ঝালকাঠিতে দূর্গা প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা
ঝালকাঠিতে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রস্তুতি পুরোদমে এগিয়ে চলছে। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে প্রতিমা শিল্পীরা। প্রতিটি মণ্ডপে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব আনন্দমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে পূজা কমিটিগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশাসনও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠানের সকল ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ বছর দেবী দুর্গা আসবেন গজে, যা শান্তি, সমৃদ্ধি ও শস্য শ্যামলা বসুন্ধরার প্রতীক। কিন্তু দেবীর গমন হবে দোলায় যা মহামারী এবং দুর্ভোগের ইঙ্গিত দেয়। সুতরাং, দেবীর আগমন শুভ হলেও, গমন বিপরীত ফল নির্দেশ করে।
কয়েক দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বেলতলায় দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৫ দিনব্যাপী এ উৎসব। পূজা ম-পগুলোতে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। শিল্পীর নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটির প্রতিমা ধীরে ধীরে দেবী রূপ ধারণ করছে। আয়োজকরাও ব্যস্ত সফলভাবে পূজা আয়োজনের কাজে। জেলা সদরে ১১টিসহ জেলায় মোট ১৫৫টি পূজা ম-প স্থাপিত হচ্ছে। প্রতিমাশিল্পীরা জানিয়েছেন, প্রতিটি মন্দিরের প্রতিমার মাটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বাকি রয়েছে রঙের কাজ।
যা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই শেষ করে স্ব স্ব পূজা কমিটির কাছে বুঝিয়ে দেবেন। তাদের অভিযোগ প্রয়োজনীয় উপকরণের মূল্য বাড়লেও সে তুলনায় তাদের মজুরি তেমন বাড়েনি। তাই তাদের তেমন লাভ থাকে না। আয়োজকরা জানিয়েছেন, আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলা পূজা উদ্্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার ও তাদের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশ মেনে দুর্গাপূজার সকল পস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বিঘেœ দুর্গাপূজা সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে ও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পূজা উদ্যাপনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শান্তিশৃংখলা রক্ষায় পূজা ম-পগুলোতে সরকারি এবং স্থানীয় উভয় পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
প্যানেল হু








