মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় জ্বালানি তেলের খুচরা ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার জ্বালানি তেলের খুচরা বিভিন্ন দোকান গুলোতে পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও ‘সরবরাহ নেই’ অজুহাতে সাধারণ গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। কেউ কেউ দোকান বন্ধ করে রেখেছেন, এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালক, কৃষক ও পরিবহন শ্রমিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভানুগাছ ও শমশেরনগর,আদমপুর এলাকার পাম্পগুলোতে গত দুই দিন ধরে ডিজেল ও পেট্রোল সংগ্রহ করতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। ভুক্তভোগীদের দাবি, তেলের দাম বৃদ্ধির গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে খুচরা দোকান মালিকরা মজুদদারি শুরু করেছেন।অনেক চালক এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি।
বর্তমানে বোরো মৌসুম চলায় ডিজেলের অভাবে সেচ পাম্পগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, যা কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
খুচরা দোকান মালিকদের দাবি, ডিপো থেকে তেলের লরি সময়মতো না পৌঁছানোয় এই সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোনো কৃত্রিম সংকট বা মজুদদারির অভিযোগ তারা অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয় বাইকার রুবেল আহমদ বলেন, আমি সকাল থেকে তিন চারটি দোকানে গিয়েছি, কিন্তু সবাই বলছে তেল শেষ। অথচ বড় গাড়িতে ঠিকই তেল দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সাথে এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত।
তবে মুন্সিবাজার এলাকার মেসার্স তুষার ফিলিং স্টেশনের মালিক নাহিদ আহমদ তরফদার জানান,আমাদের পাম্পে যে পরিমান জ্বালানি তেল ছিল তা প্রায় শেষ পর্যায়ে, শ্রীমঙ্গলে ডিপোতে কথা বলেছি উনারা বলেছেন সরবরাহ কম, আগামীকাল যদি তেল আসে তাহলে দেওয়া সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান এ প্রতিনিধিকে বলেন , কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করার আশ্বাস দেন তিনি।
রাজু








