কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সারাদেশে এসএমই উদ্যোক্তা ৬০ লাখ ॥ ক্ষুদ্রঋণে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটেছ

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর ২০১৪
  • নারী উদ্যোক্তারা ঘোরাতে পেরেছেন ভাগ্যের চাকা আয় হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা, বেড়েছে নারীর কর্মসংস্থান

রহিম শেখ ॥ নীলফামারীর কচুকাটা গ্রামের জাহিরা বেগম। ২০০৯ সালে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) আরডিআরএস বাংলাদেশ থেকে ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণ আর পাঁচ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে নিজের বাড়িতে সুতা দিয়ে শতরঞ্জি তৈরি শুরু করেন। তখন তাঁর সঙ্গে কাজ করতেন ১০ নারী। মাসে বিক্রি হতো মাত্র ১০০ পিস শতরঞ্জি। পাঁচ বছর পর নিজের চেষ্টা আর পরিশ্রমে বাড়ির পাশেই গড়ে তোলেন ‘ম্যাটপল্লী’ নামে একটি কারখানা। কর্মসংস্থান হয় ৭৫ নারীর। এখন প্রতিমাসে বিক্রি হয় এক হাজারেরও বেশি শতরঞ্জি। সৈয়দপুর, রংপুর, দিনাজপুর এমনকি ঢাকার ব্যবসায়ীরাও কেনেন এই শতরঞ্জি। ক্ষুদ্রঋণে রীতিমতো অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটিয়েছেন জাহিরা বেগম। তাই এই সাফল্যে সম্প্রতি তিনি সিটি ফাউন্ডেশন থেকে পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ মহিলা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার। জাহিরা বেগমের মতো দেশে এমন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার সংখ্যা নিরূপণ করা কঠিন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বা এসএমই উদ্যোক্তার সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এর মধ্যে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প মানেই হলো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের গল্প। নতুন নতুন উদ্যোক্তা দেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণে রীতিমতো অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটিয়েছেন দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিকাশ অবশ্যই পরবর্তী দশকে বাংলাদেশকে উচ্চ ও মধ্যম কাতারে দাঁড় করাবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এখন সরাসরি পণ্য রফতানি করছেন বিদেশে। এক সময়ের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা একদিন বড়মাপের উদ্যোক্তায় পরিণত হন। গত এক দশকে দেশে ক্ষুদ্রঋণে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে পেরেছেন এমন নারীর সংখ্যা বহুগুণে বেড়েছে। তাদেরই একজন রংপুরের নিসবেতগঞ্জের মেয়ে আমেনা। সংসারের সচ্ছলতা আনতে ৯ বছর আগে শতরঞ্জির ব্যবসা শুরু করেন । স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদে আমেনার শতরঞ্জির ব্যবসা আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। আয় করছে বৈদেশিক মুদ্রা আর স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে অন্তত পাঁচ শ’ জনের। গড়ে তুলেছেন নিসবেতগঞ্জ-রাধাকৃষ্ণপুর শতরঞ্জি উন্নয়ন প্রকল্প। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এসএমই ফাইন্যান্সিং ফেয়ারে কথা হয় আমেনার সঙ্গে। তিনি বলেন, একটি বেসরকারী এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। তারপর সেই এনজিওর টাকা পরিশোধ করে এক বছরের মাথায় ব্যাংক থেকে ঋণ নেই। সেই টাকাও পরিশোধ করি। বেলজিয়ামে আমরা প্রথম শতরঞ্জি রফতানি করি ছয় বছর আগে। তারা আমাদের পণ্যের মানে সন্তুষ্ট হয়ে পরে আবারও অর্ডার দেয়। তারপর থেকে প্রায় নিয়মিতই তারা আমার পণ্য আমদানি করে থাকে। সারাবছরই বেলজিয়ামে শতরঞ্জি রফতানির কাজ থাকে। এখন মিসরসহ আরও কয়েকটি দেশে শতরঞ্জি রফতানি করা হয় বলে তিনি জানান। বৃহস্পতিবার মেলার ১৩নং স্টলে গিয়ে দেখা যায় ক্রেতাদের ভিড়, ব্যস্ত আমেনাও। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সামনে মেলে ধরছেন নিজের কারখানায় তৈরি শতরঞ্জি, ব্যাগ। বাহারি রঙ, নজরকাড়া নক্সার শতরঞ্জির সমাহার আমেনার স্টলে। আকার ও বৈচিত্র্যভেদে ১২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম এ সব শতরঞ্জির।

জানা গেছে, দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বা এসএমই উদ্যোক্তার সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এর মধ্যে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। গত কয়েক বছরে শহরের তুলনায় গ্রামেই নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বেড়েছে। বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও এনজিও থেকে ক্ষুদ্রঋণ নিয়েছেন এ সব উদ্যোক্তা। অল্প পুঁজি দিয়ে পাল্টেছেন ভাগ্যের চাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত এক বছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে উদ্যোক্তা বেড়েছে ৩৮ হাজার ৮১৭। আর এ সব নতুন উদ্যোক্তাদের মাঝে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ বিতরণ করেছে ১৩ হাজার ১৯৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা। ২০১৩ সালে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এসএমই খাতে ৮৫ হাজার ৩২৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে ছোট শিল্প খাতে ৪৪ হাজার ৩১২ কোটি ৩২ লাখ টাকা, উৎপাদনশীল খাতে ২৪ হাজার ১৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, সেবা খাতে ৪ হাজার ৬০২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, বাণিজ্য খাতে ৫৬ হাজার ৭০৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ৪ বছরে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বেড়েছে ২১৫ দশমিক ১০ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সেবা, ব্যবসা এবং শিল্প খাতে নারী উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে ঋণ দেয়া হয়। ২০১০ সালের ডিসেম্বর শেষে এ খাত তিনটিতে ঋণ দেয়া হয়েছিল ১ হাজার ৮০৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর শেষে ঋণ বিতরণ করা হয় ৯ হাজার ৪২৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা। সে হিসেবে বিগত ৪ বছরে এসএমইতে নারী উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ বেড়েছে ৮৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল অর্থাৎ ৪ বছরে সেবা খাতে ৬ হাজার ৯৮৪ নারী উদ্যোক্তা ৯১৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা নিয়ে বিনিয়োগ করেছেন। ব্যবসা খাতে ৬৩ হাজার ৭০২ নারী উদ্যোক্তা নিয়েছেন ৫ হাজার ৮৩২ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং শিল্প খাতে ১৮ হাজার ৩৩২ জন নিয়েছেন ২ হাজার ৬৮২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। চলতি ২০১৪ সালের প্রথম ৬ মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে নারী উদ্যোক্তারা ১৩ দশমিক ১৯ শতাংশ সেবা খাতের জন্য, ৫৫ দশমিক ১৫ শতাংশ ব্যবসা খাতের জন্য এবং ৩১ দশমিক ৬৬ শতাংশ উৎপাদনশীল খাতের জন্য ঋণ নিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মাসুম পাটোয়ারী জনকণ্ঠকে বলেন, প্রতিবছরই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়ছে নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে গ্রামপর্যায়ে নারী উদ্যোক্তা তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রামের নারীদের এক্ষেত্রে আগ্রহী করার জন্য আমরা প্রতিবছরই সচেতনতামূলক বিভিন্ন প্রচারাভিযানের ব্যবস্থা করে থাকি। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে তাদের মোট বরাদ্দের ৫৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। তা ছাড়া পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে রয়েছে ৫১ শতাংশ। সম্প্রতি এডিপির ১০০ কোটি টাকার একটি স্কিমে নারীদের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। মাসুম পাটোয়ারী বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্পক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া হচ্ছে। চলতি বছরে নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য প্রদর্শনী ব্যবস্থা করবেন। সেখানে কমপক্ষে ২টি দেশী-বিদেশী ডোনার থাকবে। ঋণখেলাপির প্রসঙ্গে এ মহাব্যবস্থাপক বলেন, বর্তমানে সর্বক্ষেত্রে ঋণখেলাপি রয়েছেন ৮ শতাংশ। কিন্তু এসএমইতে ঋণখেলাপির পরিমাণ ৩ শতাংশ। শাখা, আঞ্চলিক ও প্রধান কার্যালয়ে তারা মনিটরিং করে থাকেন। এ ছাড়া মোবাইল মনিটরিং করা হয়। ফলে অনিয়ম বা দুর্নীতির সম্ভাবনা কম। তিনি আশা প্রকাশ করেন আগামীতে উদ্যোক্তা আরও বাড়বে। দেশে অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক জরিপে দেখা যায়, গত ১০ বছরে দেশের অর্থনীতির কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এ সময়ে কৃষি খাতের অবদান কমেছে। শিল্প ও সেবা খাত বিকশিত হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়েছে। গত এক দশকে সারাদেশে স্থায়ী ও ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। ২০০৯ সালে বিবিএসের পরিচালিত এক জরিপ অনুযায়ী, দেশে এসএমই শিল্পের সংখ্যা ৯৩ হাজার। আর গত বছর পরিচালিত অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে উৎপাদনশীল খাতে এসএমই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১২৯। বর্তমানে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) শিল্পের অবদান ২৮ শতাংশ। আর এসএমই খাতের অবদান ২৫ শতাংশের মতো। মোট শিল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশই এসএমই। বিবিএসের ফলে আরও দেখা গেছে, গত ১০ বছরে বাংলাদেশে স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। গত ১০ বছরে দেশে স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৫ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৮। ২০১৩ সালে স্থায়ী ইউনিট বেড়ে হয়েছে ৪৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৬। ২০০৩ সালে তা ছিল ২৯ লাখ ৯১ হাজার ২৩৮টি। ১৯৮৬ সালে দেশে স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৯। এতে প্রতীয়মান হয় যে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। জরিপে দেখা গেছে, ৭২ শতাংশ অর্থনৈতিক কর্মকা- গ্রামে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চমাত্রার প্রবৃদ্ধি গ্রামীণ অর্থনীতিকে বিকশিত করছে। এতে দেখা গেছে, কোন এক সময়ের মঙ্গাপীড়িত রংপুরে অবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। ২০১৩ সালে এ বিভাগে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১১ লাখ। ২০০৩ সালে এ সংখ্যা ছিল মাত্র তিন লাখ। আর ১৯৮৬ সালে ছিল দুই লাখ। এ ছাড়া সেবা খাতের কার্যক্রম যেমন মোটরগাড়ি, মোটরসাইকেল মেরামতসহ খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করছে।

এ প্রসঙ্গে এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ ইহসানুল করিম জনকণ্ঠকে বলেন, এসএমই খাত সারাবিশ্বে উন্নয়নের চালিকাশক্তি। পুঁজি লাগে কম, তাই স্থাপন করাও সহজ। আবার আমাদের দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদও যথেষ্ট শক্তিশালী হয়নি। সে কারণে দেশে এসএমই খাতে প্রচুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বর্তমানে প্রায় সব ব্যাংকই এসএমই ঋণ দেয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনাও আছে। যদিও তাদের ঋণের সুদের হার অনেক বেশি। আমরা এসএমই ফাউন্ডেশন থেকেও উদ্যোক্তাদের ঋণ দিয়ে থাকি। উদ্যোক্তারা ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ পান। এর জন্য কোন জামানত দিতে হয় না। তবে এ ঋণ সরাসরি দেয়া হয় না। তিনি বলেন, একটা সময় উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে ঋণ পেতেন না। তবে বর্তমানে ব্যাংকগুলো অনেক বন্ধুসুলভ হয়েছে। তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি ঋণ দিচ্ছে। তারা যেন আরও বেশি ঋণ দেয় সে জন্য এসএমই ফাউন্ডেশন কাজ করছে। যে ব্যাংক বেশি এসএমই খাতে ঋণ দিয়েছে আমরা সেই ব্যাংককে পুরস্কৃত করেছি। প্রথমবারের মতো এসএমই ফাউন্ডেশন ১০ বিভাগে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে।

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর ২০১৪

১৪/১১/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: