কুয়াশাচ্ছন্ন, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৪ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

একজন ভাগ্যবতী বেগম জিয়া

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল ২০১৫
  • আবদুল মান্নান

বাংলাদেশে একজনই সত্যিকার অর্থে ভাগ্যবতী বা ভাগ্যবান রাজনৈতিক নেতা আছেন আর তিনি বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোট প্রধান বেগম জিয়া। যখন তিনি ক্ষমতায় থাকেন না তিনি তো বটেই দেশের তাবৎ মিডিয়া, সুশীল সমাজ আর বিদেশী কূটনীতিবিদরা ভুলে যান যে, বেগম জিয়া আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন। এমনকি বর্তমানে তিনি তো সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রীও নন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর যত না সকলের নজর থাকে, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি থাকে বেগম জিয়ার ওপর। মনে হয় বেগম জিয়ার এক ঐশ্বরিক বশীকরণ শক্তি আছে, যা থেকে শেখ হাসিনা রীতিমতো বঞ্চিত। সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ তো গোনাগুনতির মধ্যেও নেই। দু’দফায় বেগম জিয়ার হুকুমে দেশে ভয়াবহ পেট্রোলবোমার আঘাতে প্রায় সাড়ে তিনশ’ মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেলেন। কয়েক শ’ মানুষ চিরদিনের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করলেন, দেশের সম্পদের ক্ষতি হলো হাজার হাজার কোটি টাকার, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হলো কমপক্ষে চল্লিশ হাজার কোটি টাকার, তারপরও কারও দৃষ্টি বেগম জিয়ার ওপর থেকে সরছে না। বেগম জিয়া তাঁর গুলশানের অফিসকে বাড়ি ঘোষণা করে সেখানে শয্যা পাতলেন ৯২ দিনের জন্য। কসম খেলেন শেখ হাসিনার সরকারকে বিদায় না করে তিনি ঘরে ফিরছেন না। আর অন্যদিকে দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলতে লাগল। সারাদেশের মানুষ তখন বেগম জিয়া কর্তৃক সৃষ্ট ভয়াবহ নৃশংসতায় জিম্মি। পনেরো লাখ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষার সময়সূচী ল-ভ-। দু’হাজার ‘ও’ লেবেল পরীক্ষার্থী পরীক্ষাই দিতে পারল না। দেশের প্রধান হাসপাতালগুলোর বার্ন ইউনিটে অগ্নিদগ্ধ মানুষের আর্তনাদে যে কোন পাষাণের হৃদয়কে গলিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। ঠিক সে সময় বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা বেগম জিয়ার সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। তাঁর অফিস কাম রেসিডেন্সের সামনে ডজন ডজন টিভি ক্যামেরা অপেক্ষা করছে রাত-দিন। খবর দিচ্ছে বেগম জিয়া সকাল-বিকেল কি দিয়ে নাস্তা করছেন আর দুপুরের ও রাতের খাবারের মেন্যুতে কি ছিল। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের টকশোগুলোতে বেগম জিয়ার তাঁবেদার টকাররা গলা ফাটিয়ে ফেলছেন তার দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে। বিদেশ থেকে কোন অতিথি এলে তিনিও ছুটছেন বেগম জিয়ার দরবারে। বেগম জিয়া বেশ সেজেগুজে তাদের সঙ্গে খোশ-গল্প করলেন। কোন একজন অতিথিকে দেখলাম না তাকে প্রশ্ন করতে কখন থামবে দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ? এমন একটা পরিস্থিতে একবার বেগম জিয়ার স্থলে শেখ হাসিনাকে চিন্তা করুন। তখন বোঝা যাবে এসব ক্ষেত্রে বেগম জিয়ার কাছে শেখ হাসিনা নস্যি। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে যখন বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে তাঁর সমাবেশস্থলে বারোটি গ্রেনেড ছোড়া হলো, ২৪জন দলীয় নেতা-কর্মী মৃত্যুবরণ করল আর শেখ হাসিনা আহত হয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন তখন কী দেশ-বিদেশের এসব অতিথিকে সুধাসদনে এমন ছোটাছুটি করতে দেখা গিয়েছিল? বা বাড়ির সামনে এত সাংবাদিকের সমাবেশ? মনে তো পড়ে না। ওই ঘটনার একদিন পর আমি সুধাসদনে গিয়েছিলাম শেখ হাসিনাকে সমবেদনা জানাতে। তখন সেখানে দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী ছাড়া তেমন কারও উপস্থিতি চোখে পড়েনি। এখন তো এটি মোটামুটি প্রমাণিত, এই হামলার সঙ্গে তারেক রহমান, তার হাওয়াভবন, লুৎফুজ্জামান বাবর ও দলের আরও বেশ কয়েকজন নেতা সরাসরি জড়িত ছিল। ঘটনা যদি উল্টো হতো তখন শেখ হাসিনার চৌদ্দগোষ্ঠীকে কবর থেকে তুলে আনা হতো।

বেগম জিয়া একজন পরাজিত সৈনিকের মতো ৯২দিন পর তার স্বেচ্ছা অন্তরীণ অবস্থান থেকে বের হয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে সব টিভি ক্যামেরা আর ফটোগ্রাফাররা ছুটলেন তার পেছনে পেছনে। আদালতে হাজিরা দেয়ার পর এইবার তার বাসস্থানের উদ্দেশে যাত্রা। সঙ্গে ডজন ডজন ক্যামেরা আর সাংবাদিকরাও আছেন। কোন কোন টিভিতে ধারা বর্ণনাও চলছিল। বেগম জিয়া তখন একজন দেশ কাঁপানো সেলিব্রেটি। তিনি গুলশানের বাড়ি পর্যন্ত না পৌঁছান পর্যন্ত সাংবাদিকরা পিছু ছাড়লেন না। কেউ তাকে কোন সুযোগেই এই প্রশ্ন করার সাহস পেলেন না ম্যাডাম বকশিবাজারে অবস্থিত বিশেষ আদালতে যখন এসেছেন যাবেন নাকি একবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে, সেখানে আপনার শত্রু পক্ষের অনেক মানুষ আপনার হুকুমে পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন? নাহ, একজন সেলিব্রেটিকে এমন প্রশ্ন করাটা বেজায় বেমানান। একবার বেগম জিয়া যখন সাংবাদিকদের ব্রিফিং দিয়ে উঠে যাচ্ছিলেন এটিএন নিউজের ‘বেয়াড়া’ মুন্নী সাহা এমন একটি প্রশ্ন করার সাহস দেখিয়েছিলেন। বেগম জিয়া তার দিকে গটমট করে তাকিয়ে কোন উত্তর না দিয়ে উঠে গিয়েছিলেন। বছরখানেক আগে রেঙ্গুনে বাংলাদেশের সাংবাদিক শ্যামল দত্ত এক সেমিনারে অনেক চেষ্টা করেছিলেন শান্তির জন্য নোবেল জয়ী অং সান সুচিকে রোহিঙ্গা বিষয়ক একটি প্রশ্ন করতে। সুচি অত্যন্ত অভদ্রভাবে শ্যামলকে প্রশ্নই করতে দিলেন না। তিনি জানতেন বাংলাদেশের একজন সাংবাদিক কি প্রশ্ন করতে পারেন।

আর একদিন পর মঙ্গলবার তিন সিটি কর্পোরেশনে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচার এখন তুঙ্গে। প্রার্থী, দলীয় নেতা নেত্রী, আরও প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমর্থকগোষ্ঠীর সদস্যরা মাঠ চষে ফেলছেন। এটি খুব ভাল লক্ষণ। তিন সিটি কর্পোরেশনেই যখন প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা করছেন তখন কিন্তু পরিস্থিতি বেশ শান্তই ছিল। দু’এক জায়গায় ছোটখাটো দু’একটি অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটার অভিযোগ আছে। মির্জা আব্বাস যেহেতু মামলার কারণে প্রচারণায় অংশ নিতে পারছেন না তখন তার জায়গায় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তিনি আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী সাঈদ খোকনের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে নির্বাচনী প্রচার করেছেন, সেখানে বিশ্রাম নিয়েছেন, নামাজ পড়েছেন, নাস্তা করেছেন তারপর বাড়ির মহিলাদের দোয়া নিয়ে আবার প্রচারে বের হয়ে পড়েছেন। একেবারে একটি আদর্শ পরিস্থিতি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সব মেয়র প্রার্থী হাত ধরাধরি করে তাদের সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির নিদর্শন তুলে ধরেছেন। অনেক জায়গায় কোলাকুলি করেছেন। এখন পর্যন্ত কোন প্রার্থী ব্যক্তিগত গালাগালিতে নিমজ্জিত হননি। গোল বাধল যখন বেগম জিয়া তার মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে নামলেন। এই সেই মহিলা যার হুকুমে গত তিন মাসে আগুন বোমায় নৃশংসভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন প্রায় দেড়শ’ নিরপরাধ মানুষ আর চিরদিনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন আরও কয়েকশ’। সর্বস্বান্ত হয়েছেন কয়েক হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী। এর এক বছর আগে তাঁর হুকুমে প্রাণ দিতে হয়েছিল প্রায় ২০০ মানুষকে। সেই তিনি তাঁর এই সব পাপ কর্মের জন্য কোন রকমের ক্ষমা না চেয়ে বেরিয়ে পড়লেন এক বিশাল গাড়িবহর আর সশস্ত্র ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায়। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রাস্তা বন্ধ করে নির্বাচনী প্রচার চালালেন। নির্বাচন কমিশনও বেগম জিয়ার সম্মোহনী শক্তিতে বিমোহিত। তাদের পক্ষ হতে তেমন কোন স্পষ্ট বক্তব্য নেই। তিনি গেলেন প্রথম দিন উত্তরায়। সেখানে কালো পতাকা প্রদর্শনসহ তার গাড়িবহরে হামলা হলো, পরদিন তিনি গেলেন জনবহুল কাওরানবাজার এলাকায়। বেগম জিয়ার তিন মাসের অবরোধ, হরতাল আর পেট্রোলবোমার ভয়াবহ সর্বগ্রাসী কর্মসূচীর কারণে কাওরানবাজারের অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী সর্বস্বান্ত হয়েছেন। সেখানেও বেগম জিয়ার গাড়িবহরে হামলা হলো। পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি ও খবর অনুযায়ী সেই হামলায় সরকারদলীয় অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতা-কর্মীও জড়িত ছিল। আবার অন্য ব্যাখ্যা হচ্ছে তাঁর সাথে থাকা তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীরা বিক্ষোভরত জনগণের দিকে তেড়ে গেলে ঘটনার সূত্রপাত। যারাই এই কাজটি করেছে তারা নিশ্চয়ই একটি গর্হিত ও নিন্দনীয় কাজ করেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী ওই দিন বেগম জিয়াকে পুলিশ এসকর্ট দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল কিন্তু তার ব্যক্তিগত স্টাফরা তা নিতে অস্বীকার করেছেন। সম্ভবত তিনি চাইছিলেন এমন একটা ঘটনা ঘটুক এবং জনগণের সহানুভূতি তাঁর দিকে আসুক। এই পরিকল্পনায় তিনি কিছুটা হলেও সফল হয়েছেন। কারণ বাঙালী হচ্ছে একটি বিস্মৃতিপরায়ণ জাতি। গত তিন মাসে যে এই মহিলা প্রায় দেড় শ’ মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করলেন তা তারা সহজে ভুলে যাবেন। তার গাড়িবহরে যে হামলা হয়েছে তার জন্য হাহুতাশ করবেন। বলবেন আহা বেচারি সরকারী দলের ক্যাডারদের দ্বারা কিভাবে না আক্রান্ত হলো। ভুলে কেউ বলবেন না এই মহিলা কয়েকদিন আগেও দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। প্রয়োজন হলে আবার পেট্রোলবোমার যুগে ফিরে যাবেন। সরকারী দলের অঙ্গ সংগঠনের যে সব অপরিণামদর্শী নেতা-কর্মী এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে বলা হচ্ছে তা যদি সত্য হয় তা হলে তারা বিএনপির পাতা ফাঁদে পা দিয়েছে। তারা যদি কালো পতাকা আর ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সেখানে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদী মানববন্ধন করত তা হলে তা আরও ফলপ্রসূ হতো। তবে এই হামলাকারীদের মধ্যে এমন একজনও যদি থেকে থাকেন যিনি বেগম জিয়ার নির্দেশিত পেট্রোলবোমার আঘাতে স্বজন হারিয়েছেন তার আক্রোশের তো তেমন কোন প্রতিবাদ করা যাবে না। এমন একজন ব্যক্তি মার্চ মাসের প্রথম দিকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আমাকে এসে বলেছিলেন তিনি একজন বোমাবাজ হতে চান, কারণ পেট্রোলবোমার আঘাতে তার একমাত্র ছোট ভাইটির মৃত্যু হয়েছে।

কাওরানবাজার ঘটনার পরদিন বেগম জিয়ার গাড়িবহর পুনরায় বাংলামটর এলাকায় হামলার স্বীকার হয়। তার গাড়িবহর দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে গিয়ে দু’জন পথচারীকে চাপা দিয়ে তাদের মারাত্মকভাবে আহত করে। কটি গণমাধ্যম তা প্রকাশ বা প্রচার করেছে? না, সকলে বেগম জিয়ার বশীকরণ শক্তির কাছে সম্পূর্ণ পরাজিত। দুর্ভাগ্য, বঙ্গবন্ধু কন্যার তেমন কোন শক্তি নেই। শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের গণভবনে আমন্ত্রণ জানান, তাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে থাকেন। অনেকে সেলফি তুলেন, ফেসবুকে আপলোড করেন। তিনি কারও বুবু, কারও আপা, আবার কারও ফুফু। সকলে ভুলে যান তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সম্ভবত কখনও কখনও তিনি নিজেও। আর বেগম জিয়া সব সময় ম্যাডাম। ক্ষমতায় না থাকলেও তিনি নিজেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। তার সঙ্গে কথা বলতে হলে পাঁচ হাত দূরে থাকতে হয়। ব্লাডি সিভিলিয়ানদের কাছে আসা সম্ভব নয়। কিন্তু এই ব্লাডি সিভিলিয়ানদের কাছে বেগম সাহেব অত্যন্ত সমাদৃত। এদের একটি বড় অংশ পারলে কালকেই শেখ হাসিনাকে হঠিয়ে বেগম জিয়াকে ক্ষমতায় বসিয়ে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে রাস্তায় বিজয় মিছিল বের করে। শেষ করি বন্ধুবর মুনতাসীর মামুনের সেই বহুল পঠিত বক্তব্য দিয়ে। তিনি লিখেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু একটি অনিচ্ছুক জাতিকে স্বাধীন করে গিয়েছিলেন। তাদের সংখ্যা বঙ্গবন্ধুর সেই স্বাধীন বাংলাদেশে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। এটি এখন সময়ের ব্যাপার যখন দেশের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানীরা চাইবে বাংলাদেশ আবার পাকিস্তানের সঙ্গে একত্রিত হোক। এদের মধ্যে জামায়াত-বিএনপি তো থাকবেই আর থাকবে এক শ্রেণীর সুবিধাভোগী বামপন্থী, উচ্ছিষ্টভোগী বুদ্ধিজীবী আর সুজনসখী পার্টির সদস্যবৃন্দ। বেগম জিয়া সত্যিই ভাগ্যবতী!

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল ২০১৫

২৬/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: