আংশিক মেঘলা, তাপমাত্রা ২২.২ °C
 
৭ ডিসেম্বর ২০১৬, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক সমীপে

প্রকাশিত : ৭ ডিসেম্বর ২০১৪

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয়

যে কোন দেশের জন্য সর্বনাশা ব্যাধি হলো দুর্নীতি। এই ব্যাধি থেকে মুক্ত নয় আমাদের দেশও। দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষানীতি, সংস্কৃতি, শিল্প, শেয়ারবাজার, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ জীবন যাত্রার প্রায় সকল ক্ষেত্রে ঝেকে বসেছে দুর্নীতি। এই দুর্নীতির ফলে দেশের প্রশাসনিক দক্ষতা হ্রাস পেয়েছে, জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দুর্নীতি সামাজিক নৈরাজ্য সন্ত্রাস, বিভিন্ন ধরনের অপরাদ ও সন্ত্রাস বৃদ্ধি করে সরকারের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা ও আনুগত্য হ্রাস করে। ফলে জনগণের বিড়ম্বনা বৃদ্ধি করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম ক্ষুণœ হয়েছে। মূলধন গঠন ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাধায় সৃষ্টি করে এবং সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি করে। এক কথায় বলা যায়, দুর্নীতি সামাজিক বৈষম্য, বিচ্ছিন্নতা, স্বার্থপরতা, অভিশ্বাস, ষড়যন্ত্র ইত্যাদি বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে ফলাফল হলো একটাই। আর তা হলো দুর্নীতি দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সকল দিক থেকে পিছিয়ে দেয়া পৃথিবীর সব দেশেই কম-বেশি দুর্নীতি থাকলেও আমাদের দেশে এর প্রসার অত্যন্ত ব্যাপক ও ভয়াবহ। তাই বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে সমাজের সর্বস্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করার বিষয়টি প্রথমে অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। দুর্নীতি প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর এজন্য প্রয়োজন বলিষ্ঠ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কঠোরভাবে আইন প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত গঠন। কারণ নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি কখনো দুর্নীতির আশ্রয় নিতে পারে না। তাই ছেলে-মেয়েদের সামাজিক ঐতিহ্য, মূল্যবোধনীতি ও আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবার মানসিকতাসম্পন্ন করে গড়ে তোলার শিক্ষা প্রদান করতে হবে। যাতে করে ছোটবেলা থেকেই তাদের মাঝে দুর্নীতি ও অনিয়মকে ঘৃণা করার মানসিকতা গড়ে উঠে। এজন্য পারিবারিক পর্যায় থেকে উচ্চশিক্ষার স্তর পর্যন্ত নৈতিক শিক্ষার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। জাতীয় উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বের বুকে একটি সমৃদ্ধশালী ও মর্যাদাবান জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য আমাদের দুর্নীতি নামক এই সর্বনাশা ও সর্বগ্রাসী সামাজিক ব্যাধিমূলোৎপাটনে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনের সঠিক ও সফল প্রয়োগ করতে হবে। আর তা হলেই দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

মোঃ আলাউদ্দিন মজুমদার

ঢ়ৎড়ফরঢ়হবংি@মসধরষ.পড়স

প্রসঙ্গ বেতন স্কেল

সরকারী অধিদফতর, বিভাগ, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের দফতরসমূহের ক্যাশিয়ার/কোষাধ্যক্ষর বর্তমানে প্রাপ্ত বেতন স্কেল তাঁদের কাজের তুলনায় অনেক কম। কারণ আর্থিক বিষয়ে অনেক দায়িত্ব নিয়ে তাঁদের কাজ করতে হয়। তদুপরি আর্থিক লেনদেনের কারণে তাঁদেরকে ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হয়। জাতীয় বেতন ১৯৭৩ এ ধাপ ছিল ১০টি। ১-৭-১৯৭৭ খ্রি: তারিখে প্রদত্ত জাতীয় বেতন স্কেল প্রবর্তন হওয়ায় (২০টি ধাপ) মন্ত্রণালয় ও মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের মধ্যে বেতন বৈষম্য দেখা দেয়। তার ধারাবাহিকতা বর্তমানেও চলমান আছে। বর্তমানে সরকারী অধিদফতর, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের দফতরসমূহের কাজের পরিধি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই একজন ক্যাশিয়ার/কোষাধ্যক্ষকে অনেক দায়িত্বশীল হয়ে নিজ কার্য সম্পাদন করতে হয়। পরে নিরীক্ষার সময় বিভিন্নভাবে ক্যাশিয়ারকে নিরীক্ষা দলের নিকট জবাবদিহি করতে হয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিরীক্ষার আপত্তির প্রেক্ষিতে চালানের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে টাকা জমা দিতে হয়। তার প্রধান কারণ অনেক সময় আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার চাপে কিংবা আর্থিকবিধি সম্পর্কে ভাল ধারণা না থাকায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়ে যায়। অধিদফতর, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ক্যাশিয়ারদের পদোন্নতি তেমন একটা হয় না। যেখানে জন্ম সেখানেই তাদের মৃত্যু। অন্য কর্মচারীরা ৩টি উচ্চতর স্কেলসহ সিলেকশন গ্রেড পেয়ে থাকেন। কিন্তু ক্যাশিয়ার উচ্চতর স্কেল পেলেও সিলেকশন গ্রেড পায় না। জাতীয় বেতনস্কেল, ২০০৯ অনুযায়ী অধিদফতর, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ক্যাশিয়ার ৪৭০০-২৫৬-৬৫৫৫-ইবি-২৯০-৯৭৪৫ টাকা স্কেলে নিয়োগ পায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, কল্যাণ শাখা এর ২৮-১০-২০১৩ তারিখের আদেশ বলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের ক্যাশিয়ার/কোষাধ্যক্ষের বেতন স্কেল ৫৯০০-১৩১২৫ টাকা হতে ৬৪০০-১৪২৫৫/- টাকায় পুনঃর্নিধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের বেতন স্কেল পূনঃনির্ধারণে ক্যাশিয়ারগণের কোন ক্ষোভ কিংবা দুঃখ থাকার কথা নয়। ক্যাশিয়ারগণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কর্মচারী এবং সরকারী নির্দেশ মতো নিষ্ঠার সঙ্গে ঝুঁকি নিয়ে নিজ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন অধিদফতর, বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্যাশিয়ার/ কোষাধ্যক্ষের বেতন স্কেল উন্নীত করাসহ অন্য কর্মচারীদের মতো সিলেকশন গ্রেড প্রদানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তাহলে ক্যাশিয়ারগণ সরকারের সদয় দৃষ্টির কারণে কিছুটা হলেও সংসার জীবনে সামান্য আর্থিক সচ্ছলতার আলো দেখতে পারবে এবং আরও দায়িত্বশীল হয়ে নিজ কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করবে।

একে বড়ুয়া

উত্তর, ঢেমশা, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

একটি আইন হোক

‘সোনা চোরাচালানি চক্র, ফেরারি আসামি, খুনের সঙ্গে জড়িত দ-প্রাপ্ত আসামিসহ কত না অপরাধী চক্রকে খুঁজছে পুলিশ’Ñ এ রকম সংবাদ যখন পত্রিকায় পড়ি তখন মনে কত না প্রশ্ন জাগে। এ নিয়ে কথা হতে এক বৃদ্ধ জানালেন, অপরাধী মানেই বড় ক্রিমিনাল। একথা কে না বোঝে, ওদের দমনের উপায় নিয়ে আদৌ কেউ ভাবে না বলেই দেশে অপরাধ বেড়েই চলছে। বললাম, এ জন্য কী করা দরকার? বৃদ্ধ একটু হেসে ‘১৫ দিনের মধ্যে আসামী উপস্থিত না হলে তাদের বাড়িঘর, সহায়সম্পত্তি, ব্যাংক ব্যালেন্স যা কিছু আছে তা রাষ্ট্রীয়করণ করে অতপর তা বিক্রি করে সমুদয় অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হলে অথবা ওই সব অর্থ দিয়ে পদ্মা সেতু ও নানা উন্নয়ন কর্মকা-ের কাজে ব্যয় হলে দেশ উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। আর তখনই ফেরারি আসামিরা টের পাবে কত ধানে কত চাল। এ ব্যাপারে সংসদে একটি আইন পাস করা হোক।

লিয়াকত হোসেন খোকন

রূপনগর, ঢাকা

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তি

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। আমাদের দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাও রয়েছে। নানা সময়ে এই তালিকায় জামায়াত-বিএনপির ব্যাপকসংখ্যক রাজাকারও এই ক্যাটাগরিতে ঢুকে গেছে। একথা সত্য যে নানাভাবে এদেশে ৪৩ বছরের ২৮ বছরই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় ছিলো। এই সুযোগটি তারা কাজে লাগিয়েছে। তবে একথা সত্য যে, অনেকেই দেশে থেকে মুক্তিযুদ্ধেও পক্ষে কাজ করেছেন যারা ভারতে যাননি, দেশের ভেতরেই ছিলেন। তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নেননি। তারা ওই তালিকার বাইরে রয়ে গেছেন। তারা আজ এই সম্মান থেতেক বঞ্চিত। তাদের বিষয়টি বিবেচনা করে পুনর্সুযোগ দেয়া দরকার।

১৯৯৮ সালে জামায়াত-বিএনপির যারা মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে, তাদের একটা বড় অংশ কারও কারও হাত করে লাল মুক্তি বার্তায় ঢুকেছে, ঢুকেছে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরে সনদপ্রাপ্ত তালিকায়? কাজেই সব তালিকা তন্নতন্ন করে পরীক্ষা, যাচাই-বাছাই করা দরকার নতুবা প্রস্তাবিত তালিকায় স্বাধীনতা বিরোধীরা থেকে যাবে।

সুতরাং দেশের ভেতরে থেকে যারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে কিন্তু তালিকাভুক্ত হতে পারেননি তাদের অবশ্যই সুযোগ দিতে হবে এবারকার যাচাই-বাছাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা হতে। সেইসঙ্গে লালবার্তা, প্রধানমন্ত্রীর সনদধারীসহ সকলের যাচাই-বাছাই হতে হবে। অন্যথায় প্রস্তাবিত তালিকাও বিতর্কিত থেকে যাবে, যা আমরা স্বাধীনতারপক্ষের কেউ কামনা করি না।

কামাল উদ্দিন আহমেদ

ধানম-ি, ঢাকা

বাস সার্ভিস চাই

স্বাধীনতার পূর্বে পুরনো ঢাকার পোস্তাগোলা হতে টাউন সার্ভিস বাস ছিল যা সদরঘাট হয়ে গুলিস্তান পর্যন্ত যাতায়াত করত। একসময় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ চলাচলে এ রাস্তার ওপর দিয়ে মুড়ির টিন নামে খ্যাত বাস চলাচল করত যা বর্তমানে এ রাস্তায় বাস তো দূরের কথা যানবাহন সংকটে এলাকাবাসী আজ অসহায়। বর্তমানে রিক্সা-সিএনজির ভাড়া অতিরিক্ত যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই অবস্থায় দীর্ঘদিন হতে এই এলাকার মানুষ পোস্তাগোলা হয়ে গে-ারিয়ার লোহারপুলের ওপর দিয়ে গুলিস্তান বা মতিঝিল বাস সার্ভিস নুতনভাবে প্রবর্তীত করার দাবি জানায়। এ ক্ষেত্রে সরকার বিআরটিসি বাস চালু করতে পারে। তাতেও এলাকাবাসী উপকৃত হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ এলাকার অনেক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে থাকে। যানবাহন সংকটের জন্য বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এমতাবস্থায় এলাকার মানুষের সমস্যা কথা বিবেচনা করে সরকার বা সেতু ও সড়ক মন্ত্রণালয় জরুরী ভিত্তিতে পুরনো ঢাকার পোস্তাগোলা-গে-ারিয়া-গুলিস্থান বা মতিঝিল পর্যন্ত বাস সার্ভিস পুনঃচালু বা নুতনভাবে প্রবর্তন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী

ফরিদাবাদ, ঢাকা

কংক্রিটের রাস্তা চাই

বর্তমান সরকার দেশবাসীকে অনেক বড় বড় বিজয় উপহার দিয়েছে। দেশের উন্নয়নে সফলতা দেখিয়েছে। বিদেশ থেকে একের পর এক সুনাম বয়ে আনছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নের সফলতার সুবাতাসেরর পদধ্বনি শোনাগেলেও দেশের সাধারণ মানুষকে সুন্তুষ্ট করতে এবং আস্থায় আনতে পারছে না। বিশেষ করে সারাদেশের রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় সাধারণ মানুষ চরমভাবে বিক্ষুব্ধ। এমন অনেক রাস্তা আছে যা বছরের পর বছর ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে যা দেখার কেউ নেই। জনপ্রতিনিধিরা দিনের পর দিন এড়িয়ে চলছেন। এরই মধ্যে মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রী যদিও বা কিছু কিছু রাস্তার উন্নয়নের এবং সংস্কারের চেষ্টা করছেন কিন্তু বাংলাদেশের আবহাওয়ার কারণে গ্রীষ্মের খরতাপে বর্ষার পানিতে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কারণে রাস্তা সংস্কারের নামে কেবল সরকারী অর্থের অপচয়ই হচ্ছে। সংস্কার নাই শেষ হতেই সে রাস্তা আবার তার পূর্বাবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞদের এবং সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অভিমত ব্যক্ত করেছেন আগামীতে সারাদেশের কংক্রিটের রাস্তা নির্মাণের। যদি তাই হয় এবং পরিকল্পনা আলোর মুখ দেখে আর তা যদি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শ এবং তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা যায় তাহলে সে রাস্তা চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী হবে। বছর বছর সংস্কার করতে হবে না। এতে করে দুর্নীতি কমে আসবে, সরকারী অর্থের সাশ্রয় হবে, জনগণও দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে। অতএব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেয়া জরুরী প্রয়োজন।

মোঃ ওসমান গনী

কেরানীগঞ্জ, ঢাকা

প্রকাশিত : ৭ ডিসেম্বর ২০১৪

০৭/১২/২০১৪ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


ব্রেকিং নিউজ: