শেয়ারবাজারে প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নতুন তারিখ ২০ মে নির্ধারণ করেছে আদালত। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন থাকলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তা উপস্থাপন করতে পারায় বিচারক সময় বাড়ান।
মামলার অন্যান্য আসামি মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
মামলাটি ২০২৪ সালের ১৭ জুন দায়ের করা হয়। এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করা বিও হিসাব ব্যবহার করে ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক ট্রেডিং ও কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দর বাড়িয়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির শিকার হন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) ও তার স্ত্রী বিভিন্ন খাতে প্রায় ৩০ কোটি টাকার উৎস গোপন করেছেন। তার নিয়ন্ত্রণাধীন ১৭টি ব্যাংক হিসাব থেকে ৫৪২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। মামলায় আরও বলা হয়, সাকিব আল হাসান প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করে বাজার কারসাজিতে সহায়তা করেছেন এবং এতে তিনি প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে উত্তোলন করেছেন।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার পর আদালত পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করবেন।
এ.এইচ








