কুমিল্লার শ্রীকাইল গ্যাস ক্ষেত্রের কূপ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার মুরাদনগরের শ্রীকাইলে ৫ নম্বর এ কূপ উদ্বোধন করেন বিদ্যুত ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার আমদানি নির্ভর করে দেশের জ্বালানি খাতকে ঝুকির মধ্যে ফেলে গিয়েছে। এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলনের মধ্য দিয়ে জাতীয় গ্রীডে প্রতি দিন যুক্ত হবে ৮ এমএমসিএফডি (মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস। এনিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগরের শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ টি কূপ থেকে প্রতিদিন ১৭ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিগত সরকারের আমদানি নির্ভরতার কারণে বৈশ্বিক সংকটে আমরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছি এবং ক্ষতি হচ্ছে। আমরা চাই নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন করে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে। স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্বাবলম্বী হলে যে কোন ধরনের ঝুঁকি থেকে সহজে উত্তরণ হওয়া যাবে। বিগত সরকার বাপেক্স কে পঙ্গু করে রেখেছিল যার ফল আমরা পাচ্ছি। আমরা বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়াতে চাই তাদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে চাই।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জ্বালানি খাতকে সরকার নিজেরাই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে চাই। আগামী ৫ বছর পর এদেশের গ্যাসের চাহিদা হবে সাড়ে ৪ হাজার ঘনফুট, যা আমরা নিজেদের ক্ষেত্র থেকেই সরবরাহ করার সক্ষমতা অর্জন করবো।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইফুল ইসালম, পেট্রো বাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক, পেট্রোবাংলার ডিরেক্টর অপারেশন্স রফিকুল ইসলাম, বাপেক্সএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফজলুল হক, প্রকল্প পরিচালক মোজাম্মেল হক।
শ্রীকাইল গ্যাস ক্ষেত্র কূপ-৫ এর উপ- প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল বাতিন জানান, গত বছর ২৮ সেপ্টেম্বর এই কূপে খনন শুরু হয়, এবছর জানুয়ারিতে খনন কাজ শেষ হয়। আজ ১৪ মার্চ থেকে এই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলো। এই কূপে মজুদ রয়েছে ৪০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। যা দেশের গ্যাসের চাহিদা পুরনে বিশেষ ভুমিকা রাখবে।
রাজু








