সোমবার ৭ আষাঢ় ১৪২৮, ২১ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ভারতে পণ্য রফতানির প্রধান সমস্যা অশুল্ক জটিলতা

  • ‘বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসায়িক সুযোগ সুবিধা’ বিষয়ক সেমিনারে বক্তারা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ভারতে পণ্য রফতানিতে শুল্ক সমস্যা না থাকলেও প্রধান বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে অনুন্নত অবকাঠামো ও বিদ্যমান অশুল্ক (নন টেরিফ) জটিলতা। রফতানির সম্ভাবনা সত্ত্বেও বেড়েই চলছে বাণিজ্য বৈষম্য। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়ার ব্যবসায়িক সুযোগ সুবিধা’ বিষয়ক সেমিনারে এসব কথা বলেন ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) এবং ইন্ডিয়ান ইমপোর্টার্স চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইআইসিসিআই) যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব হাফিজুর রহমান, আইবিএফবির সভাপতি এম হাফিজুর রহমান খান, সংগঠনটির পরিচালক এম এস সিদ্দিক, আইআইসিসিআইর পরিচালক টি কে পান্ডে প্রমুখ। সেমিনারে বক্তারা বলেন, শুল্ক সমস্যা কম থাকলেও বিদ্যমান নন টেরিফ জটিলতা এখন বাণিজ্যের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) সনদ থাকা সত্ত্বেও ভারত অনেক পণ্য আটকে দিচ্ছে। উদাহরণ টেনে এক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা ভারতে টয়লেট পণ্য হিসেবে সাবান (সোপ) রফতানি করি। কিন্তু ভারতে কসমেটিকস পণ্য বলে সাবান আটকে দেয় এবং বেশ কিছু মান যাচাই করতে হয়। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট অন্যদিকে খরচও বেড়ে যায়। ভারতে পণ্য রফতানিতে এ রকম শত শত নন টেরিফ বাধার মুখে ব্যবসায়ীদের পড়তে হয়।

অপরদিকে বন্দরে অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। লোডিং-আনলোডের সময় পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই অবকাঠামো উন্নয়নের তাগিদ দেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় পাট ও পাটজাত পণ্যের ওপর ভারত সরকার উচ্চ হারে এ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, অনুন্নত যোগাযোগ ও অবকাঠামো সমস্যা দুই দেশের বাণিজ্যের প্রধান বাধা। তাই বাণিজ্য বাড়াতে অশুল্কগত বাধা দূর করতে হবে। এজন্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও আইন সংস্কার দরকার। ভারত সরকার বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। দুদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে এটি সমাধান করবে। তিনি আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করছে। বর্তমানে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পাইপলাইনে আছে। এছাড়াও বাণিজ্য বাড়াতে বর্তমানে ২১টি বাংলাদেশী খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে বিএসটিআইর মান সনদে স্বীকৃতি দিয়েছে ভারত। আরও ছয়টি পণ্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, ফলের জুস, জেলি, আচার, চাটনি, ফ্রুট ড্রিংকস, সস, টমেটো কেচাপ, বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, পানি, কোমল পানীয়, পাউডার, কার্বনেটেড বেভারেজ, ফ্রুট সিরাপ, ফ্রুট স্কোয়াশ, খাবার জেল, টমেটো পেস্টিসহ আরও কয়েকটি পণ্য বিএসটিআইর মান সনদে ভারতে রফতানি করা যাচ্ছে।

শীর্ষ সংবাদ:
কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানির জমি ক্রয়ে ৮৭ কোটি টাকা লোপাট         টেকসই উন্নয়নের সমতাভিত্তিক আইনী কাঠামো অপরিহার্য ॥ আইনমন্ত্রী         ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণেই এমন পৈশাচিকতা         পদ্মা সেতুতে রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো শেষ         বিটকয়েন বিক্রির টাকায় পর্নোগ্রাফির বাণিজ্য         সন্ধান দিলে         ভারত থেকে বাংলাদেশের টিকা পাওয়া এখনো অনিশ্চিত : হাইকমিশনার         যেকোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৮২         ক্ষমতা মানে ভোগ বিলাস নয়, ক্ষমতা হলো মানুষের সেবা করা         ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক আইনি কাঠামো অপরিহার্য ॥ আইনমন্ত্রী         বীর মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক সম্মানী পাবেন ২০ হাজার টাকা : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী         রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক শক্তির জোর তৎপরতা দরকার         রাজশাহীতে ধসে পড়ল বহুতল ভবন         খুবির সকল পরীক্ষা স্থগিত         ‘দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে’         প্রথম ধাপের ২০৪ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সোমবার         ‘নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল বাইরে বের হতে পারবে না’         হাসপাতালে মাহবুব তালুকদার