মূলত পরিষ্কার, তাপমাত্রা ২১.১ °C
 
১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

৬০ ভারতীয় কালো টাকার মালিকের নাম প্রকাশ পাচ্ছে

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ এইচএসবিসি ব্যাংকের জেনেভা শাখায় কালো টাকা গচ্ছিত আছে এমন ৬০ জন ভারতীয়ের নাম খুব দ্রুতই প্রকাশ করতে চলেছে কেন্দ্র। এঁদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই কর ফাঁকির মামলায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ৬০ জনের ওই তালিকায় রয়েছেন কর্পোরেট ও বাণিজ্য জগতসহ অন্য বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। জানা গেছে, বিদেশী ব্যাংকের ওই শাখায় গচ্ছিত কালো টাকার পরিমাণ দেড়শ’ কোটিরও বেশি।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সোমবার জানান, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কালো টাকার সমস্ত নথি সংগ্রহের কাজ শেষ করা হবে। যাঁরা দোষী প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র। তিনি জানান, বিশেষ তদন্তকারী সংস্থার (সিট) নির্দেশে আয়কর দফতর ইতোমধ্যে ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করেছে।

লোকসভা ভোটের সময়ে নির্বাচনী ইশতেহারে বিজেপি জানিয়েছিল, সরকার গঠনের একশ’ দিনের মধ্যে বিদেশি ব্যাংকে গচ্ছিত কালো টাকা উদ্ধার করা হবে। কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার পরই কালো টাকা উদ্ধারের জন্য বিরোধীদের চাপ বাড়তে থাকে মোদি সরকারের ওপর। প্রতিশ্রুতিমতো কালো টাকা উদ্ধারে বিজেপি সরকার কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে সরব হয় কংগ্রেস। লোকসভা থেকে রাজ্যসভা উত্তাল হয়ে ওঠে এই প্রশ্নে। বিরোধীদের জবাব দিতে আসরে নামেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ৮শ’ জনের মধ্যে ১শ’ ৩৬ জনের নাম প্রকাশ করতে পারবে কেন্দ্র। কালো টাকা নিয়ে সুপ্রীমকোর্টও কেন্দ্রকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়। সুপ্রীমকোর্টের এই নির্দেশের পরই গত বছরের ২৭ অক্টোবর শীর্ষ আদালতের কাছে হলফনামা দিয়ে তিনজনের নাম প্রকাশ করে কেন্দ্র। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাবর ইন্ডিয়া গোষ্ঠীর প্রদীপ বর্মণ, রাজকোটের ব্যবসায়ী পবন চিমনলাল লোধিয়া এবং গোয়া খনি সংস্থার কর্ণধার রাধা টিম্বলো। পাশাপাশি ওই হলফনামায় জানানো হয়, বাকিদের বিরুদ্ধে আইন ভাঙ্গার কোন অভিযোগ নথিভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নাম প্রকাশ করা যাবে না।

বিদেশী ব্যাংক এ্যাকাউন্ট মালিকদের সব নাম পেশ করার জন্য সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশের পরই ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর ৬শ’ ২৭ জনের নামের তালিকা আদালতের হাতে তুলে দেয় কেন্দ্র। কালো টাকার বিষয়ে তদন্তের জন্য সুপ্রীমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমবি শাহর নেতৃত্বে গঠন করা হয় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। সুপ্রীমকোর্ট নির্দেশ দেয় ২০১৪ সালের মার্চের মধ্যে এ বিষয়ে প্রথমিক তদন্ত শেষ করতে হবে।

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৫

১০/০২/২০১৫ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: