মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার মাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কাছে কয়েক দফা মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে কেন্দ্রটির ভোট গ্রহণ বিঘ্নিত হয়। তৃতীয় দফায় বিস্ফোরণের পর সেনাবাহিনী ধাওয়া করে ৫ জনকে গ্রেফতার করে। পরে একটি অবিস্ফোরিত তাজা ককটেল উদ্ধার করে সেনাবাহিনী৷ এর আগে ভোর রাতে মোল্লাকান্দির মহেশপুর থেকে নাহিদ নামের একজনকে গ্রেফতকর করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্য মতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
প্রথমে সোয়া ১০টায় ককটেল বিস্ফোরণের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু বেলা ১২টার দিকে আবারও দুই দফা ককটেল বিস্ফোরণ হয়। খবর পেয়ে কিছুটা দূরে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছুটে আসে। সেনাবাহিনী পৌঁছার পর আলুর জমিতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে দৌড়ে ৫ জনকে পাকড়াও করে সেনাবাহিনী।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রহমত মাঝি (৪২), পারভেজ মাঝি (২৭), মো. কামাল (৩৭), আরশাদ মাঝি ও সালিম মাঝি। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন
জুবায়ের আহমেদ অর্ণব জানান, সেনাবাহিনী দেখার পরই দৌঁড়ে পালানোর সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার তীতুমির জানান বেলা সোয়া ১০টা থেকে আবার কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এখন ভোট গ্রহণ চলছে। এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের সময় দৌড়াদৌড়ি শুরু হয় পরে কেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়। অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসার পর ৭-৮ মিনিট পর খুলে দেয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফুটবল ও ধানের শীষ সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্রের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও পুলিশ সুপার মো মেনহাজুল আলম ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করেছেন। সদর থানার ওসি মমিন আলী জানান কেন্দ্রটিতে আইন শৃঙ্খলা জোরদার করা হয়েছে।
রাজু








