হালকা কুয়াশা, তাপমাত্রা ১৮.৯ °C
 
৮ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

দুই এপিএসকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৩৩ এ. এম.
  • দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন তার দুই এপিএস সত্যজিত ও মোকাররম বাবুকে বহিষ্কার করেন। বহিষ্কার করার পর পুলিশ মোকাররম বাবুকে গ্রেফতার করেছে। সত্যজিতকে পুলিশ খুঁজছে। সৎজিত ও বাবুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় ফরিদপুরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ হয়েছে। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে সমাবেশও হয়। এই প্রথম কোন মন্ত্রী তার এপিএসদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেন। এ ঘটনায় ফরিদপুরবাসী প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, মন্ত্রীর এই দুই এপিএসর মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতি করেছে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বহিষ্কার করেন। পরে ফরিদপুরের এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করতে পেরেছে। আরেকজন পলাতক রয়েছে। গ্রেফতারকৃত এপিএস ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক। তাকে ঢাকার বেইলী রোড এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় রমনা থানা পুলিশ মোকাররম বাবুকে গ্রেফতার করে। মোকাররমকে রমনা থানায় নেয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার একটি চাঁদাবাজি মামলার আসামি মোকাররম মিয়া বাবুকে গ্রেফতারের জন্য সেখানকার গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। ওই থানার রিক্যুইজিশনের ভিত্তিতে আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। ফরিদপুর থেকে পুলিশ এলে আমরা আসামিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করব। মোকাররম মিয়া বাবুর গ্রেফতারের আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে। এই বাবু ও সৎজিতের ক্ষমতার দাপটে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। দুই দুর্নীতিবাজ গ্রেফতার হওয়ায় সেখানে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা ফরিদপুর থেকে জানান, বৃহস্পতিবার বেলা একটায় আনন্দ মিছিলের পর ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাইনুদ্দিন আহমেদ মানু, শওকত আলী জাহিদ, অনিমেষ রায়, মনির হোসেন প্রমুখ। পরে বাবু ও সত্যজিতের কুশপুতুল পোড়ানো হয়। গত রবিবার রাতে আওয়ামী লীগ নেতা বাবু ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ মুখার্জীর বিরুদ্ধে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়। মামলা দুটি করেন শহর যুবলীগের সভাপতি বদরপুর এলাকার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও শহরের লক্ষ্মীপুরের ঠিকাদার সালেহ আহমেদ। মোকাররম মিয়া বাবুর সহযোগী ফরিদপুর জেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট জসীমউদ্দিন মৃধাকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। বুধবার কোতোয়ালি থানা পুলিশ শহরের পূর্বখাবাসপুরের বাড়ি থেকে জসীমকে আটক করে।

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল ২০১৫, ১২:৩৩ এ. এম.

২৪/০৪/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: