মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

অস্তিত্ব সঙ্কটে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সুন্দরবন!

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর ২০১৪
অস্তিত্ব সঙ্কটে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সুন্দরবন!
  • ইরাবতী ডলফিনসহ বিভিন্ন প্রজাতির জলজ প্রাণী হুমকির মুখে
  • অয়েল ট্যাঙ্কার ডুবিতে বিস্তীর্ণ এলাকায় তেলের আস্তরণ
  • পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা
  • এক শ’ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা
  • তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি

বাবুল সরদার, বাগেরহাট থেকে ॥ বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শ্যালা নদীর মৃগমারী এলাকায় মঙ্গলবার ভোরে এমভি টোটাল ট্যাঙ্কারের ধাক্কায় তলা ফেটে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬শ’ ৬৮ লিটার ফার্নেস অয়েল নিয়ে ডুবে যায় ট্যাঙ্কার ‘এমভি ওটি সাউদার্ন স্টার সেভেন’। এই তেল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব সুন্দরবনের নদ-নদী-খাল ও বন অভ্যন্তরে। দিনে দু’বার করে জোয়ারে তেলের আস্তরণ ঢুকে পড়ছে সুন্দরবনের মাইলের পর মাইল ধরে বন অভ্যন্তরে। সুন্দরবনের শুধু বনজ সম্পদই নয়, ছড়িয়ে পড়া এ তেলের কারণে বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ ৬ প্রজাতির ডলফিন, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়াসহ বিভিন্œ জলজ প্রাণী হুমকির মুখে পড়েছে। গত দু’দিনেও উদ্ধার করা যায়নি তেলবোঝাই নিমজ্জিত অয়েল ট্যাঙ্কারটি। অয়েল সুইপার জলযান দিয়ে ছড়িয়ে পড়া তেল তুলে নেয়ার কোন ব্যবস্থা না থাকায় ম্যানগ্রোভ এ বনের গাছের শ্বাসমূল ঢেকে যাচ্ছে ছড়িয়ে পড়া তেলে। নারায়ণগঞ্জ ও বরিশাল থেকে বিআইডব্লিটিএর দুটি উদ্ধারযান প্রত্যয় ও দুর্জয় মঙ্গলবার রওনা দিলেও বুধবার বিকেল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি। ইতোমধ্যে সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সুন্দরবন বিভাগের গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে কাজ শুরু করেছে। অয়েল ট্যাঙ্কার ডুবিতে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ও জীববৈচিত্রের ১শ’ কোটি টাকার ওপর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের স্টেশন অফিসার আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে মংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। দু’দিনেও খুঁজে পাওয়া যায়নি, ডুবে যাওয়া অয়েল ট্যাঙ্কারের নিখোঁজ মাস্টার মোকলেসুর রহমানের (৫০) লাশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে ল-ভ- হয়ে যাওয়ার পরও প্রতিবারই ঘুরে দাঁড়ায় সুন্দরবন। এবারই প্রথম প্রকৃত অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, সুন্দরবন।

সুন্দরবনের সম্পদ ॥ সুন্দরবনে ৬ হাজার ১৭ বগ কিলোমিটার আয়তনে বাংলাদেশ অংশে স্থলভাগের পরিমাণ ৪ হাজার ১শ’ ৪৩ বর্গকিলোমিটার। আর ৪শ’ ৫০টি ছোট-বড় নদী ও খাল নিয়ে জলভাগের পরিমাণ ১ হাজার ৮শ’ ৭৪ বর্গকিলোমিটার। অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে সুন্দরবনের আয়তন ছিল বর্তমানের প্রায় দ্বিগুণ। মানুষের কারণে সুন্দরবনের আয়তন আজ এখানে এসে ঠেকেছে। সুন্দরবনে রয়েছে ৩শ’ ৩৪ প্রজাতির গাছপালা। এ উদ্ভিদকুলের ৭৩ ভাগই হচ্ছে সুন্দরীগাছ, ১৬ ভাগ গেওয়া; ১শ’ ৬৫ প্রজাতির শৈবাল, ১৩ প্রজাতির অর্কিড; রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও চিত্রল হরিণসহ ৩২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ প্রজাতির সরিসৃপ, ৮ প্রজাতির উভচর, ৩শ’ প্রজাতির পাখি; বিলুপ্তপ্রায় ইরাবতী ডলফিনসহ ৬ প্রজাতির ডলফিন, কুমির, ২শ’ ১০ প্রজাতির মাছ, ১৩ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৬ প্রজাতির চিংড়ি, ১ প্রজাতির লবস্টার ও ৪২ প্রজাতির শামুক, ঝিনুক রয়েছে সুন্দরবনে। সুন্দরবনের সম্পদের হিসেব করা কঠিন। সুন্দরবনে দৃশ্যমান সম্পদের পরিমাণ ১শ’ ৫৮ কোটি ৯ হাজার ৮শ’ ৭ পয়েন্ট ৮০ বিলিয়ন টাকা। এসব কারণে পর্যটকদের কাছে সুন্দরবন হচ্ছে প্রকৃতির অপার বিস্ময়। জাতিসংঘের ইউনেস্কো কমিশন ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে। সুন্দরবনের এ সম্পদের সবটাই এখন সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক হিসাব মতে, পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জের নন্দপাড়া নদী থেকে শ্যালা নদী হয়ে আন্ধারমানিক নদী পর্যন্ত মাছসহ জলজ প্রাণীসহ ডলফিনের অভয়াশ্রম এখন চরম অস্তিত্ব সঙ্কটে।

দুটি তদন্ত কমিটি গঠন ॥ পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আমির হোসাইন চৌধুরী জানান, সুন্দরবনের শ্যালা নদীর মৃগমারী এলাকায় মঙ্গলবার ভোরে ফার্নেস অয়েল বোঝাই ট্যাঙ্কার ডুবির পর সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে গঠন করা হয়েছে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি। পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা বেল্লাল হোসেনকে প্রধান করে গঠিত এ তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন চাঁদপাই স্টেশন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ও ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা প্রবল চন্দ্র রায়। বুধবার সকাল থেকে এই তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছে। এই কমিটি তিন কর্মদিবসের মধ্যেই ডিএফও বরাবরে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে। অন্যদিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এই অয়েল ট্যাঙ্কার ডুবির ঘটনায় বুধবার ৩ সদস্যের আলাদা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সমুদ্র পরিবহন অধিদফতরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার এ্যান্ড এক্সামিনার ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটির অপর সদস্য হলেন সমুদ্র পরিবহর অধিদফতর খুলনার অভ্যন্তরীণ জাহাজ পরিদর্শক আবু জাফরকে সদস্য সচিব ও একই দফতরের বিশষ কর্মকর্তা নৌনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মহিউদ্দিন। এই কমিটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণন নির্ণয় করে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

ছড়িয়ে পড়া তেল রোধে ব্যারিকেড ॥ নৌবাহিনী ও পদ্মা অয়েল কোম্পানি যৌথভাবে বুধবার দুপুর থেকে ভাসমান তেল যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য ভাসমান তেল ও ডুবে যাওয়া জাহাজের চারপাশে মোটা পলিথিনের ব্যারিকেড দেয়ার কাজ শুরু করেছে। অপরদিকে, কা-ারী-১০ জাহাজটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাসমান তেলের ওপর এক ধরনের পাউডার ছিটিয়ে তেল অপসারণ করার কাজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করবে বলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর জেলা প্রশাসক মুঃ শুকুর আলী জানিয়েছেন। এছাড়া সুন্দরবনের পানি ও পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উদ্ধারকারী জাহাজ ॥ সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ডুবে যাওয়া অয়েল ট্যাঙ্কারের তেল অপসারণ ও উদ্ধার কাজে অংশ নিতে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস আখতারউদ্দিন ও ১০ সদস্যের ডাইভিং টিমসহ বিএনএস শাহপরান। চট্টগ্রামের বিএনএস ঈশাখাঁ নৌঘাঁটি থেকে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। নৌবাহিনীর ১০ সদস্যের ডাইভিং টিমটি ডুবন্ত জাহাজ থেকে তেল অপসারণ কাজে অংশ নেবে।

নারায়ণগঞ্জ ও বরিশাল থেকে সুন্দরবনে তলা ফেটে ডুবে যাওয়া অয়েল ট্যাঙ্কার উদ্ধারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ও নির্ভীক। বিআইডব্লিউটিএ’র এই দুটি উদ্ধারযান বুধবার বিকেল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেনি। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অয়েল ট্যাঙ্কারের ভাসমান তেল নষ্ট করতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রওনা দিয়েছে জাহাজ ‘কা-ারী-১০’। কা-ারী-১০ জাহাজটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভাসমান তেলের ওপর এক ধরনের পাউডার ছিটিয়ে তেল নষ্ট করবে বলে জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী।

অয়েল সুইপার জলযান ॥ সুন্দরবন ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ। বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট। এ বন আমাদের গর্ব, বিশ্ববাসীর গর্ব। অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সুন্দরবনের বুক চিরে পশুর চ্যানেল দিয়ে প্রতিদিন দেশী-বিদেশী জাহাজ মংলাবন্দরে আসে। কখনও এরূপ দুর্র্ঘটনা ঘটলে সুন্দরবনকে রক্ষায় নেয়া হয়নি কোন কার্যকর পদক্ষেপ। এ দুর্ঘটনার পর জানা গেল; শুধু সুন্দরবন বিভাগ নয়, বাংলাদেশে নেই কোন অয়েল সুইপার জলযান। সুন্দরবন বিষেশজ্ঞ ও পরিবেশবিদ ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, দ্রুত এক-দু’দিনের মধ্যে অয়েল সুইপার জলযান এনে সুন্দরবনের নদ-নদীতে ছড়িয়ে পড়া ও গাছের শ্বাসমূলে লেগে থাকা তেলের আস্তরণ অপসারণ করতে হবে। তা না হলে অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে সুন্দরবন। তিনি আরও জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের খামখেয়ালিপনার কারণে সুন্দরবন ধ্বংস হতে পারে না। সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে অবৈধ এই নৌ চলাচল বন্ধ করতে হবে ও সুন্দরবনকে বাঁচাতে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

সুন্দরবন বিভাগের মামলা ॥ অয়েল ট্যাঙ্কার ডুবিতে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ও জীববৈচিত্র্যের ১শ’ কোটি টাকার ওপে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের স্টেশন অফিসার আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে মংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। বুধবার দুপুরে মংলা থানায় দায়েরকৃত এ মামলায় ক্ষতির পরিমাণন আরও বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬শ’ ৬৮ লিটার ফার্নেস অয়েল বোঝাই অয়েল ট্যাঙ্কার ‘এমভি ওটি সাউদার্ন স্টার সেভেন’ মালিক কর্তৃপক্ষকে মামলায় আসািিম করা হয়েছে। মংলা থানা সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে ট্যাঙ্কার কর্তৃপক্ষ মেসার্স হারুন এ্যান্ড কোম্পানির ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে বুধবার দুপুরে এমভি টোটাল ট্যাঙ্কারের বিরুদ্ধে মংলা থানায় মামলা করেছে।

মন্ত্রীর ক্ষোভ ॥ সুন্দরবনে অয়েল ট্যাঙ্কার দুর্ঘটনায় সুন্দরবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে হেলিকপ্টারযোগে বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল সুন্দরবনে আসেন বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। তার সঙ্গে ছিলেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার রাকিবুল ইসলাম,প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ ইউনুস আলী, সিএফ খুলনা কার্তিক চন্দ্র সরকার, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মুঃ শুকুর আলী ও পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের ডিএফও মোঃ আমির হোসাইন চৌধুরী। উপমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে জাহাজ চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণেনর কথা জানান।

জোয়ার ভাটায় ছড়াচ্ছে তেল ॥ দিনে দু’বার জোয়ার-ভাটার কারণে সুন্দরবনের নদ-নদী ও শাখা- প্রশাখাগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই তেলের আস্তরণ। যার ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সুন্দরবনের গাছপালা ও শ্বাসমূলে এই তেলের আস্তরণ পড়ছে। এছাড়া বিস্তৃত জায়গায় পশু-পাখি ও প্রাণীকুলও পড়ছে হুমকির মুখে। বনবিভাগ সূত্র দাবি করেছে, এ পর্যন্ত সুন্দরবনের নন্দবালা থেকে আন্ধারমানিক পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার ডলফিনের অভয়াশ্রমসহ প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে তেল ছড়িয়ে পড়ছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর ২০১৪

১১/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: