের কষ্টের সীমা নেই। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হয় ব্যাহত। তবে হাসি ফুটে ওঠে গরম কাপড় বিক্রেতাদের মুখে। গরম কাপড়ের দাম বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আজ সোমবারও সারাদেশে বয়ে যাবে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আজ সোমবার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের সকল নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রাজশাহী বিভাগসহ টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সীতাকু-, রংপুর ও সৈয়দপুর অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

নিজস্ব সংবাদদাতা ঠাকুরগাঁও থেকে জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে ২ দিন ধরে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। প্রচণ্ড ঠাণ্ড বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। গত শনিবার থেকে দেখা মিলছে না সূর্যের আলোর। রবিবার দুপুর পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও ছিল কুয়াশায় আচ্ছন্ন। নানা দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী। কাজে নামতে পারছে না খেটে খাওয়া মানুষ।

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী থেকে জানান, শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কবলে পড়েছে উত্তরের নীলফামারীসহ রংপুর বিভাগের আট জেলা। গত দু’দিন থেকে এই শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। গত দু’দিনের চেয়ে রবিবার কনকনে হাড় কাঁপানো শীতে কুঁকড়ে গেছে এ অঞ্চলের জনপদ। রবিবারও সকাল থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন।

এদিকে ভারত সীমান্ত এলাকা নীলফামারীর চিলাহাটিতে দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা, বীরাঙ্গনা ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে ৫শ’ কম্বল বিতরণ করা হয় রবিবার বিকেলে। চিলাহাটি সরকারী কলেজমাঠে শীতার্তদের মাঝে কম্বল তুলে দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ফারহানা আখতার সুমি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চিলাহাটি সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জগদীশ চন্দ্র রায়, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রব্বানী, ডাঃ মরিয়ম আখতার, ভোগডাবুড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ওহাবুল ইসলাম, চিলাহাটি সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আফতাবুজ্জামান।

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী ২০১৫

১২/০১/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



ব্রেকিং নিউজ: