মেহেরপুর জেলায় বাগানজুড়ে এখন আমের মুকুলের সমারোহ। বসন্তের হালকা বাতাসে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের মৌ মৌ ঘ্রাণ, যা আকৃষ্ট করছে সাধারণ মানুষকেও। চলতি মৌসুমে গাছে গাছে প্রচুর মুকুল আসায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন জেলার বাগান মালিক ও চাষিরা। তবে নির্দিষ্ট সময়ে আম সংগ্রহের দিনক্ষণ নির্ধারণ এবং বিদেশে রপ্তানির বাজার তৈরির দাবি জানিয়েছেন তারা।
বসন্তের এই সময়ে মেহেরপুরের প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে এক অনন্য সৌন্দর্য। ফাগুনের হাওয়ায় ভেসে আসছে আমের মুকুলের সুগন্ধ। চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগানের পরিচর্যায়। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গাছে গাছে মুকুলে ভরে উঠেছে বাগান। মুকুলকে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে বাগানে নিয়মিত কীটনাশক প্রয়োগ করছেন তারা।
তবে রাতে ঠান্ডা আর দিনে তীব্র গরম নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন বাগান মালিকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই গাছে গুটি আসতে শুরু করবে বলে আশা করছেন তারা। সবকিছু ঠিক থাকলে বৈশাখ মাসের শেষের দিকে বাজারে উঠবে মধুমাসের জনপ্রিয় এই ফল।
বাগান মালিক খোকন শেখ বলেন, গত কয়েক বছর ধরে সঠিক সময়ে আম ভাঙার অনুমতি না পাওয়ায় চাষিদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে। এছাড়া আম রপ্তানির সুযোগ না থাকায় অনেক সময় লোকসানের মুখে পড়তে হয় বাগান মালিকদের।
এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, চাষিদের বাগান পরিচর্যায় নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টিতেও কাজ করছে তারা। সঠিক সময়ে আম সংগ্রহের বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সনজীব মৃধা জানান, কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী মেহেরপুর জেলায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। চলতি মৌসুমে এসব বাগান থেকে প্রায় ৪৪ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
রাজু








